Thumbnail for PRESSURE COOKER I রায়হান রাফির অনবদ্য এক্সপেরিমেন্ট। FILM REVIEW I TANVIR TAREQ by Tanvir Tareq

PRESSURE COOKER I রায়হান রাফির অনবদ্য এক্সপেরিমেন্ট। FILM REVIEW I TANVIR TAREQ

Tanvir Tareq

20m 1s2,909 words~15 min read
YouTube auto captions
Transcript source

YouTube auto captions

This transcript was extracted from YouTube's auto-generated caption track. The transcript below is server-rendered so it can be read, searched, cited, and shared without opening the original YouTube player.

Use this transcript
Related transcript hubs

[0:00]অনেকগুলো বোরকা পড়া সরিষা ক্ষেতের ভেতরে অনেকগুলো নারী দাঁড়িয়ে আছে। একটা ছেলে টুপি পড়া মাদ্রাসার ছেলে সে দাঁড়িয়ে তার মাকে খুঁজছে তার ভেতর দিয়ে। এবং সেটি দিয়ে শুরু, সেটি দিয়েই শেষ করেছেন। এবং সেই শুরু কেন সেটা শুরু করলেন? এবং শেষ করলেন কেন? এই ডিটেইলিং এ দীর্ঘ ছবি প্রায় তিন ঘন্টার ছবি। যদি ভুল না করি এবং সেই ডিটেইলিং এ আপনি স্পষ্ট হয়ে যাবেন যে কেন সেটি শুরু করলো। এবং ওই শুরুর ফ্রেমে আপনি বুঝবেন যে ও আসলে তারেক মাসুদের নির্মাণে কতটা বাস্ক। নাজিফাতুশি মেইন চরিত্র যেটি তার একটা ডায়ালগ রয়েছে তুমি তোমার ছেলেকে এই দূরের মাদ্রাসায় কেন দিয়েছ? তখন তুষি একটা কথা বলে সেটি হয়তো অনেকের কানে এড়িয়ে যায় কিন্তু এটা অনেক গুরুত্ব কারণ সে বলেছে যে আমি যে ক্লায়েন্ট অর্থাৎ মেসেজ পাল্লায় নানান রকম ক্লায়েন্ট আসে মেসেজ দিতে চায় অন অনেক অনৈতিক কাজ করতে চায় সেসব বিষয়গুলো রয়েছে। তো তখন বলেছে যে আমি কখনো আমার ক্লায়েন্ট হিসেবে এই মাওলানাদের কোনদিন এখানে পাইনি। এইটা যে একটা বড় মেসেজ এটি এটি গুড সোসাইটি গুড বাংলাদেশের একটা পোট্রে করে কিন্তু মুসলিম প্রধান দেশে আপনি অনেক নির্মাতা বারবার এইসব জায়গাকে আঘাত করেছে এবং আমাদের দারিদ্র, আমরা পিছিয়ে পড়া জাতি, সংগ্রাম করতে পারিনা, ইসলামকে ভুল ভাবে মোটিভেট করা এগুলো দেখিয়েছে অনেক নির্মাতা এবং সেগুলো নিয়ে অনেক পুরস্কার-টুরস্কার নিয়ে আসছে। আমি এটার কখনোই পক্ষে সাফাই গাইনি কারণ ওরা যে বাংলাদেশের দেখায় ওটা বাংলাদেশ না। কিন্তু প্রেসার কুকারের বাংলাদেশ, প্রেসার কুকারের ঢাকা পুরোটা আমাদের ঢাকা আমাদের বাংলাদেশ।

[1:49]প্রিয় দর্শক সবাইকে আসসালামু আলাইকুম। ঈদের ছবির আলোচনা চলছে ইউটিউব ফেসবুক ভর্তি নানান ভাবে যে যার মত করে কথা বলছে। আজ আমি কথা বলবো প্রেসার কুকার রায়হান রাফির ঈদের ছবি নিয়ে। রায়হান রাফি সম্পর্কে আমি খুব উচ্ছ্বাসা প্রশংসা করেছি এর আগে অনেকবার। কারণ ওর নির্মাণ নির্মাণের ভঙ্গি এবং ডিটেইলিংটা আমার কাছে খুব ভালো লাগে। যেহেতু আমার নিজের সব অবলোকন বলছি তাই অনেকটা ব্যক্তিগত আলাপের মত হবে। রায়হান রাফির পরান দামাল তুফান তান্ডব সুরঙ্গ এইসব ছবির সবকিছু ছাপিয়ে আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে দামাল ছবিটি। কিন্তু দামাল ছবিটি ব্যবসা সফল হয়নি। তার মানে আমার ভালো লাগা বা আমাদের অনেকের ভালো লাগার সাথে ব্যবসাটা ঠিকঠাক মেলে না। আমি কেন এ কথা বলছি কারণ একজন নির্মাতা কিন্তু সবসময় জনস্রোত যেদিকে যায় সেদিকে কাজ করবে সেই দাসখত নিয়ে কোন সুনির্মাতা কাজ করে না। রায়হান রাফি অবশ্যই একজন সুনির্মাতা তার প্রত্যেকটা কাজ দেখবেন যে সে যে ক্যাপ্টেন অফ দা শিপ এবং তার যে নিজস্ব ভঙ্গি ছবিটা যে শুধু তার সেটি বারবার প্রমাণ করেছে। আমি অনেকবার তর্কে জড়িয়েছি ইভেন শাকিব খানের অনেক ভক্তকুলরা আমার প্রতি রাগ হয়েছে যখন আমি বলেছি যে অন্য অনেক নির্মাতার সাথে যখন শাকিব খান ছবি করে আর রায়হান রাফি যখন শাকিব খানের ছবি নির্মাণ করে তখন সেটি আলাদা হয়ে যায়। শুধু রায়হান রাফি না অর্থাৎ নির্মাতা ভেদে নায়কের ছবি আলাদা হয়। এই ঈদে পাঁচটি ছবি বেরিয়েছে পাঁচটি পাঁচ রকম। কারণ পাঁচজন নির্মাতার ছবি। এবং শাকিব খান অনেকের সাথে ছবি করেছেন অনেকের ছবি অনেক রকম কারণ নির্মাতারা আলাদা। তাই মুভি মূলত নির্মাতার ছবি প্রেসার কুকার 100% নির্মাতার ছবি। 100% বললাম কেন কারণ অনেক ছবি থাকে যা তারকা বহুল বা তারকার উপর দিয়ে বা গল্পের একটা বেইজ থাকে সেটার একটা প্রচারণা থাকে সেটার উপর দিয়ে পার পেয়ে যায়। কিন্তু একেবারেই মৌলিক গল্প রায়হান রাফির প্রেসার কুকার এই গল্পটি এবং তিনি যেভাবে সাজিয়েছেন যেভাবে বর্ণনা করেছেন যেভাবে গল্পটা বলার চেষ্টা করেছেন তা অসাধারণ। আমি আগেও বলেছি আবার আজকেও বলি রিপিট করি সেটি হচ্ছে আমি কখনো আমার ছবির আলোচনায় কারিগরি কি করলো কালার কতটা কি হলে ভালো হতো কোন প্লেস ইউজ করলো এগুলো নিয়ে আসলে আলোচনাটা একজন সাধারণ দর্শক করতে পারে না বা করার দরকার নেই। কারণ আমরা আসলে আনন্দটা খুঁজি দেখার আনন্দ গল্পটা কেমন লাগলো আমার মনের ভেতরে সেই আকুলতা জাগলো কিনা আমি এন্টারটেইনড হলাম কিনা কিংবা আমি আমার মন খারাপের বিষয়গুলো আমি তার সাথে শেয়ার করি বা ছবিটা দেখার পর আমার মনোবিশ্লেষণ একটা পরিবর্তন এলো কিনা। এক্ষেত্রে বলে রাখি যে ছবিটি এই 18 প্লাস ক্যাটাগরির এবং এটা অনেকেই ট্রেলার না দেখে বা পোস্টারে ঘোষণা না দেখে চলে গিয়েছেন, বিভ্রান্ত হয়েছেন এবং প্রচুর ভিডিও বেরিয়েছে যেখানে হল থেকে বেরিয়ে অনেকে রাগ প্রকাশ করেছেন। আমি মনে করি যে প্রোডাকশন প্রডিউসার দুই পক্ষেরই একটা ভুল রয়েছে কারণ এটাকে খুব বেশি প্রচার করা হয়নি যে এটা ঠিক অ্যাডাল্ট মার্কের ছবি। যাহোক সচেতন হওয়াটা জরুরি ছিল তবে এই সচেতনতাটুকু ভুলভালভাবে প্রেজেন্ট না করলে যদি এটুকু বাদ দিই তাহলে প্রেসার কুকার একটা মাস্টারপিস ছবি। এক লাইনে আমি এই রিভিউটা শেষ করে দিতে পারি একদম মাস্টারপিস ছবি। কেন বললাম তার একটা আমার নিজস্ব বিশ্লেষণ দেই। আমি রাফির পরান সুরঙ্গ দামাল দেখার পর যে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছিলাম সেটিতে আমার অনেকটা खामতি হয়েছে তান্ডব তুফানে। আমি বলেছি আমার মতো মনে হয়েছে যে অনেক ভালো বানিয়েছে ছবি দুটি কিন্তু এই ছবি বাংলাদেশের না মানে এই ফরমেট এই ফর্মুলা ছবি বাংলাদেশের না। রাফি যেটা পারে রাফি যেটা মানে ক্ষমতা আছে সব ধরনের ছবিও ভালো পারে। কারণ ও ভালো নির্মাতা তাই ওর শক্তিটা বাংলাদেশি নির্মাণে, বাংলাদেশি গল্প, মৌলিক গল্পের বিন্যাসে ব্যবহার করা প্রয়োজন। ফোর ফিমেল ফিমেল ক্যাটাগরি কিন্তু এটি এমন দৃশ্যপট দেখানো হয়েছে। আমি মনে করি যে ঢাকার যে নীলকণ্ঠ বিষ নগট জীবনের যে নীলকণ্ঠ বিষ আমাদের যেই অলিগলি আমরা পাশ কেটে যাই যা দেখি না সেইসব গল্প তুলে ধরা হয়েছে। এক অসাধারণ প্লট এই ছবির সবচেয়ে মূল শক্তি। অনেকে অনেক কথা বলবেন মানে অনেক কিছু বলা যায় অনেক দুর্দান্ত অভিনেতা রয়েছে যার অভিনয় শিল্পী কিন্তু এই যে প্লটটা নিয়েছে রাফি যেই প্লটটা নিয়ে এর আগে কেউ করেনি। একদম আমি খুব দায় নিয়ে বলছি এর আগে কেউ এই প্লটটা নিয়ে কাজ করেনি। এটাই একজন নির্মাতার অনুসন্ধিৎ চোখ হওয়া উচিত এবং প্রেসার কুকার নারীদের গল্প না প্রেসার কুকার এই সমাজের গল্প। নারীদের নিপিড়নের গল্প যেই সমাজে শুধু এই চার পাঁচজন নারীর চরিত্র না গোটা সমাজকে যে বিক্ষিপ্ত ভাবে আমরা শোষণ করি এবং যেই পদদলিত সোসাইটি উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্তেরও বাইরে যেই বিচ্ছিন্ন মানুষ এই ঢাকা শহরে বোহেমিয়ান ভাবে ঘুরে বেড়ায় এবং তাদের জীবিকার আশ্রয় খোঁজে তারা একটু সমৃদ্ধ হবার চেষ্টা খোঁজে সেই নারীদের যে সংগ্রাম ভেতরের যে অনুগমন এবং নিজের যে দৌড় নিজের রেস সেই রেসের কথা বলেছেন চমৎকারভাবে। এখানে মেসেজ পার্লারের একটা বিষয় খুব প্রকটভাবে দেখা দিয়েছে কারণ আমরা কিছু স্থুল বিষয় দেখতে ভালোবাসি। এবং নাজিফা তুষি যে সুন্দর অভিনয় করেছেন আমি বলব পরিচালক করিয়েছেন। তবে নাজিফা তুষি আমি বলব হাওয়া আইসক্রিম করলো এবং এই ছবিতে সামনে রয়েদ আসছে সুতরাং নাজিফা তুষির যে ফিল্মোগ্রাফি দ্যাট ওয়াজ মানে ফ্যান্টাস্টিক শুধু না এটা ইর্ষা করা মতো ওর কলিগরা ইর্ষা করতে পারে। তবে এটা পোস্টারে বা ট্রেলারে যেমন দেখা গেছিল অনেকগুলো চরিত্রের বিন্যাস রয়েছে কিন্তু পরিচালক বা গল্পের প্রয়োজনে হয়তো নাজিফা তুষিকেই মেইন প্রোটোগনিস্ট হিসেবে গল্পটি এগোনোর চেষ্টা করা হয়েছে। এখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র রয়েছে খুবই আলোচিতভাবে অনেকদিন পর মানে আজিজুল হাকিমকে যেইভাবে পর্দায় দেখেছি একেবারে টিপিক্যাল অনেক অনেক নাটক করেছে অনেক অনেক কাজ করেছে। কিন্তু আজিজুল হাকিমকে এখানে রায়হান রাফি যেভাবে উপস্থাপন করেছেন এইটা এই আজিজুল হাকিমকে কেউ দেখেন নাই। সজিন আহমেদ সেলিম একটা দুর্দান্ত অভিনেতা আমি বলব হিউম্যান ফরিদির পরে সেলিম ভাইয়ের অভিনয় দেখতে গ্রামার খুঁজতে হয় এটা কোন গ্রামারের তার চোখ কথা বলেছে তার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ কথা বলেছে। তার সারাক্ষণ যে খুশখুশে কাশি একজন টেন স্মোকার তার সংসারের নানান রকম জটাজাল সেটা থেকে বেরিয়ে আসতে চায় এই যে একটা ক্রাইসিস দেখিয়েছে এক অদ্ভুত এর মধ্যে মানে আপনি বুবলি নাজিফা তুষি বা চার পাঁচজন মেয়ের ভেতর দিয়ে যেই সামাজিক সংগ্রামটা রায়হান রাফি দেখাতে চেয়েছেন এটাকে আমি বলব যে ঢাকা শহরের যে বিষ ঢাকা শহরের যে নীলকণ্ঠ বিষ যেই বিষগুলো যেই বিষয়গুলো আমাদের মানে মারতে থাকে যেই অভাব তারণা দারিদ্র লোভ হিংস্রতা এবং পাবার আকুতি ঠকে যাবার পর আবার জেদ এই বিষয়গুলো তো মানুষের জীবনে দৌড়ায় এই সাবজেক্টিভ ম্যাটারে কিন্তু রাফি যেমন সুরঙ্গ কাজ করেছে পরানে অনেকখানি কাজ করেছে সেখানেও প্রেম লোভ তারণা এগুলো ছিল। এই জায়গাগুলো রাফি দুর্দান্ত পারে মানে বলার অপেক্ষা রাখে না। এগুলো দুর্দান্ত দেখিয়েছে আমি মনে করি যে একটা ছবি ফেইল হয় কখন ঈদের অন্যান্য ছবিগুলো দেখলাম আমি এখনই নাম তুলতে চাচ্ছি না হয়তো অন্য রিভিউতে আমি বলবো। যেমন আমি ছোট করে বলি দম ছবিটা মানে আমি দেখলাম দেখার পর যেটা মিসিং বড়ভাবে মিসিং যে দমে যে ক্রাইসিসটা দেখিয়েছে আফরান নিশো সেই ক্রাইসিসটার সাথে আমি রিলেট করতে পারছিলাম মানে ওর যে কষ্ট হচ্ছে কেন কষ্ট হচ্ছে? বা চঞ্চল চৌধুরী হঠাৎ করে একটা মানে সঠ চরিত্র একটা খারাপ লোকের চরিত্র সেটা ভালো সে ট্রান্জেকশন সে খারাপ হলো কেন সেটা ভালো হলো কেন এই যে বিষয়গুলো কেন হচ্ছে পীড়নটা পীড়নটা কেন তৈরি হচ্ছে আমার ভেতরে তো অনুভব করতে হবে। প্রেসার কুকারের প্রত্যেকটা চরিত্রের একটা ডিটেইলিং আছে এইখানে শুধু প্রেসার কুকার না আমি বলব রায়হান রাফির প্রত্যেকটা ছবিতে একটা ডিটেইলিং অধ্যায় থাকে যেটাকে আপনি ইনভলভ হয়ে যাবেন যে যে ভিলেন ওকে আপনার মারতে ইচ্ছা করবে যে ভালো ওর কষ্টের প্রতি আপনার কেন জানি মানে তারণা জাগবে আহারে মানে এত কষ্ট কেন? ইনভলভ হয়ে যাবেন সো এটা আলাদাভাবে বাড়তিভাবে দেখাতে হয়নি চোখের কান্না দিয়ে আলাদাভাবে বাড়তি আরম্ভ দেখাতে হয়নি এখানে প্রেসার কুকার জয়ী এবং রেহানে রায়হান রাফির মুন্সিয়ানা অন্য অনেক ছবির কথা রেফারেন্স টানতে পারবো। কিন্তু প্রেসার কুকার যেহেতু একেবারেই মৌলিক গল্প এবং এখানে খুব ভালো লেগেছে তারেক মাসুদ শহীদুল ইসলাম খোকন আমার দুই প্রিয় নির্মাতা এবং আমি আমার অনেক খাসাদে কথা অনেক লেখায় অনেক ফোরামে অনেক ভাবে বলেছি যে বাংলাদেশে কমার্শিয়াল ফ্যান্টাসি এবং আমাদের একেবারে মৌলিক ঘরানা গল্প বা বিকল্প ধারা বলে যে ব্র্যাকেট বন্দী করা হয় সেখানে তারেক মাসুদ এই দুইজন শীর্ষ নির্মাতা রয়েছে। সেই দুই শিষ্য নির্মাতাকে যখন ডেডিকেট করে একটা সিনেমা বানায় রায়হান রাফি তখন তো খুব বাম হয় কারণ মনে হয় যে এই ছেলেটা একটা লম্বা রেসের ঘোড়া লম্বা রেসের ঘোড়া বলতে ও সফল অনেক দিক দিয়ে হাই স্পিড ডিরেক্টর এবং ওর সাথে কাজ করতে চায় বাংলাদেশের সকল অভিনেতা কিন্তু বেয়ন্ড দা বর্ডার বাংলাদেশকে যদি সারা বিশ্বে একটা দারুণভাবে রিপ্রেজেন্ট করার শক্তি থাকে রায়হান রাফির আছে। আর বিজিএম বলি কালার বলি এখানকার গানগুলো বলি খুব সুন্দর এবং ওই যে বললাম যে একজন নির্মাতার মুন্সিয়ানা থাকে যে আপনি প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে নির্মাতার ছাপ থাকবে মানে কোন কিছু খুব বেশি বেরিয়ে আসবে না বারবার আপনাকে মনে হবে যে এটা কে বানাইছে মানে বারবার নির্মাতাকে খুঁজবে দর্শক এটা কিন্তু একটা ভালো নির্মাতার বড় মুন্সিয়ানা বিশ্বের বিখ্যাত বিখ্যাত নির্মাতার ছবিতে খুঁজে পাওয়া যায় যে এই ধরনের শর্ট কিভাবে পেলো মানে ওয়াইড অ্যাঙ্গেলের শর্ট আপনি শুরুতে একেবারেই দেখলে মনে হয় তারেক মাসুদের শর্ট মানে তারেক মাসুদ বেঁচে থাকলে ঠিক এটি এই শর্টটি নিতেন মানে অনেকগুলো বোরকা পড়া সরিষা ক্ষেতের ভেতরে অনেকগুলো নারী দাঁড়িয়ে আছে। একটা ছেলে টুপি পড়া মাদ্রাসার ছেলে সে দাঁড়িয়ে তার মাকে খুঁজছে তার ভেতর দিয়ে। এবং সেটি দিয়ে শুরু, সেটি দিয়েই শেষ করেছেন। এবং সেই শুরু কেন সেটা শুরু করলেন? এবং শেষ করলেন কেন? এই ডিটেইলিং এ দীর্ঘ ছবি প্রায় তিন ঘন্টার ছবি। যদি ভুল না করি এবং সেই ডিটেইলিং এ আপনি স্পষ্ট হয়ে যাবেন যে কেন সেটি শুরু করলো। এবং ওই শুরুর ফ্রেমে আপনি বুঝবেন যে ও আসলে তারেক মাসুদের নির্মাণে কতটুক বাস। সো ইনভল্ভ হয়ে যেতে হয় এবং আমি বলব যে আমি যেটি নিয়ে অনেকবার ফাইট করেছি অনেক নির্মাতার সাথে আমার মানে ঝগড়া বিবাদ হয়েছে। আমরা বাংলাদেশের গুড মোরাল এবং বাংলাদেশের মুসলিম সোসাইটিকে গুড মুসলিম ব্রাদারহুডের যে বিষয়গুলো এগুলো তুলে ধরতে চায় না। আমরা খুবই ক্লিসে ব্যাড ভাইবটাকে নিয়ে আমরা ফেস্টিভলে যেতে চাই এবং নাজিফাতুশি তার একটা ডায়ালগ রয়েছে তুমি তোমার ছেলেকে এই দূরের মাদ্রাসায় কেন দিয়েছ? তখন তুষি একটা কথা বলে সেটি হয়তো অনেকের কানেরিয়ে যায় কিন্তু এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ কারণ সে বলেছে যে আমি যে ক্লায়েন্ট অর্থাৎ মেসেজ পার্লারের নানান রকম ক্লায়েন্ট আসে মেসেজ দিতে চায় অনেক অনৈতিক কাজ করতে চায় সেসব বিষয়গুলো রয়েছে। তো তখন বলেছে যে আমি কখনো এই আমার ক্লায়েন্ট হিসেবে আমার এই মাওলানাদের কোনদিন এখানে পাইনি। এটা যে একটা বড় মেসেজ এটা গুড বাংলাদেশ এই বাংলাদেশে একটা পরচে করে কিন্তু অনেক নির্মাতা বারবার এইসব জায়গাকে আঘাত করেছে আমাদের দারিদ্র আমরা পিছিয়ে পড়া জাতি আমাদের সংগ্রাম করতে পারিনা ইসলামকে ভুলভাবে মোটিভেট করা এগুলো দেখিয়েছে অনেক নির্মাতা এবং সেগুলোকে নিয়ে অনেক পুরস্কার টুস্কার নিয়ে আসছে আমি এটার কখনোই পক্ষে সাফাই গাইনি কারণ ওরা যে বাংলাদেশের দেখায় ওইটা বাংলাদেশ না কিন্তু প্রেসার কুকারের বাংলাদেশ প্রেসার কুকারের ঢাকা পুরোটাই আমাদের ঢাকা আমাদের বাংলাদেশ এবং যে মোরালটা দেখিয়েছে যে অন্যায় করলে সেটা রিপ্লাই পায় এবং সেটিতে শেষ হয়ে যেতে হয় লোভ লোভে পাপ পাপে মৃত্যু এই যে মোরাল লাইন এই লাইনে আসলে রাফি অনেকগুলো ছবি বানিয়েছে প্রেসার কুকারও তার একটা মাস্টারপিস ভুলভাল ধরাটা আসলে আমার কাজ না এবং রিভিউয়ারের কাজ হতে পারে না কারণ আমি আবারও বলি প্রত্যেক ছবির ক্ষেত্রে বলি যে একজন বাজে ছবি যে নির্মাণ করে তার যে কষ্ট এই বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তার যে ক্রাইসিস তার যে সংগ্রাম করতে হয় সেই এফোর্ট আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না সুতরাং হঠাৎ করে ভুল ধরা যায় একটা পর্যালোচ একটা পর্যালোচনা যেহেতু হচ্ছে সুতরাং আমি এটা এভাবে বলতেই পারি যে ধরেন এইখানে যেই মানে ক্রাইসিসটা দেখানো হয়েছে যেমন হঠাৎ করেই চঞ্চল চৌধুরীর যে চলে যাওয়া একাধিকবার ওকে ঠকালো ঠকে যাওয়ার পরে সমাজকে দেখানোর যে ওকে আবার নতুন করে ফেরার যে বিষয়টি সেখানে আর চঞ্চল চৌধুরী এলো না এটি আমার কাছে মনে হয়েছে যে একটা ফাইন লাইনে চঞ্চল চৌধুরীর শেষ পরিণতিটা দেখালে হয়তো একদম দর্শক আকুলতা থেকে ভালো রাখতো। এটা যে না দেখালে অনেক কিছু ক্ষতি হয়ে গেছে তা মনে হয়নি কিন্তু খুঁজতে চেষ্টা করেছে যে ও ওই চরিত্রটি গেল কই যদিও চন্দ্রী যতক্ষণে এসেছে এই ছবির একটা হিউমার পার্ট এমন ভাবে ইনভলভ করে নিয়ে গেছে একটা বিষয় খুব মজা লাগে যে সেটি ডিটেইলিং যখন চিত্রনাট্য করেন একজন নির্মাতা সেই অংকটা মেলাতে পারেন বলেই রায়হান রাফি খুব ভালো নির্মাণ করেন যে শুরুর দিকে হয়তো আপনি আধা ঘন্টার মধ্যে একটা ঘটনা পাবেন প্রশ্ন জাগবে যে এই প্রসঙ্গটা কেন দেখালো সেটা আবার আপনি ধৈর্য ধরে দেখলে হয়তো হাফ টাইমের পরে সেটার উত্তর পেয়ে যাবে আমার নির্মাণের একটা বড় অংশ আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে যে ঠিক আছে নির্মাতা নিশ্চয়ই এই অংকটা মেলাবেন। অনেক নির্মাতা সরি টু সে অনেক নির্মাতা এটি মেলান না ভুলে যান বা এটিকে কেয়ার করেন না ঠিক আছে আমি এটা দেখিয়েছি ঠিক আছে ওটা তো ভুলে যাবে পরের না ভোলে না। সো এই ডিটেইলিংগুলো অদ্ভুত অসাধারণ আর অভিনয়ের ক্ষেত্রে বুবলি মিশা সওদাগর দুজন ফ্যান্টাসি মুভির দুই অভিনেতা অভিনেত্রী রয়েছে তারা খুব ভালো করেছেন কিন্তু এবার এই যেটা দেখা গিয়েছে যে যেই তকমাটি লাগানো হতো যে টিভি নাটকের কলাকুশলীদের কেন নেয়া হয় সেইটার বোধহয় সময় এসেছে যে সত্যিকার অর্থেই যে একেবারে বেসিক্যালি যেটাকে আমরা বলি মেথডঅ্যাক্টিং সেই মেথডঅ্যাক্টিং এর সেরা কিন্তু যারা মঞ্চ টিভিতে কাজ করেন এবং এখানে ফারজানা ছবি কি অসাধারণ অভিনয় করেছেন একজন মায়ের চরিত্র দুঃখ দারিদ্রে ভরা সংগ্রামে ভরা এখানে বারবার গায়ে হাত তোলা পুরুষশাসিত সমাজের যে সোসাইটি দেখানো হয়েছে সেটি বিলং করে সেটি হয়তো উচ্চমধ্যবিত্ত মধ্যবিত্তের ভেতর দিয়ে আমরা খুব একটা আর্চ করতে পারি না কিন্তু এই যে সোসাইটি যে যে নারীরা বারবার নিষ্পেষিত হচ্ছে সেখান থেকে বেরিয়ে আসার যে উদ্যোগ বারবার নানান রকম অন্যায় যে ফারজানা ছবি শহীদ জামান সেলিমের মেয়েটি যে ছেলেটির সাথে চলে যায় প্রেমে সেই ছেলেটি আবার ফেঁসে যায় আরেকটা এমন এক বিপদে এই মানুষের সংগ্রাম আর শেষ হয় না তারা আর ভালো হওয়া হয়ে ওঠে না মানে এটা তো এমন না যে ওই যে আলমগীর শাবানা ছবির মতো সেলাই মেশিনে সেলাই করতে করতে বড়লোক হয়ে গেল ওই ফ্যান্টাসিও নাই। একদম বাস্তবতা নিয়ে তৈরি করেছে নিশ্চয়ই ঋতিক ঘটক এই সময় হয়তো ছবি বানালে এই গতিতেই বানাতেন সো সেই জায়গা থেকে রায়হান রাফি সেই গতিময়তা রেখেছে তার ছবিতে। দুর্দান্ত কাজ করেছেন আমি আবারো বলি যে ওর প্রতি হয়তো রাগ রাখা যায় না কারণ ও অনেক রহমান বাবুর চরিত্রটা নিয়ে কিছু বলার নেই পুলিশ অফিসারের চরিত্রে দেখিয়েছেন যা এই সমাজে একেবারেই বাস্তবতার সাথে মিলে যায়। আমি প্রথমে যেটা বললাম যে রেটিং যুক্ত ছবিতে যেই সমস্যা বা সংকটটা থাকে সেটা স্পষ্ট হলে স্পষ্ট করা গেলে হল ভর্তি দর্শক বিভ্রান্ত হতেন না কারণ এটি ফ্যামিলি নিয়ে দেখার মতো ছবি না। এখন এই ফ্যামিলি নিয়ে দেখার মত ছবি না এই লাইনটাতে কিন্তু আপনারা আবার বিভ্রান্ত হতে পারেন যে তাহলে এই ছবিকে ভালো বলছেন কেন? দেখেন ছবির নানান রকম ব্যঙ্গন থাকবে নানান জনরার ছবি একজন নির্মাতা করবেন এটাকে হুঠাট করে ওই এডাল্ট ফিল্ম মানেই আপনি নীলছবির ক্যাটাগরিতে ফেলবেন সেইটা কিন্তু আপনার বোকামি হবে। কারণ আপনি ওটিটিতে আপনি বিভিন্ন প্লাটফর্মে ইভেন আপনি ইউরোপিয়ান ফিল্ম আমেরিকান ফিল্মের এর চাইতেও রগরগে দৃশ্য দেখছেন দেখে বলছেন হটে ক্লাসিক সিকুয়েন্স কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এসব দৃশ্য দেখলে আপনার মনে হয় যে হায় হায় সোসাইটিতে তো শেষ হয়ে গেল কিন্তু সোসাইটিতে এগুলো বিলং করে এবং এটি এমন না যে এটাকে গ্লোরিফাই করা হয়েছে। এটা যে পাপ অন্যায় অনাচার এবং ভুল দৃষ্টান্ত সেটির একটা রেজাল্টও এই ছবিতে মোরাল জায়গা থেকে নির্মাতা খুব স্পষ্ট করেছেন। সুতরাং তার জায়গায় সে সৎভাবে সেটি পরচে করেছে। তাই আমি মনে করি যে আমরা একদিকে যেমন বলবো সেন্সর বোর্ডের দরকার কি রেটিং করে দিলে হয় আবার বলবো যে না এসব কাটার ছেরা লাগবে তাহলে তো আমরা নিজেরাই খুবই স্ববিরোধী আচরণ করলাম মানে এর চাইতে তো ভণ্ডামি কিছু হতে পারে না। ছবিটা বাংলাদেশি সারা বিশ্বের বাঙালি দর্শক সমাজে কেমন কাটবে বা ব্যবসা সফল হবে সেটি আমাদের সোসাইটি কতটুকু নিতে পারে সেটির উপরে তবে এই ছবিটা মোর মডার্ন ছবি এবং এ যাবৎকালের রাফি যদিও যেই ছবির নির্মাণ হয় তখনই সেটা বলে এটা আমার সেরা ছবি এবং সেটা বলতেই হয় কারণ নির্মাতার ছবিটির ক্যাম্পেইন করতে হবে এবং প্রত্যেক নির্মাতা হয়তো শেষ সর্বশেষ ছবিটি সেরা বলেই সর্বোচ্চ চেষ্টাটা সে দিয়ে থাকে। কিন্তু এই ছবিটি মাস্টারপিস বানিয়েছে এবং এটাতে আপনি ওই যে বললাম যে বোর হবেন না এত এনগেজমেন্ট রেখেছে ছবিটিতে হুট করে গান আসেনি হুট করে প্রেম আসেনি হুট করে কাতুকুতু দিয়ে হাসানোর চেষ্টা করা হয়নি এবং অজাতিতভাবে মারামারি কাটাকাটি সেগুলো দেখানো হয়নি। সমাজ সামাজিক যে দৌড় সেটিকে দেখানো হয়েছে খুব দারুণভাবে আলোড়িত করেছে একটি চরিত্র চরিত্রের নাম মনে নেই কারণ সেই চরিত্রের অভিনেতাকে আমি চিনি না সেটি হচ্ছে নাজিফা তুষির যে প্রেমিক থাকে এবং যাকে সে বিয়ে করতে চায় শেষে সেই চরিত্রটি এবং এই চরিত্রের যে বিন্যাস ওই ছেলেটি দেখিয়েছে তা অদ্ভুত। আমি অনুরোধ করবো প্রেসার কুকার আপনারা মিস কইরেন না অনেক আরম্ভ যুক্ত ছবি আছে অনেক পিয়ার যুক্ত প্রোফাইল পিয়ার সুপারস্টারদের ছবি রয়েছে কিন্তু এই ছবিটি একটা মৌলিক গল্পের ছবি বাংলাদেশের ছবি এবং রায়হান রাফির গ্রেট সিগনেচারের ছবি ছবি দেখুন বাকিটা আমার এই আলাপের সাথে মিলায়ে নিবেন যে আমি একরত্তি মিথ্যা বললাম কিনা আমি বাজিয়ে রেখে বলতে পারি ভালো থাকুন বাংলাদেশের চলচ্চিত্রর সাথে থাকুন চলচ্চিত্রগুলো বাংলাদেশের হয়ে উঠুক আল্লাহ হাফেজ।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript