[0:00]Most importantly, আমার গায়ের রং আমার পছন্দ না।
[0:06]হ্যালো কেমন আছেন সবাই? আজকের ভিডিওটা শুরু করব ওয়ার্ল্ডের খুব ফেমাস একজন স্ট্যাটিস্টিসিয়ান ওনার নাম হচ্ছে নাসিম তালেব ওনার একটা গল্প নিয়ে। উনি একবার ডিসাইড করলেন, উনি একটু ওজন কমিয়ে উনার বডিটা একটা শেপে আনবেন। তো উনি উনার বডিটা কি টাইপের শেপে আনবেন এটা নিয়ে যখন চিন্তাভাবনা করছিলেন তখন ওনার কাছে মনে হইছে সুইমার্সদের বডির শেপ আসলে সব থেকে এট্রাক্টিভ, খুবই ওয়েল বিল্ট এবং স্ট্রিমলাইন বডি। সো ওনার কাছে মনে হইছে ওকে আমি আমার বডিটাকে আসলে সুইমার্সদের একটা শেপ দিব। সো উনি সুইমার্সদের মত বডি পাওয়ার জন্য উনার বাসার পাশের একটা সুইমিং পুলে রেগুলার সুইমিং করা স্টার্ট করলেন। বাট অনেকদিন ধরে রেগুলার সুইমিং করার পরেও তার বডি কোনভাবেই সুইমার্সদের মতো হচ্ছিল না। কেন হচ্ছিল না? কারণ উনি আসলে একটা ভুল ধারণার মধ্যে ছিলেন। রেগুলার সুইমিং করলেই আসলে সুইমার্সদের মত বডি পাওয়া যায় না। বরং যাদের একটা নির্দিষ্ট টাইপের বডি আছে তারাই শুধুমাত্র সুইমিং এ ভালো করে। ব্যাপারটা অনেকটা এরকম, আমরা অনেক সময় বলি, এই ছেলে খুব নামকরা একটা ইউনিভার্সিটিতে পড়ছে সুতরাং সে অনেক ব্রিলিয়ান্ট। ব্যাপারটা কিন্তু আসলে উল্টা, সে অনেক নামকরা একটা ইউনিভার্সিটিতে পড়ছে বলে কিন্তু সে অনেক ব্রিলিয়ান্ট না। সে অনেক ব্রিলিয়ান্ট বলে সে আসলে একটা নামকরা ইউনিভার্সিটিতে চান্স পাইছে। আমরা আমাদের বাস্তব জীবনে অনেক সময় এরকম অনেক ভুল ভাবে চিন্তা করে থাকি যখন আমরা কারণটাকে আসলে রেজাল্ট হিসেবে মনে করি। যখন আমরা কারণটাকে রেজাল্ট হিসেবে মনে করি তখনই এটাকে বলা হয় সুইমার্স বডি ইলিউশন। সো লাস্ট একটা এক্সাম্পল দিয়ে যদি ব্যাপারটা ক্লিয়ার করি, আমরা যখন কোন একটা ফেয়ারনেস ক্রিমের অ্যাডভারটাইজমেন্টে খুব এট্রাক্টিভ একটা মডেলকে দেখি, ব্যাপারটা কিন্তু এইটা না, ও ওই ফেয়ারনেস ক্রিমটা ইউজ করছে বলে অনেক এট্রাক্টিভ হয়েছে, বরং ব্যাপারটা উল্টা, ও অনেক এট্রাক্টিভ বলে আসলে কিন্তু ওকেই ফেয়ারনেস ক্রিমের মডেল হিসেবে সিলেক্ট করা হয়েছে। সো নেক্সট টাইম যখন আপনার সামনে কোন একটা অ্যাডভারটাইজমেন্ট আসবে যে এই জিনিসটা ব্যবহার করলে আপনি অনেক এট্রাক্টিভ হয়ে যাবেন বা এই গাড়িটা কিনলে আপনি অনেক হ্যাপি হয়ে যাবেন তখন খুব ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করবেন আসলেই কি এই জিনিসটা আমার জন্য অনেক হেল্পফুল হবে নাকি আসলে আমি সুইমার্স বডি ইলিউশনে ভুগতেছি? বিশেষ করে অ্যাডভারটাইজমেন্টের ব্যাপারে আমাদেরকে অনেক সতর্ক থাকতে হবে কারণ একটা গবেষণায় দেখা গেছে আমরা যত বেশি অ্যাডভারটাইজমেন্ট দেখি তত বেশি আমাদের ভিতরে নেগেটিভ ইমোশনস এবং ডিসাটিসফ্যাকশন গ্রো করতে থাকে। 1980 থেকে 2011 পর্যন্ত এই 31 বছর ইউরোপের 27 টা দেশের প্রায় 1 মিলিয়ন লোকের উপরে একটা গবেষণায় দেখা গেছে যেই বছরগুলোতে এই দেশে অ্যাডভারটাইজমেন্টের পরিমাণ যত বেড়েছে পরবর্তী সময়তে এই দেশের মানুষগুলোর লাইফ স্যাটিসফ্যাকশন তত কমেছে। কেন? কারণ আমরা যত বেশি অ্যাডভারটাইজমেন্ট দেখি সাবকনশাসলি আমরা নিজেদেরকে অন্য মানুষের সাথে কম্পেয়ার করতে থাকি। আমরা মনে মনে চিন্তা করতে থাকি আমার গাড়ির সাইজটা আমার প্রতিবেশীর গাড়ির থেকে ছোট, আমার আইফোনের একটা নতুন মডেল নাই, আমার ঘড়িতে ওয়েদার ফোরকাস্ট দেখা যায় না এবং মোস্ট ইম্পর্টেন্টলি আমার গায়ের রং আমার পছন্দ না। অ্যাডভারটাইজমেন্টের কাজই হচ্ছে আপনাকে ফিল করানো যে কোন একটা জিনিস আসলে আপনার নাই বা আপনি গুড এনাফ না সুতরাং আপনি ফিল করেন যে ওকে এই জিনিসটা কিনলে আমি হয়তো অনেক সুন্দর হইতে পারবো বা আমি অনেক হ্যাপি হইতে পারবো এবং ফাইনালি গিয়ে আপনি ওই জিনিসটা কিনবেন। এতক্ষণ তো বললাম আনহ্যাপি মানুষজনের কথা কিন্তু যে সকল মানুষ আসলে ন্যাচারালি হ্যাপি তাদের কিন্তু আসলে হ্যাপিনেসের জন্য বাইরের জিনিসপত্রের খুব একটা বেশি প্রয়োজন হয় না অর্থাৎ তারা অ্যাডভারটাইজমেন্ট দেখে অযথা যেসব জিনিসের দরকার নাই সেই সকল জিনিসপত্র কিনে না। সো ইকোনমিতে যদি এই ধরনের হ্যাপি মানুষের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে যায় এবং তারা যদি বেশি বেশি জিনিস কেনা বন্ধ করে দেয় তাহলে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য কিভাবে চলবে? আমাদের ইকোনমি আসলে কিভাবে গ্রো করবে? তাহলে সুখী মানুষ কি আসলেই দেশের অর্থনীতির জন্য খারাপ? আপনার কি মনে হয়? কমেন্ট করে আমাদেরকে জানাবেন। থ্যাঙ্ক ইউ সো মাচ ফর ওয়াচিং। ইফ ইউ লাইক দিস ভিডিও প্লিজ সাবস্ক্রাইব টু মাই ইউটিউব চ্যানেল ফলো মি অন ফেসবুক এন্ড শেয়ার দিস ভিডিও উইথ ইউর ফ্রেন্ডস। চিয়ার্স।
[3:23]সো অ্যাড্রেসের
[3:27]সো অ্যাড্রেসমে



