Thumbnail for আজকে থেকেই এই কাজ গুলো শুরু করুন নিজের ব্যবসা দাঁড় করাতে by Khalid Farhan

আজকে থেকেই এই কাজ গুলো শুরু করুন নিজের ব্যবসা দাঁড় করাতে

Khalid Farhan

10m 28s2,161 words~11 min read
Auto-Generated

[0:00]2012-13 সালে আমার পেট এক্সেসরিসের একটা ব্যবসা ছিল, একটা Facebook পেইজ ছিল, ব্যবসা বলাটা একটু বেশি বলা হয়ে যাবে। এবং ওই Facebook পেইজে আমি চায়নার থেকে বিড়ালের খেলনা-টেলনা ইম্পোর্ট করে বেচতাম। এটা ছিল আমার প্রথম দিকের একটা ব্যবসা এবং তারপরে গত 12 বছরে এক যুগে, এক যুগের বেশি সময় একচুয়ালি 2012 আজকে 2026-27, এক যুগের বেশি সময়। এর মধ্যে আমি Facebook বেসড বিজনেস কখনোই আর টাচ করিনি বা কনজিউমার ফেইসড বিটুসি বিজনেস আমি ওভাবে টাচ করিনি। এবং একটা Facebook পেইজ দিয়ে ওই যে যে প্রোডাক্টের অর্ডার আসবে তারপর ডেলিভারি পাঠাবো কুরিয়ার দিয়ে ক্যাশ অন ডেলিভারি হবে ইয়াহাবে ওইভাবে ওই দুনিয়ার সাথে আমি অত কানেক্টেড ছিলাম না। অনেক ইনভেস্টমেন্ট আছে আমাদের এই দুনিয়ায় বাট আমি নিজে কখনো এরকম কোন বিজনেস অপারেট করিনি। এখন 2026 চ্যালেঞ্জের জন্য যেখানে আমি একটা বিজনেস দাঁড় করা দেখাচ্ছি পুরাটা লাইভ 50,000 টাকার রেভিনিউ জেনারেট করার জন্য প্রত্যেক মাসে ওই জিনিসের জন্য আমি অনেক দিন পরে আবার এরকম এই জিনিস করা শুরু করছি। এই Facebook পেইজ ফার্স্টে বানাইছি পরে সামনে যাই ই-কমার্স বানাবো ওটাকে এবং পুরা জিনিস আমি দেখাচ্ছি। তো এই জিনিস করতে যেয়ে আমি রিয়ালাইজ করলাম যে বাংলাদেশে বেশিরভাগ এফ-কমার্স বিজনেস একচুয়ালি আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে আর টিকবে না। এবং আজকের এই ভিডিওতে আমি আপনাদের বলবো কেন আপনার যদি এফ-কমার্স বিজনেস থেকে থাকে ওটা কেন টিকবে না এবং আপনি যদি শুরু করার কথা ভেবে থাকেন কেন এই পয়েন্টগুলো আপনার মাথায় রাখা উচিত যেন আপনারটা টিকে। চলুন শুরু করা যাক। ফার্স্ট যেই কারণ যেটা আমার ধারণা আপনারা অনেকেই রিয়ালাইজ করেন না সেটা হলো এফ-কমার্স বিজনেস একটা ইলিউশনাল বিজনেস। ইটস নট একচুয়ালি এ বিজনেস। আমি যদি আমার বাসার নিচে যে মুদির দোকান আছে সেই মুদির দোকান থেকে চিপস কিনে এনে আপনারে বেচার চেষ্টা করি তিন তলায় আপনি তিন তলায় থাকেন এটা কি বিজনেস? হ্যাঁ ইন দা সেন্স বিজনেস আমি 10 টাকায় কিনছি এখন আমি আপনাদের 13 টাকায় বেচতেছি। আপনি নিচে গেলে আপনি 10 টাকা পাইতেন কিন্তু আপনি নিজে যেতে চাইতেছেন না। টেকনিক্যালি ইটস আ বিজনেস, ইটস নট আ গুড বিজনেস। আমি আসলে কিছু প্রডিউস করিনি আরেকজন একটা জিনিস প্রডিউস করছে সেইটা আবার আরেকজন নিয়ে আসছে আমি আবার তার কাছ থেকে নিয়ে এসে আরেকজনের বেচতেছি জাস্ট বিকজ ও লেজি। এই মডেলটা যে চায়নার থেকে কিছু একটা আনবো ওইটা 10 টাকায় আনছি এখন 5 টাকা যুক্ত করব এটার সাথে এবং তারপর এটা বিক্রি করার চেষ্টা করব। এইটা একটা লেজি বিজনেস মডেল এবং এই বিজনেস মডেল অনেককে ইলিউশন অফ বিজনেসের সেন্স দেয় বাট একচুয়ালি ওগুলা লং টার্ম সাসটেইন করার মত বিজনেসই না। এবং জিনিসটা শুরু করা যেহেতু অনেক সহজ একটা Facebook পেইজ সবাই খুলতে পারে অনেকের অলরেডি আছে প্রোডাক্ট কোন ব্যাপার না।

[2:05]এই দুইটা ব্যাপার যখন আমরা মিলাই ন্যাচারালি অনেক মানুষ ফেইল করবেই কারণ এমন অনেক মানুষ এন্টার করে যাদের প্রবালি এন্টার করারই কথা না। সো এই ব্যাপারটা ফার্স্টে আপনি বুঝেন যে ফেইলর রেট হাই হবেই কারণ প্লেয়াররাই অনেকাংশে খারাপ। এখন ফার্স্ট সিরিয়াস পয়েন্ট 2012 সালে আপনি যদি একটা Facebook পোস্ট দিতেন আপনার Facebook পেইজের ভিতর থেকে 16% আপনার ফলোয়ার ওই পোস্টটা দেখতো। 2026 সালে এসে এটা নামছে 2% এ। আপনার যদি 100 ফলোয়ার থাকে দুইজন অর্গানিক্যালি আপনার পোস্ট দেখবে আপনার যদি 1000 ফলোয়ার থাকে 20 জন দেখবে যদি 10,000 ফলোয়ার থাকে 200 জন দেখবে অর্গানিক্যালি। সো অর্গানিক সোশ্যাল মিডিয়া ইজ বেসিক্যালি ডেড আপনি যদি সোশ্যাল মিডিয়াকে টাকা না দেন সেই ক্ষেত্রে আপনার ভিজিবিলিটি আপনার কম্পিটিটরদের থেকে বাড়বেন না। এই যখন সিচুয়েশন তখন জিতবে কারা? তারাই যারা বেটার ভিজিবিলিটি পাবে। বেটার ভিজিবিলিটি কারা পাবে? যাদের কাছে বেশি টাকা আছে।

[2:51]বেশি টাকা কাদের কাছে থাকে বড় বড় কোম্পানি বড় বড় ফান্ডস বা বিজনেসেস যারা অনেক ফান্ড রেইজ করছে বা এমন কোন বিজনেস যেটা এত ছোট যেটা দেখে বড় বড় কোম্পানিরা তাকায়া না কারণ ওরা এটা নিয়ে খুব একটা কেয়ার করে না। এই যদি ল্যান্ডস্কেপ হয় এখানে বাজার চান্স কতটুক খুব বেশি একচুয়ালি না। এবং সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাপারটা দেখেন 2019 থেকে 2022 আমরা যেহেতু ট্র্যাক করি 89% এর মতো Facebook অ্যাডের খরচ বাড়ছে। 89% যদি তিন বছরে খরচ বাড়ে তার মানে হলো একটা জিনিস বিক্রি করতে আপনি 10 টাকায় কিনে আনছেন ওটা বিক্রি করতে যদি আগে 5 টাকা লাগতো এখন অলমোস্ট ওটা বিক্রি করতে 9 টাকা লাগে। এই যখন সিচুয়েশন আপনি এই মডেলটা লং টার্মে সাসটেইন করাইতে পারবেন না কারণ যেদিন আপনি অ্যাডটা বন্ধ করবেন ওইদিন আপনার বিজনেস ডেড এবং একটা টাইমে আপনি আপনার অ্যাডটা চালাইতে পারবেন না কারণ অ্যাডটা চালাইয়া পুরা জিনিসটা প্রফিটেবল রাখতে ডলার টু বিডিটি কারেন্সির ডিভ্যালুয়েশন আপনার খেয়াল রাখতে হবে। প্রোডাক্টের ইম্পোর্ট কস্ট বেড়ে যাবে কারণ টাকা উইক হইছে ডলার ওখানে স্ট্রং হইছে এই কারণে দুইদিকে আপনার লস। একই সাথে যে জিনিসের দাম আগে 5 টাকা হইলেও চলতো ওই জিনিসের দাম এখন আপনার 9 টাকা করতে হবে কারণ 5 টাকা করলে এখন আর প্রফিটেবিলিটি থাকে না। প্রত্যেকটা ইকোনমিক নাম্বার আপনার এগেইনস্টে যাচ্ছে যেই কারণে এটা লং টার্মে সাসটেইনেবল না। সেকেন্ড জিনিস যেটা মানুষ অত এটা নিয়ে কথা বলে না বাট কথা বলা উচিত আমি জানিনা কেন ই-কমার্স কোম্পানিরা বলে না। আমি রিসেন্টলি এই যে আবার এফ-কমার্স বিজনেস চালাইতে যাইয়া আবার রিয়ালাইজ করলাম ব্যাপারটা সেটা হলো ক্যাশ অন ডেলিভারি ইজ এ স্টুপিড থিং। এই জিনিস বাংলাদেশে জনপ্রিয় হইছে কারণ আমরা অসৎ। আমি একটা Facebook পেইজ থেকে একটা জিনিস কিনবো আমি ওরে আগে টাকা দিতে চাই না কারণ ও না পাঠাইলে আমি কি করবো? ও যদি ভুল জিনিস পাঠায় তাহলে আমি কি করবো? এই কারণে আমার কাছে আসবে আমি ওটা খুলবো আমি ওটার দিকে তাকাবো দেখবো তারপরে যাইয়া আমি ওই ডেলিভারি ম্যানকে টাকা দিবো। এটা একটা ব্রোকেন সিস্টেম জোড়াতালি দেওয়া সিস্টেম এইভাবে ওয়েস্টে ব্যবসা হয় না। আপনি নর্থ আমেরিকার দিকে তাকান আপনি ইউরোপের দিকে তাকান বেশিরভাগ অ্যাডভান্সড মার্কেটে এভাবে ব্যবসা হয় না। প্রপার বিজনেসেস থাকে ওই প্রপার বিজনেস যেন কাস্টমারকে ধোঁকা না দেয় ওই কারণে প্রপার অথরিটি থাকে যে কেউ একটা Facebook পেইজ খুলে ব্যবসা শুরু করতে পারে না তার রেজিস্ট্রেশন নিতে হয় নিতে হয় পেমেন্ট গেটওয়ে নিতে হয়। বাংলাদেশে যেহেতু ওই জিনিসটা জিনিস লাগে না এই কারণে হুই ফর Facebook পেইজও অনেক হইছে সাফার করতেছে পুরো ইকোসিস্টেমটা। 20% এর মতো রিটার্ন আসে কাস্টমার ফোন ধরে না যদি কাস্টমার ফোন ধরে এবং ডেলিভারিও ঠিকমতো যায় 1% ক্যাশ অন ডেলিভারি বা 2% ক্যাশ অন ডেলিভারি ফি চার্জ করে কুরিয়ার কোম্পানিগুলা ই-কমার্স বিজনেসের মালিকগুলার কাছ থেকে।

[4:54]টিনের এক্সট্রা বার্ডেন সৃষ্টি করে ওভারঅল আপনি বলতে পারেন পুরা সিচুয়েশনটা খুব মানে অস্বস্তিকর সিচুয়েশন বাট কিছু করার নাই কারণ আনএথিক্যাল হিস্টরির কারণে কোন Facebook পেইজকেও কোন ক্রেতা ট্রাস্ট করে না। একই সাথে ওই Facebook পেইজের মালিক ওই ক্রেতাকে ট্রাস্ট করে না। এবং এই জিনিসটা যেহেতু ডিলেইড হয় সো আপনি 100 অর্ডার পাঠাইলেন দুই সপ্তাহ আপনার লেগে যাবে বোঝার জন্য যে 20টা অর্ডার ফেরত আসছে এটা যখন আপনি লার্জ নাম্বারে করেন তখন আপনার কত টাকা যে আটকে যাবে এটা আপনি টের পাবেন না। আচ্ছা থার্ড বেশিরভাগ Facebook পেইজ মালিকেরা যত্ন করে আসলে তাদের প্রাইসিং সেট করে না। তাদের প্রাইসিং সেটের ফর্মুলাটা আমি আপনাদের বলি বেশিরভাগ মানুষ এটাই করে ইম্পোর্ট করছি 5 ডলারে 5 ডলারকে 130 দিয়ে গুণ দিলাম এত টাকা হলো এটার সাথে Facebook অ্যাড চালাইতে হবে Facebook অ্যাডের জন্য একেকটা প্রোডাক্ট বেচতে আমার 3 ডলার লাগবে 3 ডলারকে 125 দিয়ে গুণ দিলাম 100 বিডিটি বানানোর জন্য যত হইলে এটার সাথে এখন 200 টাকা লাগাবো এটা হলো আমার ব্যবসা। এই মডেল তো আসলে কোন মডেল হইলো না তাই না এটা তো ন্যাঁপকিন ম্য্যাথ হয়ে গেল এবং ন্যাঁপকিন ম্য্যাথ বেশিরভাগ সময় লং টার্মে কাজ করে না। স্ট্যাটিস্টিক্স বলতেছে যে বেশিরভাগ এফ-কমার্স বিজনেস লং টার্মে যদি আমরা তাকে এটার উপরে দূরে থেকে ম্যাক্রো ভিউতে 5 থেকে 7 বছরের স্প্যানে ওরা একচুয়ালি 5% এর কম নেট প্রফিট করে। বেশিরভাগ এটা শকিং স্ট্যাট বেশিরভাগ যে প্রফিট করে না এটা ওরা নিজেরা টেরো পায় না কারণ ওরা নিজেদের টাইম ইনপুট কাস্টমার কেয়ার এই টাইপ জিনিসপত্র ইনক্লুডই করে না হিসাবে। ফোর্থ রিজন এফ-কমার্স ইজ আ বাংলাদেশে যেভাবে হয় ইজ আ রেস টু দা বটম। রেস টু দা বটম মানে হলো বাংলাদেশে ট্রেডিশনাল ই-কমার্স এটা আমি 2026 চ্যালেঞ্জ চালাইতে যাই আরো বুঝছি যে মানুষের মেন্টালিটি নষ্ট করে দেওয়া হইছে। এটা কোন গুরুরা করছে কোন ই-কমার্স এক্সপার্টরা করছে এটা আমি জানিনা। বাংলাদেশের মানুষ এই এফ-কমার্স বিজনেস বলতে বুঝায় আমি ইম্পোর্ট করবো বানাবো না কিন্তু সে কিছু বানাইতে চায় না সে লেজি বা তার মাথায় সে চিন্তা করবে বা রিসার্চ করবে অত এফোর্ট সে দিতে চায় না। সে উইনিং প্রোডাক্ট ইম্পোর্ট করবে উইনিং প্রোডাক্ট মানে হলো এমন একটা প্রোডাক্ট যেটা আপনি যত টাকা কিনতে পারতেছেন তার থেকে বেশি টাকায় আপনি ইজিলি বেচতে পারবেন। সে ওটা চায়না থেকে ইম্পোর্ট করে বেশিরভাগ সময় কখনো কখনো থাইল্যান্ড কখনো কখনো মালয়েশিয়া ডিপেন্ড করে বাট মেজরিটি চায়না থেকে করে এবং তারপর ওটার উপরে সে নিজের যে নিজের বাফার প্রাইসটা প্রফিট-প্রফিট অ্যাড করে তারপর সে বেচার চেষ্টা করে। সমস্যা হলো এই মডেলে আমি যদি ধরেন কথার কথা আমি আজকে ঠিক করলাম যে আমি মোবাইলের কাভার বেচবো। 100 টাকা ইম্পোর্ট করছি 30 টাকা যুক্ত করে 130 টাকায় বেচতেছি। যখনই আমি এটা স্কেলে যাব স্কেলে যাওয়া মানে হলো যখন অনেক মানুষ দেখবে অনেক মানুষ কিনবে দিনে মাসে আমি ধরেন 50,000 বা 1 লাখ মোবাইলের কাভার বেচবো তখন ন্যাচারালি মার্কেটপ্লেসে কম্পিটিশন সৃষ্টি হয় এটা সব মার্কেটে হয় এটা এভয়েড করা সম্ভব না। এইখানে এই সিচুয়েশনটায় যখন কম্পিটেটররা আসবে কম্পিটেটরদের জন্য এটা কপি করাটা কোন ব্যাপার না সেও ইম্পোর্ট করবে। তারও যেহেতু কোন মোট নাই আমারও যেহেতু কোন মোট নাই মানে অ্যাডভান্টেজ নাই কোন আমাদের দুইজনের মধ্যে কম্পিটিশনটা হবে কাস্টমার কেয়ার নিয়ে এবং প্রাইস নিয়ে। এই দুইটার মধ্যে সবচেয়ে ইজি হলো প্রাইস। আমি আগে 130 টাকায় বেচতাম এখন আমি 120 টাকায় বেচবো। আমি 120 টাকায় বেচে দেখে ও এখন 110 টাকায় বেচবে এবং রেস টু দা বটম বলতে এটাই বোঝা যায় যে ইভেনচুয়ালি যে আমাদের মধ্যে একজন টিকবে বাট যে টিকবে সে আসলে এক দুই টাকার বেশি প্রফিট করবে না 5-10 টাকার বেশি প্রফিট করবে না এই কারণে তার একচুয়ালি ব্র্যান্ড দাঁড়াবে না। ব্র্যান্ড না দাঁড়ানোর আরেকটা কারণ হলো আমি আরো সেইম জিনিস বেচতেছি। দুইজন মানুষ যদি সেইম জিনিস Apple এবং Nike দুইজনেই যদি সেইম মোবাইলই বেচতো তাহলে তো কারো ব্র্যান্ডই দাঁড়াইতো না। একটা ব্র্যান্ড তখনই দাঁড়ায় সে যখন নিজের একটা জিনিস বেচে নিজে বানাইছে অথবা কোন একটা কিছু কিনে নিজের মতো করে সে ইম্প্রুভ করছে তারপরে সে যখন বেচে তখন ওটা একটা ব্র্যান্ড হয়। থার্ড পার্টি বেচতে বেচতে ওগুলাকে বড় ব্র্যান্ড বলে না আপনি আজকে চিন্তা করেন তো সবচেয়ে আপনার সবচেয়ে পছন্দের ব্র্যান্ড কি উত্তর দেন আপনি। আপনি যে উত্তরটা দিছেন আমি শিওর ওরা নিজে কিছু না কিছু বানায় এমন না যে আপনি বলছেন যে হুম অমুক কোম্পানি আমার ওটা কি করে ওরা চাইনিজ বিভিন্ন প্রোডাক্ট ইম্পোর্ট করে আবার আমাকে বেচে ওগুলা ব্র্যান্ড না। এবং একই সাথে এটার লেজ ধরে আমি আরেকটা ব্যাপার আপনাদের বলি সেটা হলো এই যে ট্রেন্ড সেটিং ইনভেন্টরি বেসড বিজনেস যেটা যে হ্যাঁ আমি কি ব্যবসা করবো আজকের দিনে এইটা খুব চলতেছে আরে ফোন কেস ইম্পোর্ট করে বেচ। আরে আজকের দিনে এই গিফটের এই আইটেম ইম্পোর্ট করে বেচ এটা আমি অবাক হয়ে যাই যখন আমি 2026 চ্যালেঞ্জের পার্টিসিপেন্টদের সাথে কথা বলি যে আমি ওরে বলে যে ভাইয়া আপনি কি ব্যবসার আইডিয়া ভাবছেন? উনি বলে আমি কিচেন আইটেম বেচবো আমি বলি যে এই কথাটার মানে কি? উনি বলে যে আমি পেঁয়াজ কাটার মেশিন ইম্পোর্ট করে বেচবো। আমি তখন উনাকে বলি ভাই এই কথাটারই বা মানে কি আপনি কেন পেঁয়াজ কাটার জিনিস ইম্পোর্ট করে বেচবেন আপনি পেঁয়াজ কাটতে যেয়ে সমস্যা হয়? বলে যে না আমি কোনদিন রান্নাঘরে যাই নাই। তখন হচ্ছে তাহলে আপনি জীবনে কখনো রান্নাঘরে যান নাই পেঁয়াজ কাটার স্ট্রাগল আপনি জানেন না হঠাৎ করে আপনার পেঁয়াজ কাটার আপনি কি বাণিজ্য মেলায় বেশি যান? বলে যে না এটা উইনিং প্রোডাক্ট। এই যখন মেন্টালিটি তখন ওরে আপনি কি ব্যবসা শিখাবেন ও কি কিছু যে বানাইতে হবে একটা ব্র্যান্ড দাঁড় করানোর জন্য যে একটা এফোর্ট দিয়ে কিছু একটা চিন্তা করে বার করতে হয় ওই থটের অ্যাঙ্গেলটাই উনার মাথার মধ্যে নাই। ওই থটের অ্যাঙ্গেলটা যখন উনার মাথার মধ্যে নেই তখন স্ট্রাগলটা অনেক বেশি কঠিন। সো হ্যাঁ এই কারণে আই থিংক বাংলাদেশের বেশিরভাগ এফ-কমার্স আইদার ডেড ওর ডাইং এবং যারা ডাইং না এবং ডেড না তাদের খুব কেয়ারফুল থাকা উচিত যেন তারা ডাইং বেডেড হয়ে না যান কারণ মার্কেটটা আমার খুব একটা স্টেবল মার্কেট এবং অর্গানাইজড মার্কেটগুলো মনে হয় না। এটা আমি জাস্ট আমার এক্সপেরিয়েন্স থেকে বলতেছি এই জাস্ট চ্যালেঞ্জের জন্য অনেক দিন পর একটা নিজে এফ-কমার্স চালাচ্ছি ওটা করতে যেয়ে বাকিটা আপনারা বুঝবেন। এই ভিডিওর মানে কিন্তু এইটা না যে আমি ইম্পোর্ট করা হেইট করি ইভেন আমি আমাদের চ্যালেঞ্জের ভিতরেও বিভিন্ন জিনিস ইম্পোর্ট করে ওই পুরা প্রসেস দেখাবো এবং আমি নিজেও অনেক কিছু ইম্পোর্ট করবো বাট ইম্পোর্ট করা বিজনেস মানে ইম্পোর্ট ইজ নট বিজনেস ইম্পোর্ট ইজ এ পার্ট অফ বিজনেস।

[9:56]আপনি কিছু জিনিস ইম্পোর্ট করবেন ওটার উপরে আপনি নিজে কিছু জিনিস বসাবেন তারপর একটা জিনিস হবে ওই জিনিস আপনি বেচবেন যদি আপনি ইম্পোর্ট বেসড জিনিস করতে চান। ডান হাত দিয়ে কিনছি বাম হাত দিয়ে বেচছি বা বাম হাত দিয়ে কিনছি ডান হাত দিয়ে বেচছি ওটা যদি হয় আপনার বিজনেস ওইটা কোন ব্র্যান্ড না ওটা কোন লং টার্ম বিজনেস না ওই জিনিস টিকবে না। এটা আপনি যত তাড়াতাড়ি রিয়ালাইজ করেন তত তাড়াতাড়ি আপনার মঙ্গল কারণ তাহলে আপনি তাড়াতাড়ি আরো বেটার কিছুতে যাইতে পারবেন। অ্যান এভারেজ একজন আটটা বিজনেস থেকে 10টা বিজনেস এটেম্পট করার পরে তার একটা ভালো বিজনেস দাঁড়ায় আপনি যদি একটা বিজনেসের পিছনে যেটা আসলে ফেইল করবে ওটার পিছনেই তিন-চার বছর দিয়ে দেন আপনার জীবনে টাইম ওয়েস্ট হয়ে গেল তাই না? সো আমরা চাইনা আপনার টাইম ওয়েস্ট হোক নিজেও চাইনা আপনার টাইম ওয়েস্ট হোক। ভালো থাকেন সবার সাথে আমার দেখা হবে পরের কোন একটা ভিডিওতে টাটা।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript