[0:00]2012 থেকে 2018 এই ছয় বছরে আমি খুব মনোযোগ দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করেছি এবং এই কারণে বাংলাদেশে আমাকে ওই সময় ওয়ান অফ দ্যা টপ ফ্রিল্যান্সার্স বলা হইতো। আপনারা যদি আমার আপওয়ার্ক প্রোফাইলে আসেন যদি আপনারা দেখতেছেন এভেলেবিলিটি ব্যাজ অফ করা, বুস্ট ইউর প্রোফাইল অফ করা আমি এখন আর ফ্রিল্যান্সিং করিনা। 2018 থেকেই করিনা। বাট আমার প্রোফাইলের ভিতরে গেলে এখনো আয়ের ডেটাগুলো দেখা যায়। আপনারা দেখতে পাচ্ছেন ওই ছয় বছরে আমি আপওয়ার্ক থেকে আয় করেছিলাম 80 হাজার ডলার। আমি 90টা চাকরিতে কাজ করেছিলাম এবং আমি টোটাল 2565 ঘণ্টা কাজ করেছিলাম। আপনারা যারা মার্কেটপ্লেসের সাথে মোটামুটি ধারণা আছে তারা জানেন যে সাধারণত কোন ক্লায়েন্ট বা বেশিরভাগ ক্লায়েন্ট মার্কেটপ্লেসে কাজ শুরু করলেও বাইরে চলে আসে। ইভেনচুয়ালি এক দুই তিন মাস পরে তারা বাইরে টাকা দেওয়া শুরু করে। সো সব যদি আমি যোগ দেওয়ার চেষ্টা করি এক্সাক্ট নাম্বার না এপ্রক্সিমেট নাম্বার ওই ছয় বছরে আমার হয়তো আয় হয়েছিল 1 লাখ 20 হাজার বা 1 লাখ 30 হাজার এরকম সংখ্যক একটা ডলার অ্যামাউন্ট। আজকের এই ভিডিওতে আমি আপনাদের একটা কমপ্লিট নোবুল শট গাইডলাইন দেওয়ার চেষ্টা করব। যেই গাইডলাইনটা যদি আপনি ফলো করেন তাহলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করে অবশ্যই আয় রোজগার করতে পারবেন। আমি কোন মোবাইল দিয়ে করা যায় নাকি হ্যান ত্যান ঢং কোন ঢং এর কথাবার্তা হবে না এই ভিডিওতে। একদম স্টেপ বাই স্টেপ গাইডলাইন আমরা দিব। যেই গাইডলাইন ফলো করলে যে কারো পারা উচিত এবং এই গাইডলাইন ফলো করে যদি আপনি না পারেন তাহলে আপনি ধরে নিবেন যে হয়তো ফ্রিল্যান্সিং আপনার জন্য না। অন্য কোন কিছু হয়তো আপনাকে আরও আরও ভালো আউটপুট দিবে বাট এই জিনিস এই ইন্ডাস্ট্রি হয়তো দিবে না। চলেন শুরু করা যাক। আপনি একসময় ফ্রিল্যান্সিং করে অনেক টাকা আয় করবেন। যদি আপনি মার্কেটপ্লেসের বাইরে করেন তাহলে আপনার ওই টাকাটা আনার একটা সহজ উপায় লাগবে। এবং বিদেশ থেকে দেশে টাকা পাঠানোর একটা সহজ উপায়ের নাম হলো ট্যাপট্যাপসেন্ড। ট্যাপট্যাপসেন্ড মূলত নন রেসিডেন্সিয়াল বাংলাদেশিদের দেশে টাকা পাঠানোর একটা অ্যাপ। বাট বিদেশের যে কেউ যদি আপনাকে বাংলাদেশে টাকা পাঠাতে চায় সে অ্যাপটা ব্যবহার করতে পারে। এই অ্যাপের এন্ড্রয়েড এবং আইওএস দুইটা ভার্সনই আছে। মেইন যে সুবিধাগুলো সেগুলো হলো জিরো ফীস অন ট্রান্সফার। যে আপনাকে টাকা পাঠাবে তার ওই টাকাটা পাঠানোর জন্য এক্সট্রা কোন টাকা খরচ হবে না। সেকেন্ড, খুবই ভালো এক্সচেঞ্জ রেট। আপনারা আজকের এক্সচেঞ্জ রেটটা দেখতে পারবেন স্ক্রিনে। সবসময়ই ট্যাপট্যাপসেন্ডে বেশ ভালো এক্সচেঞ্জ রেট পাওয়া যায় যখন বিদেশের কারেন্সিতে দেশে টাকা পাঠানো হয়। বিকাশ, নগদ, যেকোনো ব্যাংকের একাউন্ট, পিন কোড ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যাংকের থেকে। মূলত আপনি যেইখানেই টাকা রিসিভ করতে চান, ট্যাপট্যাপসেন্ড দিয়ে আপনাকে সেইখানেই টাকা পাঠায়ে দেওয়া সম্ভব। ফোর্থ বেনিফিট খুবই তাড়াতাড়ি টাকা যায়। ট্রান্সফার স্পিড খুবই ভালো। এমন না যে টাকা পাঠায় আপনার অনেকদিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে যে টাকাটা কবে পৌঁছাবে বেশিরভাগ সময় সেইম দিনেই পৌঁছায়ে যায়। ইউকে, ইউএসএ, ইউরোপ, ইউএই এবং কানাডা এই পাঁচ জায়গায় মূলত ট্যাপট্যাপসেন্ড এই মুহূর্তে এভেলেবল। সো আপনার ক্লায়েন্ট যদি এই পাঁচ জায়গায় থেকে থাকে বা যেই কেউ এই পাঁচ জায়গা থেকে থাকে যে বাংলাদেশে টাকা পাঠাতে চায় সে ডেসক্রিপশনের লিংকটা ব্যবহার করে ট্যাপট্যাপসেন্ড ডাউনলোড করে টাকা পাঠায়ে দিতে পারবে। আপনি যদি টাকা পাঠানোর সময় কেএফ কুপনটা ব্যবহার করেন তাহলে যখন আপনি ফার্স্ট টাকা পাঠাবেন তখন আপনি যত টাকা পাঠাবেন তার সাথে 10 ডলার বা 10 ক্রেডিট সমপরিমাণ টাকা এক্সট্রা যুক্ত হয়ে যাবে। ফর এক্সাম্পল আপনি যদি 100 ডলার পাঠান তাহলে যাকে পাঠাচ্ছেন সে 110 ডলার পাবে। আপনি যদি কাউকে 100 ক্যানাডিয়ান ডলার পাঠান সে 110 ক্যানাডিয়ান ডলার পাবে। কিন্তু আপনি যদি কাউকে 100 দিরহাম পাঠান তাহলে সে 150 দিরহাম পাবে। শুধুমাত্র দিরহামের ক্ষেত্রেই এই স্পেশাল কনসিডারেশনটা। সব বিস্তারিত ডেসক্রিপশনে দেওয়া থাকবে সব বিস্তারিত ফার্স্ট কমেন্টে দেওয়া থাকবে আপনারা দেখতে পারেন চলেন ভিডিওতে ফেরত যাওয়া যাক। আপনারা সবাই জানেন বাট তারপরে আমি ক্লারিফিকেশনের জন্য বলে রাখতেছি ফ্রিল্যান্সিং ব্যাপারটার মানে কিন্তু কোন স্কিল না। ফ্রিল্যান্সিং শেখার কোন জিনিস না ফ্রিল্যান্সিং ইজ আ টাইপ অফ ওয়ার্ক। আমি একটা সহজ উদাহরণ দেই তাহলে আপনাদের বুঝতে সুবিধা হবে। মনে করেন আমি আপনাদের বললাম করিম নাইট শিফটে কাজ করে। এখন আপনি এটা থেকে কি বুঝলেন? এটা থেকে আপনি এই জিনিসটাই বুঝলেন যে করিম নামে একটা লোক আছে যেই লোকটা নাইট শিফটে কাজ করে মানে হল রাতের একটা চাকরি করে। আপনি কিন্তু জানেন না করিম কি চাকরি করে এই ইনফরমেশনটুক থেকে। আপনি এটাও বুঝবেন না যে করিম কি টাইপ চাকরি করে কোন কোম্পানির জন্য চাকরি করে কত বেতন বা কিছুই আপনি বুঝলেন না। আপনি শুধু এইটুক বুঝছেন যে করিম রাতের বেলা চাকরি করে। করিম এমন একটা জায়গায় চাকরি করে যেখানে রাতের বেলা চাকরি করতে হয়। আমি যদি নাইট শিফট কথাটা বলছি এই কথাটার থেকে এইটুকুই বুঝা যায়। এখন দেখেন বিষয়টা। আপনি যদি তো জানেন না করিম কি কাজ করে বা কোন কোম্পানির জন্য কাজ করে। হাউয়েভার শুধুমাত্র নাইট শিফটে কাজ করে এই ইনফরমেশনটুকু থেকে কিন্তু আপনি অনেক কিছু আসলে বুঝেন। আপনি এটা বুঝতেছেন যে করিম যেহেতু নাইট শিফটে কাজ করে তার মানে এমন কোন চাকরি তার মানে করে না যেটা নাইন টু ফাইভ। সকাল 9 টায় শুরু হয় বিকাল 5 টায় শেষ হয় এমন কোন কিছুও করে না। তার মানে করিম মনে হয় সরকারি চাকরি করে না। করিম মনে হয় কর্পোরেট চাকরি করে না। বা বেসিক যে করিম ডাক্তার হইতে পারে কারণ ডাক্তারদের নাইট শিফটে কাজ করতে হয়। বাট আমরা মোটামুটি কিছু চাকরি আছে যেগুলা আমরা 100% বাদ দিয়ে দিতে পারি যে এগুলো করিম করে না। সো এই যে যে নাইট শিফট কথাটা এই যে যে ডে শিফট কথাটা এগুলো হইলো টাইপ অফ ওয়ার্কের প্রতিনিধি। এগুলো শুনলে বুঝা যায় যে কি টাইপ ওয়ার্ক করে কাজকর্মের স্টাইলটা কিরকম! একই ভাবে ফ্রিল্যান্সিং কথাটার মানে হলো একটা টাইপ অফ ওয়ার্ক। যেই টাইপটা সাধারণত একজন বাসায় বসে রিমোটলি ডিজিটালি একটা ক্লায়েন্টের কাজ নিয়ে নিজের বাসায় ওই কাজটা করে আবার ডিজিটালি ক্লায়েন্টকে জমা দেয়। এই যে যেই প্রসেসটা এই প্রসেসটাকে বলা হয় ফ্রিল্যান্সিং। তো আমি যদি আপনাকে হঠাৎ করে বলি যে চলেন আপনাকে ডে শিফটের কাজ শিখাই বা চলেন আপনাকে নাইট শিফটের কাজ শিখাই। এ কথার কোন মানে নাই কারণ ডে শিফটের কাজ পুলিশের চাকরিও হইতে পারে ডে শিফটের কাজ সরকারি চাকরিও হইতে পারে ডে শিফটের কাজ টিভির অ্যাংকরও হইতে পারে সাইন্টিস্টও হইতে পারে যেকোন কিছু হইতে পারে ওগুলা সবই ডে শিফটের কাজ। তো আমি আপনাকে ডে শিফটের কাজ শিখাই এ কথা বললে আপনি যেরকম আমাকে পাগল ভাববেন একই ভাবে কেউ যদি আপনাকে বলে আসেন আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং শিখাই। তাহলে আপনার তাকে একই রকম পাগল ভাবতে হবে কারণ ফ্রিল্যান্সিং ইজ আ টাইপ অফ ওয়ার্ক। এটা একটা মডেল ওয়ার্কের এটা কোন স্কিলের মধ্যে পড়ে না এটা জাস্ট কাজের ধরণটা ফ্রিল্যান্সিং। যেরকম কাজের ধরণটা ডে শিফট কাজের ধরণটা নাইট শিফট কাজের ধরণটা নাইন টু ফাইভ একই ভাবে কাজের ধরণটা ফ্রিল্যান্সিং। এই জিনিস আমি এত ভেঙ্গে বুঝাচ্ছি ভেঙ্গে বুঝাইতে আমার নিজেরও একটু বিরক্ত লাগতেছে কারণ এই সেইম জিনিস আমরা ভেঙ্গে গত পাঁচ ছয় সাত বছর ধরে বুঝে আসতেছি। বাট তারপরও অনেক মানুষ এই জিনিসটা ভুল বুঝে এবং আপনারা অবাক হবেন জানলে যে শুধু যে সাধারণ মানুষ ভুল বুঝে তা না সরকারি ভাবেও ভুল বুঝে। সরকারি ভাবেও বলা হয় যে ফ্রিল্যান্সিং এর প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বা এই যে লার্নিং এন্ড আর্নিং করে ফ্রিল্যান্সার বানাবো আমরা এ ধরনের কথাবার্তা সরকার থেকেই বলা হয় একদম উচ্চপদস্থ লেভেল অফিশিয়ালি বলা হয় প্রফেশনালি বলা হয়। যেই কারণে এই জিনিসটা আমাদেরও আর কি বারবার বলা লাগে যে এই জিনিসটা আসলে এরকম না এটা জাস্ট একটা টাইপ অফ ওয়ার্ক। যাহোক এক নাম্বার স্টেপ যেটা আপনার অবশ্যই অবশ্যই ফার্স্ট স্টেপ হবে এবং এই স্টেপ দিয়ে আপনি আপনার জীবন শুরু করবেন সেটা হলো একটা স্কিল সিলেক্ট করা যেই স্কিলের উপরে আপনি আসলে কাজ করবেন। আপনি আসলে ফ্রিল্যান্সিং করবেন বাট ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে তো একটা প্রপার স্কিল লাগে। এখানে একটা বিষয় বোঝা জরুরি এমন কিছু যা একটা পাঁচ বছরের বাচ্চাকে আমি একদিনে দুইদিনে বুঝায়ে ফেলতে পারি ওইটা আসলে স্কিল না। ওটা জাস্ট একটা নরমাল জিনিস। যেমন ধরেন আমি আপনাকে বললাম যে তুমি দেখো তো লাটিম ঘুরাইতে পারো নাকি। আপনি পারলেন বা আপনি পারলেন না তারপরে আমি বললাম যে আসো তোমাকে শিখাই কিভাবে লাটিম ঘুরাইতে হয়। আমি আপনার সাথে এক ঘণ্টা বসলাম বা দুই ঘণ্টা বসলাম তারপর আমি শিখাই ফেললাম আপনি লাটিম কিভাবে ঘুরাইতে পারেন এটা কি একটা স্কিল। টেকনিক্যালি কিতাবি ভাষায় ডিকশনারির ভাষায় ওইটা একটা স্কিল। হাউয়েভার অ্যাকচুয়াল জগতে ওটা কোন স্কিল না। একই ভাবে আমি মাইক্রোসফট ওয়ার্ড পারি আমি মাইক্রোসফট পেন্ট পারি আমি এক্সেলের বেসিক জিনিসপত্র পারি আমি ইমেইল লিখতে পারি আমি টাইপিং করতে পারি এগুলা কোন স্কিল না। এগুলা লাটিম ঘুরানোর মত বিষয় যে কোন একটা পাঁচ বছর বা 10 বছরের বাচ্চাকে যদি আমি নিয়ে আসি এবং ওর সাথে আমি যদি এক ঘণ্টা বসে থাকি এক ঘণ্টা বসে থাকা লাগবে না 10 মিনিটের মধ্যে আমাকে শিখায়ে ফেলতে পারব। তো কোন কিছু যদি একটা পাঁচ 10 বছরের বাচ্চাকে এক ঘণ্টায় শিখায়ে ফেলা যায় ওইটা অ্যাকচুয়ালি স্কিল না। সো আপনি যদি এরকম হন যে আপনি বলতেছেন আমি টাইপিং পারি আমি কি ফ্রিল্যান্সিং করে অনলাইন আয় করতে পারব? এটার সোজা বাংলার মানেটা হলো আপনার আসলে কোন স্কিল নাই কারণ টাইপিং পারাটা কোন স্কিলের মধ্যে পড়ে না মাইক্রোসফট ওয়ার্ড পারাটা কোন স্কিলের মধ্যে পড়ে না। স্কিল বলতে আমরা বুঝি এমন একটা জিনিস যেটা শিখতে সময় লাগে যেটা খুব বেশি মানুষ পারে না পৃথিবীর ডানে বামে তাকালে সবাই পারে এরকম কোন কিছু স্কিল আসলে না। এবং এরকম একটা জিনিস যখন আমরা শিখতে পারব তখন আমাদের বাকি জীবনটা অনেক সহজ হয়ে যাবে। তো আমি যেটা করেছি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন আমি চ্যাটজিপিডিতে গেছি। চ্যাটজিপিডিতে যেয়ে আমি লিখছি আই ওয়ান্ট টু বি আ ফ্রিল্যান্সার। হোয়াট আর সাম স্কিলস দ্যাট আই সুড লার্ন নাউ সো আই ক্যান বি আ টপ রেটেড ফ্রিল্যান্সার অন আপওয়ার্ক অর সিমিলার প্লাটফর্মস। গিভ ডেটা এবাউট জব নাম্বার এটসেট্রা উইথ ইচ স্কিল নেম সো আই ক্যান জাজ অন মাই ওন ইফ আই সুড লার্ন ইট। তো এটা বলার পরে চ্যাটজিপিটি আমাকে একটা লিস্ট দিছে এবং আমি এইভাবে প্রম্পট দেওয়ার কারণ হলো যেন চ্যাটজিপিটি আমাকে ডেটা দেয় আপওয়ার্কে। ওই টাইপের কত জব গত এক বছরে দুই বছরে পাবলিশ হইছে। তো আপনারা দেখতে পাচ্ছেন লিস্টের একদম উপরেই আসছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। পৃথিবীর প্রত্যেকটা প্রত্যেকটা কোম্পানি আস্তে আস্তে ডিজিটালে যাচ্ছে এবং প্রত্যেকেরই ওয়েব সলিউশনস দরকার হচ্ছে। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট মানে কিন্তু ওয়েবসাইট বানানো না। ওয়েবসাইট বানানো পার্ট অফ ইট বাট নট দ্যা টোটাল থিং। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বলতে মূলত আমরা বুঝাই ব্যাক এন্ডের কাজকর্ম। যেমন ধরেন আপনি যখন পাঠাও এ যান আপনি যখন উবারের ওয়েবসাইটে যান আপনি যখন ফুড পান্ডার ওয়েবসাইটে যান আপনি দেখতেছেন একটা ওয়েবসাইট বাট ব্যাক এন্ডে কিন্তু অনেক কিছু হচ্ছে। ফুড পান্ডা যে বানাইছে বা উবার যে বানাইছে সে কিন্তু জাস্ট একটা ওয়েবসাইট বানাই নাই সে একটা সফটওয়্যার সলিউশন বানাইছে। তো সফটওয়্যার ভিত্তিক কাজকর্ম ব্যাক এন্ডের কাজকর্ম ব্লক চেইনের কাজকর্ম এআই এর কাজকর্ম ব্যাক এন্ডে বহুত বহুত কাজকর্ম হচ্ছে এবং প্রতিনিয়ত হবে। যতই দিন আগাচ্ছে যতই টেকনোলজি ইম্প্রুভ করতেছে ততই ব্যাক এন্ডের মানুষজনের চাহিদা বাড়তেছে এবং আপনারা দেখতেছেন যে 1 লাখের বেশি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট জব অন আপওয়ার্ক এ পোস্ট হইছে শুধু মাত্র। এবং জাভাস্ক্রিপ্ট এর মধ্যে ডমিনেট করছে ওই 1 লাখের মধ্যে 30 হাজারই ছিল জাভাস্ক্রিপ্ট এর এবং রিঅ্যাক্ট জেএস এর ছিল 15 হাজার। তো এখান থেকে আমরা একটু আইডিয়া পেলাম এপ্রক্সিমেট আওয়ারলি রেটও আমরা দেখতে পারতেছি যে আপনি যদি এই স্কিলে ভালো হন আপনি এপ্রক্সিমেটলি 35 থেকে 75 ডলার এর মত আয় করতে পারবেন ডিপেন্ডিং অন এক্সপেরিয়েন্স। এবং এটা আপওয়ার্ক এর টপ টেন স্কিলের একটা। সেকেন্ড আসতেছে ডেটা সাইন্স এবং এনালিটিক্স পাইথন এসকিউএল ডেটাবেস নিয়ে কাজকর্ম এ ধর 30 হাজার এর মত জব পাবলিশ হইছে। এরপরে আসছে থার্ডে ডিজিটাল মার্কেটিং 25 থেকে 40 হাজার এর মত জব পাবলিশ হয়েছে এবং ডিজিটাল মার্কেটিং এর সাবডিভিশন আছে আপনারা জানেন যে এসইও কন্টেন্ট মার্কেটিং পিপি সি মেটা মার্কেটিং ইত্যাদি ইত্যাদি। এবং এই ডিজিটাল মার্কেটিং এর দুনিয়ায় আবার এসইও লিড করতেছে যেই 40 হাজার এর মধ্যে জব পাবলিশ হইছে এর মধ্যে 10 হাজারই আসলে এসইও এর জব এবং আওয়ারলি রেট আমরা দেখতে পাচ্ছি 30 থেকে 70। এরপরে গ্রাফিক ডিজাইন কপিরাইটিং মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট ভিডিও এডিটিং এন্ড অ্যানিমেশন ক্লাউড কম্পিউটিং প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ভার্চুয়াল অ্যাসিস্টেন্স ই-কমার্স ডেভেলপমেন্ট সাইবার সিকিউরিটি। তো 12টার একটা লিস্ট আমি এখানে চ্যাটজিপিটি থেকে পেয়েছি বাট আমি এখন চ্যাটজিপিটিকে বলতে পারি আরও 20টা দেও এবং চ্যাটজিপিটি তখন আমাকে পরের 20টা দিবে। মোদ্দা কথা হলো আমাদের এমন একটা স্কিল খুঁজে বের করতে হবে যেটা আমরা কমফোর্টেবল শিখার জন্য। সব স্কিল সবার জন্য পারফেক্ট না তার মানে এই না যে কোন স্কিল ভালো কোন স্কিল খারাপ। কপিরাইটিং ভালো নাকি সাইবার সিকিউরিটি ভালো ই-কমার্স ডেভেলপমেন্ট শিখবো নাকি আমি মাই এসকিউএল ডেটাবেস বানানো শিখবো কোনটা ভালো কোনটা খারাপ এই কথাটার আসলে কোন উত্তর নাই। পৃথিবীতে এমন মানুষ আছে যারা ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে কোটি কোটি টাকা আয় করতেছে আবার পৃথিবীতে এমন মানুষও আছে যারা ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে কোন টাকা আয় করতেছে না। পৃথিবীতে এমন অনেক মানুষ আছে যারা ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখে কোটি কোটি টাকা আয় করতেছে আবার পৃথিবীতে এমন অনেক মানুষও আছে যারা ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখে কিছু আয় করতেছে না। সো স্কিলে কোন সমস্যা নাই আপনার এপ্রোচে আপনার শেখার প্যাটার্নে এবং শেখার পরে আপনি কিভাবে ওই জিনিস এপ্লাই করতেছেন ওইটার উপর ডিপেন্ড করবে আপনি কতটুক সাকসেসফুল হবেন বা হবেন না। সো প্রত্যেকটা স্কিলই ভালো। এই 12টা 20টা 30টা এই যে যে লিস্টটা আপনি পাবেন এই লিস্টের ভেতর থেকে যে কোন একটা পিক করলেই আপনি মোটামুটি সেইফ আগামী 10 বছরের জন্য। সো ওইটা বলার দরকার নাই যে এটা কি শিখবো নাকি এটা শিখবো এটা শিখবো নাকি ওটা শিখবো এগুলা সব কয়টাই ভালো। পুরোপুরি আপনার ইচ্ছা যে আপনার সাথে কোনটা যায়। আপনার কোনটা ভালো লাগে। যেমন আমাকে যদি কেউ বলে ডিজাইন রিলেটেড কিছু করতে আমি কখনোই করতে পারি না কারণ আমি ডিজাইনে খুব একটা ভালো না। হাউয়েভার আমাকে যখন কেউ বলে কন্টেন্ট রিলেটেড কিছু করতে বা মার্কেটিং রিলেটেড কিছু করতে আমার খুবই কমফোর্টেবল লাগে ওগুলা করতে কারণ ওগুলা আমি ভালো পারি। প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট রিলেটেড জিনিসপত্র আমি খুব একটা ভালো পারি না। বাট এরকম অনেক মানুষ আছে যারা প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট রিলেটেড জিনিসপত্র খুবই খুবই খুবই ভালো পারে। সো ডিফরেন্ট মানুষের ডিফরেন্ট টাইপ অফ জিনিসে আকর্ষণ হয় এবং ডিফরেন্ট টাইপ অফ জিনিসে সিনার্জি আসে। এখন আপনি শুরুর দিনে কিভাবে বুঝবেন আপনার কোনটায় ভালো লাগবে বা কোনটায় ভালো লাগবে না আপনি তো প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট এর ভিতরে কি হয় তাও জানেন না ওয়েব ডেভেলপমেন্টের ভিতরে কি হয় তাও জানেন না। আপনি কিভাবে বুঝবেন আগে থেকে এটা আগে থেকে বোঝার উপায় নেই আপনার কোন একটা কিছু শুরু করতে হবে। শুরু করার পরে কিছুদিন যাওয়ার পরে আপনি বুঝবেন যে হ্যাঁ এটা আমার ভালো লাগতেছে বা এটা একদমই ভালো লাগতেছে না। একদমই করতে ইচ্ছা করতেছে না এটা শুধু টাকা ইনকাম করা যাবে এইজন্য আমি করতেছি। ওরকম যদি আপনার মনে হওয়া শুরু করে তখন ব্যাক স্টেপ নিয়ে পাশের আরেকটায় চলে যাবেন এবং তারপরে আবার পিছনে এসে আরেকটায় চলে যাবেন। এবং এভাবে করতে করতে ইভেনচুয়ালি আপনি একটা খুঁজে পাবেন যেটা আসলে আপনার ভালো লাগতেছে করতে। স্টেপ নাম্বার ওয়ান হয়ে গেল স্কিল সিলেক্ট করা। স্টেপ নাম্বার টু হইলো এই স্কিলটা অ্যাকচুয়ালি শেখা। স্কিল শেখার জন্য দুনিয়ায় অনেক মানুষ অনেক ধরনের তাবিজ সলিউশন বাইর করছে। হাউয়েভার আপনার আসলে একটা সলিউশনই আছে দুনিয়ায় সেটা হলো গিয়ে আ কম্বিনেশন অফ বুকস কোর্সেস এন্ড অনলাইন রিসোর্সেস। দুনিয়ার যেই যা বলুক এই তিনটার বাইরে যেয়ে আপনি এই ডিজিটাল কোন একটা স্কিল খুব ভালোভাবে শিখতে পারবেন বলে আমি বিশ্বাস করি না। আমার যদি কোন কিছু শিখতে হইতো ধরেন কথার কথা আমি ক্লাউড কম্পিউটিং শিখব। ক্লাউড কম্পিউটিং যদি আমি শিখতে চাইতাম ফার্স্ট স্টেপ হিসেবে আমি যে কাজটা করতাম সেটা হল ক্লাউড কম্পিউটিং বিষয়ক কি কি বই আছে খুঁজে বের করতাম দুই একটা পড়তাম। সেকেন্ড কাজ আমি যেটা করতাম আমি হয় কোর্সের দিকে যেতাম অথবা আমি অনলাইনে ফ্রি রিসোর্স খুঁজে বের করতাম দুইটা যে কোন একটা। এবং তারপর এই দুইটা আমি ভাজা ভাজা করে ফেলতাম। ছয় মাসের মধ্যে আমি ক্লাউড কম্পিউটিং নিয়ে দুনিয়ায় যা কিছু আছে সবকিছু দেখে ফেলতাম। শুধু দেখতাম তা না নিজের এন্ডে ওগুলা ইমপ্লিমেন্টও করতাম এবং ইভেনচুয়ালি দেখা যেত ছয় মাস পরে আমি মোটামুটি লেভেলের ক্লাউড কম্পিউটিং বুঝে গেছি আর অ্যাডভান্স জিনিসপত্র শেখার জন্য এবং তারপরে হয়তো আমি আরও অ্যাডভান্স জিনিসপত্র শেখার চেষ্টা করতাম। সো শেখার স্টাইল আগে একজনের একেক রকম আমি খুব ডিটেইলে যাব না কারণ আমার একটা ডেডিকেটেড ভিডিওই আছে কোন কিছু কিভাবে শিখতে হয় এটা নিয়ে। ওই ভিডিওটা যদি আপনি দেখেন তাহলে আপনি যেকোন কিছু যেই টপিকই হোক সেটা আপনি শিখে ফেলতে পারবেন বলে আমি বিশ্বাস করি। তো স্টেপ টু হয়ে গেল আমাদের শেখা। স্টেপ থ্রি কাজ পাওয়া বা ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য আমি কিভাবে কাজ খোঁজার চেষ্টা করব এই ব্যাপারটা। আমি আপনাদের স্ক্রিনে একটু দেখাই এই ওয়েবসাইটগুলো এবং এরকম আরও অনেক ওয়েবসাইট আছে বাট এই ওয়েবসাইটগুলোই আমি আপনাদের রেকমেন্ড করব আপনারা যেয়ে আপনাদের কাজ খুঁজেন। আমরা একটা রেন্ডম এক্সাম্পল নেই মনে করেন আমরা ঠিক করলাম যে আমরা ডিজিটাল মার্কেটিং এ একটা এক্সপার্ট হয়েছি আমরা ডিজিটাল মার্কেটিং এ স্কিলড হয়েছি এবং এখন আমরা ডিজিটাল মার্কেটিং এ ফ্রিল্যান্স কাজ খুঁজতে চাই। আমি লিঙ্কডইন এ যাব আমি এখানে ডিজিটাল মার্কেটিং লিখে সার্চ দিব। সার্চ দিয়ে তারপরে আমি এখানে আয়ারল্যান্ডে না এখান থেকে আমি রিমোট দিয়ে দিব। অনেকে আছে যারা আপওয়ার্ক এবং ফাইভার এর বাইরে যায় না ফ্রিল্যান্সিং এর কাজকর্ম খুঁজতে বাট এটা খুবই একটা ভুল কাজ। আপনি আপওয়ার্ক এবং ফাইভার বা জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস যেগুলো আছে সেই মার্কেটপ্লেসগুলোয় কম্পিটিশন সবচেয়ে বেশি থাকে। সো আমি সবাইকে এখন রেকমেন্ড করি যে জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেসগুলো আপনি যাবেন না তা না আপনি আপওয়ার্ক এ যাবেন আপনি ফাইভার এ যাবেন আপনি সব কটাই যাবেন। হাউয়েভার একই সাথে বাইরের যত রিমোট ওয়ার্ক প্লাটফর্ম আছে সেগুলা একটু আন্ডার ইউটিলাইজড ওগুলায় খুব বেশি মানুষ যায় না। সো ওগুলায় যদি আপনি যান তাহলে আপনার ট্র্যাক করার অপরচুনিটি বাড়বে ক্লায়েন্টের সাথে কথা বলার অপরচুনিটি বাড়বে। সো আপনারা দেখলেন যে আমি লিঙ্কডইন এ এসে ডিজিটাল মার্কেটিং লিখে রিমোটে সার্চ দিলাম আমি দেখলাম যে এই কয়টা জব এখন আমার সামনে আছে। এখন আমি নেক্সট যেটা করব আমি প্রত্যেকটা জব পড়ব। প্রত্যেকটা জব পড়ে বোঝার চেষ্টা করব যে ও আসলে চাচ্ছেটা কি কি রেসপন্সিবিলিটিজ রিকোয়ারমেন্ট আমি কি আদৌ পারবো নাকি আমি এতদিন ধরে যা শিখছি তা এটার সাথে যায় নাকি। সব যদি যায় তাহলে আমি দুইটা কাজ করব এক আমি তো এপ্লাই করবই সো যেগুলো ইজি এপ্লাই বলে তো ক্লিক করলেই এপ্লাই হয়ে যায় আর যেগুলো নরমাল সেগুলো আমি নরমালি এভাবে এপ্লাই বাটনে ক্লিক করার পরে আমাকে ওই অ্যাপ্লিকেশন পেইজে নিয়ে যাবে এবং তারপর আমি এপ্লাই করব। শুধু তাই না একই সাথে আমি ওই কোম্পানির এই জবটা যে পোস্ট করেছে বা যেই ডিপার্টমেন্ট পোস্ট করেছে সেই ডিপার্টমেন্টের কাউকে খুঁজে বের করব এবং তাকে একটা ইমেইল করব। তো যেমন ধরেন জুম এই জবটা পোস্ট করেছে যে ওরা একটা রিমোট মানুষ নিচ্ছে যে পেইড সোশ্যাল মিডিয়া স্ট্র্যাটেজি নিয়ে কাজকর্ম করবে। তো এই জবটা যদি আমি এপ্লাই করতাম আমি তো এপ্লাই করতামই এবং তারপর আমি নিচে চলে আসতাম নিচে চলে এসে আমি খুঁজে চেষ্টা করতাম যে জুমের এইচআর এ কারা কাজ করে। এবং আমি এখন আপনাদের অত ডিটেইলে দেখাচ্ছি না বাট আমি যদি লিঙ্কডইন এর ভিতরে যেয়ে জুম লিখে তারপরে পিপলে যেয়ে এইচআর দিয়ে সর্ট করার চেষ্টা করি আমি দেখতে পারব যে জুমের এইচআর এ এখন কারা কারা কাজ করতেছে। এবং তারপরে তাদের কারো সাথে আমার কোন সেকেন্ড লেভেল বা থার্ড লেভেল কানেকশন আছে নাকি লিঙ্কডইন এ আমি খুঁজে বের করতাম তাদের সাথে আমি এড হইতাম এবং তারপরে তারা কি ধরনের পোস্ট করতেছে ওগুলা দেখতাম। ওই পোস্টগুলা একটু কমিউনিকেট করতাম এবং ইভেনচুয়ালি তাদের সাথে যখন তারা যখন আমার নামটা চিনবে এরকম একটা সিচুয়েশন যখন চলে আসবে তখন আমি তাদেরকে মেসেজ পাঠাতাম বা ইমেইল করতাম যে আমি তোমার এই জবটা তিন সপ্তাহ আগে এপ্লাই করেছি। আমি ভাবলাম আমি তোমাকে এখানেও জানাই। সেকেন্ড টাচপয়েন্টটা খুব বেশি জরুরি। ফার্স্ট টাচপয়েন্ট সবাই করে। সবাই এপ্লাই করবে। হাউয়েভার সেকেন্ড টাচপয়েন্টটা যারা দিবে বা থার্ড টাচপয়েন্টটা যারা দিবে তারাই অ্যাকচুয়ালি আগায়ে যাবে। মনে রাখবেন মানি ইজ ইন দা ফলো আপ। আপনি যত বেশি টাচ করবেন তত বেশি আপনার অপরচুনিটির সৃষ্টি হওয়ার চান্স বাড়বে। লিঙ্কডইন একমাত্র প্লাটফর্ম না উই ওয়ার্ক রিমোটলি আছে এগেইন বেশ জনপ্রিয় এবং উই ওয়ার্ক রিমোটলি তে জব পোস্ট করার জন্য 299 ডলার লাগে। সো এখানে যারা জব পোস্ট করতেছে তারা খুব সিরিয়াস হায়ার করার ব্যাপারে এবং তারা আপনি শিওর থাকতে পারেন কাউকে না কাউকে হায়ার করবে প্রত্যেকটা জব থেকে। সো এগুলার কোনটায় যদি আপনি এপ্লাই করেন এখানে শুধু রিমোট জবই পোস্ট হয় সো লিঙ্কডইন এ যেহেতু আপনার সর্ট করতে হইছে উই ওয়ার্ক রিমোটলি এ আপনার সর্ট করতে হবে না এগুলা সবই রিমোট জব। সেইম আমি যদি রিমোট ওকে তে আসি এগেইন সেইম প্রিন্সিপাল সবই রিমোট জব রিমোট ওকে তে জব পোস্ট করতেও টাকা লাগে। সো আপনি যদি এগুলার যে কোন একটা এপ্লাই করেন মোটামুটি ভাবে শিওর থাকতে পারেন আপনি মোটামুটি সেইফ এরপরে এরকম রিমোট জব প্লাটফর্মের আসলে শেষ নাই রিমোট ডট আইও আরেকটা। যেগুলার প্রত্যেকটারই প্রিন্সিপাল সেইম কোম্পানিরা টাকা দিচ্ছে আপনি যখন রিমোট জবের প্লাটফর্ম খুঁজবেন আপওয়ার্ক ফাইভার বাদে ওগুলা তো মার্কেটপ্লেস। আমি চাই আপনি এমন এমন প্লাটফর্মে জব খুঁজে এপ্লাই করেন যেই প্লাটফর্মে জব পোস্ট করতে টাকা লাগে। যেইসব প্লাটফর্মে জব পোস্ট করতে টাকা লাগে না আপওয়ার্ক এ জব পোস্ট করতে কিন্তু টাকা লাগে না। তো আপওয়ার্ক এ আমি একটা জব পোস্ট করতে পারি এবং তারপর কাউকে হায়ার নাও করতে পারি আমার কিছু যায় আসে না। বাট যেই প্লাটফর্মগুলা জব পোস্ট করতে টাকা লাগে ওই প্লাটফর্মগুলায় জব পোস্ট করার পরে ওই কোম্পানি অবশ্যই হায়ার করে। এবং এই কারণে ওই জবগুলা যদি আপনি এপ্লাই করেন এবং তারপর সেকেন্ড টাচপয়েন্ট থার্ড টাচপয়েন্ট দেন তাহলে আপনার ওই জবগুলা পাওয়ার চান্স অনেক বেশি বেড়ে যাবে। আচ্ছা আপনি যখন জব খুঁজতেছেন তখন আপনার আরেকটা স্কিল খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ যেটা একদমই কেউ এটা নিয়ে কথাবার্তা বলে না। শুধু আপনি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখছেন শুধু আপনি কোডিং শিখছেন শুধু আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং শিখছেন এবং তারপরে আপনি দুনিয়ায় চলে আসছেন এরকম হলে হবে না। আরেকটা যে স্কিল খুবই খুবই খুবই ইম্পর্টেন্ট সেটা হলো সেলস এন্ড মার্কেটিং। একজন ফ্রিল্যান্সিং টাইপের কাজ করা মানুষের নরমাল চাকরির ক্ষেত্রে কিন্তু আপনি একবার এপ্লাই করতেছেন চাকরি পেয়ে যাচ্ছেন আপনার বাবা মা যেই ধরনের চাকরি করে মনে করেন একজন ব্যাংকে চাকরি করে সে একবার এপ্লাই করছে সে চাকরি পেয়ে গেছে এবং তারপরে নরমালি তার চাকরি চলতেছে। ফ্রিল্যান্সিং টাইপ চাকরি যেগুলা এগুলা প্রতিনিয়ত আপনার টেস্ট হয়। ক্লায়েন্ট চেঞ্জ হইতে থাকে অপরচুনিটিজ চেঞ্জ হইতে থাকে নতুন নতুন জব এপ্লাই করতে হয়। সো আপনার এজ আ পার্সন সেলস এবং মার্কেটিং নলেজ থাকাটা খুব বেশি জরুরি যেন আপনি নিজেকে বেচতে পারেন। নিজেকে যদি আপনি বেচতে না পারেন সেক্ষেত্রে আপনি বারবার যে আটকে যাবেন। সো অনেকে আছে খুবই ভালো ডিজিটাল মার্কেটিং পারে খুবই ভালো কোডিং পারে খুবই ভালো ডিজাইন পারে খুবই ভালো এই পারে সেই পারে সে কোনদিনও চাকরি পায় না কোনদিনও ফ্রিল্যান্সিং ওয়ার্ল্ডে ভালো করতে পারে না। কারণ সে সবই পারে কিন্তু সে কিভাবে নিজেকে বেচতে হবে ওইটা পারে না। সো এই জিনিস যেন আপনার সাথে না হয় নিজেকে বেচতে পারার স্কিলটা খুব জরুরি। তো এটা আমি কিভাবে ইম্প্রুভ করব নিজেকে বেচতে পারার স্কিল নেগোসিয়েশন এর কয়েকটা বই পড়ব। সো নেভার স্প্লিট দ্য ডিফারেন্স ইজ আ গুড ওয়ান আপনি টেড টকও দেখতে পারেন চাইলে নেগোসিয়েশন এর উপরে বাট নেগোসিয়েশন এর উপরে কয়েকটা বই পড়া জরুরি এবং সেলস এর উপরে কয়েকটা বই পড়া জরুরি। এগেইন গ্রান্ট কার্ডন টাইপ মানুষজন এর উপর বই পড়তে পারে 10 এক্স রুল বা 10 মিলিয়ন লিডস হাবিজাবি যা যা আছে ওগুলা পড়তে পারেন। দুইটা ভার্টিক্যালে আমি আপনাকে পড়তে রেকমেন্ড করব এক হল নেগোসিয়েশন ভার্টিক্যাল আরেকটা হল সেলস ভার্টিক্যাল কারণ এই দুইটাই আপনার জন্য জরুরি হবে যখনই আপনি কোন একটা ক্লায়েন্টের সাথে কথা বলতে যাবেন। এবং বাকিটুক প্র্যাকটিস আপনি ধরে নিবেন 100 200 ক্লায়েন্ট আপনাকে না বলবে তারপরে যে একজন হ্যাঁ বলবে এবং আস্তে আস্তে আপনি দেখবেন এমন একটা সময় আসবে যখন প্রত্যেক পাঁচটা ক্লায়েন্টের একজন হ্যাঁ বলতেছে। তারপরে দেখবেন প্রত্যেক তিনটা ক্লায়েন্টের একজন হ্যাঁ বলতেছে একটার একটা হ্যাঁ হচ্ছে এরকম সাধারণত হয় না সবসময়ই তিনজনের সাথে কথা বললে দুইজন না বলবে একজন হ্যাঁ বলবে। ওই নাম্বারটা পর্যন্ত পৌঁছানোটা ডিফিকাল্ট। কিন্তু সব ঠিক আছে কাজকর্ম শুরু করছি আমি ওই কোম্পানিতে কাজকর্ম চলতেছে চলতেছে এবং এই কাজকর্ম করার সময় আপনার গোল হলো এক ওই কোম্পানিটা যেন আপনার থেকে ভালো এমপ্লয়ী পাইছে ইতিহাসে এরকম না হয়। আপনি ওই কোম্পানিটার যেই রোলটার জন্য আপনাকে ফ্রিল্যান্স হায়ার করেছে ওই রোলটায় আপনি হবেন ওই কোম্পানির সেরা এবং ইন জেনারেল ওই কোম্পানিতে যত এমপ্লয়ী আছে সব এমপ্লয়ী এর মধ্যে আপনি হবেন দা বেস্ট। আপনার থেকে বেশি কেউ নাই। অলওয়েজ আপনি স্ট্রাইভ করবেন ইম্প্রুভমেন্টের জন্য আপনি প্রতিদিনই ক্লায়েন্টকে জিজ্ঞাসা করবেন যে আর কি করতে পারি আমি আর কিভাবে হেল্প করতে পারব। আর কিভাবে গ্রো করব তোমার গোল কি আমাকে বল আমি ওই গোল মিট তো করবই এক্সিডও করার চেষ্টা করব কিভাবে করব এটার প্ল্যানগুলো আমি তোমাকে দিচ্ছি। প্রতিনিয়তই আমাদের চেষ্টা হবে বইসা না থেকে শুধুমাত্র আমাকে যা দিবে তা করতে করে করে না থেকে গ্রো করার চেষ্টা করা উইদিন দ্যাট কোম্পানি। মনে রাখবেন আরেকটা জব খোঁজার আরেকটা ফ্রিল্যান্সিং প্রজেক্ট খোঁজার থেকে যেটা আপনার অলরেডি আছে ওইটাকে এক্সপ্যান্ড করার অপরচুনিটিটা অনেক ইজিয়ার অপরচুনিটি। মনে হয় না বাইরের থেকে বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে আরও একটা খুঁজি আরও একটা খুঁজি আরও একটা খুঁজি বাট আপনি তা করবেন না আপনি নিজেরটাই এক্সপ্যান্ড করবেন। নিজেরটা যখন আর এক্সপ্যান্ড করা পসিবল না শুধুমাত্র তখনই আমরা সেকেন্ড প্রজেক্ট খোঁজার চেষ্টা করব। তো এই জিনিসটা অনেকেই ভুল করে এই জিনিসটা আপনি করবেন না। ইভেনচুয়ালি পাঁচ বছর সাত বছর আট বছর কাজ করার পরে একটা সময় আসবে যখন আপনার মনে হবে যে হ্যাঁ আমি এখন এনাফ টাকা জমিয়ে ফেলেছি। হ্যাঁ এমন একটা সিচুয়েশন আসছে যে আমি এখন আমার ক্যারিয়ারের নেক্সট শিফটটা নিতে পারি। নেক্সট শিফটটা কি? এখন আমি একটা বিজনেস দাঁড় করাবো যাতে করে আমি আমার সময় বাঁচাতে পারি। এতদিন ধরে আপনি যেটা করছিলেন আপনি আপনার নিজের সময়কে বিক্রি করছিলেন। হ্যাঁ আপনি হয়তো 1000 2000 ডলার পাচ্ছিলেন 3000 4000 ডলার পাচ্ছিলেন ভালো চলতেছিল সবকিছু মাসে বাট স্টিল আপনি আপনার সময় বিক্রি করছিলেন। এখন আপনি আপনার এই গত সাত বছরের নলেজ গত পাঁচ বছরের এক্সপেরিয়েন্স একচুয়াল এক্সপেরিয়েন্স পোর্টফোলিও এবং প্র্যাকটিক্যাল নলেজ এই সবকিছু ব্যবহার করে চিন্তা করবেন এই নলেজ এক্সপেরিয়েন্স স্কিল ব্যবহার করে আমি এখন কি বিজনেস দাঁড় করাইতে পারি? যেই বিজনেসটা আমাকে আমার সময় ফেরত দিবে। কারণ যখনই আপনি একটা বিজনেস দাঁড় করাবেন তখন আপনি আর কাজ করবেন না। তখন আপনার মেইন রোল হবে ম্যাক্রো রোল আপনি উপরের থেকে সবকিছু ম্যানেজ করবেন। এতদিন পর্যন্ত আপনি নিজে কোডিং করছেন এখন আপনি কোডার হায়ার করবেন যে আপনার হয়ে অন্যান্য মানুষের জন্য কোডিং করে দিবে। এতদিন পর্যন্ত আপনি নিজে ডিজিটাল মার্কেটিং করেছেন এখন আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং এর মানুষজন হায়ার করবেন যারা আপনার হয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং করে দিবে আপনার কাজ হবে উপরের থেকে ম্যাক্রো হয়ে সবকিছু ম্যানেজ করা। তো ওই স্টেপটা ওই ফ্লিপটা সবার নিতে হবে তা না অনেকে আছে এভাবে চাকরি করতেই থাকে চাকরি করতেই থাকে টাকা অনেক জমাতেও থাকে টাকা খরচও করতে থাকে তাদের জীবন ভালোই চলে। আমার ভিডিও যারা দেখে তারা বেশিরভাগ ওই ফ্লিপটা করতে চায় এবং এই কারণে আমি বলছি যে ওই ফ্লিপটা একসময় যদি আপনি করতে পারেন তখন আপনি সময় বাঁচানো শুরু করবেন। আপনার নিজের এবং একটা সময় আসবে আপনার জীবনে যখন আপনার জীবনের সবচেয়ে ইম্পর্টেন্ট অ্যাসেট হয়ে যাবে আপনার সময়। শুরুর দিকে এটা তো মনে হয় না কারণ শুরুর দিকে সময় তো দাম থাকে না বাট 30 এর পরে যে 35 40 এরকম সময় এসে সময় খুব ইম্পর্টেন্ট একটা অ্যাসেট হয়ে যাবে। এই কারণে সময় বাঁচানোর জন্য যা যা করা সম্ভব সবই করা উচিত প্লাস আপনি যদি ট্রু বড়লোক হইতে চান নিজের সময় বিক্রি করে কখনোই ট্রু বড়লোক হওয়া সম্ভব না। কারণ নিজের সময় মাল্টিপ্লায়ার এফেক্ট বসানো সম্ভব না। সহজ করে চিন্তা করেন মনে করেন আমার একটা কোম্পানি। আমার কোম্পানিতে আমি ঘড়ি বেচি আমার ঘড়ি বেচে 1 লাখ টাকা ইনকাম হয় আপনাকে আমি হায়ার করছি ঘড়ির মার্কেটিং করার জন্য। রিয়ালিস্টিক্যালি আপনাকে আমি কখনোই 1 লাখ টাকার বেশি দিব না কারণ আমার কোম্পানির ইনকামই হয় 1 লাখ টাকা। ইনকামের বেশিরভাগ আমি মালিক হিসেবে হয়তো রেখে দিব। সো ধরেন 60 হাজার আমি রেখে দিছি 40 হাজার আপনাকে দিছি। সো রিয়ালিস্টিক্যালি যদি আপনি চিন্তা করেন 40 হাজার এর বেশি আসলে কখনোই আপনি এই কোম্পানি থেকে আয় করতে পারবেন না। সো আপনি যখন নিজের টাইম দেন নিজের টাইম বিক্রি করেন তখন সিলিং খুব কম থাকে এই 40 হাজারই আপনার সিলিং। এখন আপনি চিন্তা করেন উল্টা করে আপনি যদি একটা ঘড়ির কোম্পানি দিতেন। আপনি চিন্তা করতে পারেন এখন 1 লাখ থেকে কিভাবে ওটা 10 লাখ করব কিভাবে ওটা 20 লাখ করব 30 লাখ করব। বেসিক্যালি লিমিটলেস হয়ে যায় আপনার ওই ওই এঙ্গেলের চিন্তা এবং আপনি তখন আপনার মত আরও অনেক মানুষ হায়ার করতে পারেন যারা ওই ঘড়ির মার্কেটিং করবে আপনি উপরের থেকে ফ্রিডম অফ টাইম নিতে পারতে থাকেন। তো একটু ডিটেইল আলাপ হয়ে যাচ্ছে ওটায় যাচ্ছি না যেহেতু এটা ফ্রিল্যান্সিং এর ভিডিও বাট এই হলো আমার স্টেপ বাই স্টেপ গাইড যেই গাইডগুলো যদি আপনি ফলো করেন স্টেপগুলো সে ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সিং এমন কোন আহামরি রকেট সাইন্স না যেটা কেউ করতে পারবে না। প্রতিদিনই হাজার হাজার মানুষ করতেছে ইন্ডিয়ান, শ্রীলঙ্কান, ইন্দোনেশিয়ান, ফিলিপিনের মানুষজন একদম কাপায় বেড়াচ্ছে। তো এমন কিছু না যেটা আপনি করতে পারবেন না। একই সাথে এটা এমন কিছু না যেটা খুবই এসপায়ার্ড একটা জিনিস। ফ্রিল্যান্সিং কোন মানে মধু না যেটার জন্য আপনার পাগল হয়ে যেতে হবে ইটস জাস্ট এ টাইপ অফ জব। ফ্রিল্যান্সিং না করে যদি আপনি কোন একটা কোম্পানিতে নরমাল চাকরি করেন কোন সমস্যা আছে বলে মনে হয় না আমার উল্টা অনেক ভালো। নরমাল চাকরিতে ফ্রিল্যান্সিং এর থেকে ঝামেলা অনেক কম বাট ফ্রিল্যান্সিং এর আপসাইডটা দুইটা এক হল ডলার ইনকাম করা যায় ফরেন কারেন্সিতে ইনকাম করা যায় এবং বাংলাদেশে কনভার্সনের কারণে ফরেন কারেন্সির ইনকাম সবসময় লাভজনক। এবং সেকেন্ড একসাথে অনেক প্রজেক্টে কাজ করার অপরচুনিটি আসে যেটা সাধারণ চাকরিতে আসে না সাধারণ চাকরি খুবই বোরিং খুবই স্ট্রাকচারড যেটা ফ্রিল্যান্সিং না। এই দুইটা ছাড়া বেসিক্যালি সেম জিনিস। ভালো থাকেন সবাই একটু রাফ র ভিডিও বাট আমি চেয়েছিলাম এই ব্যাপারগুলো আপনাদেরকে একটু সুন্দর করে বুঝাইতে যেন আপনারা বিভ্রান্ত না হন। কারণ ইন্টারনেটে অনেক বিভ্রান্তিকর তথ্য অনেক বিভ্রান্তিকর ভিডিও এবং আমি বুঝি যে যদি আমি নতুন হইতাম আমি যদি কিছুই না বুঝতাম এবং ওইরকম কোন একটা ভিডিও 10টা ভিডিও দেখতাম তাহলে আমার দুনিয়া ওলটপালট হয়ে যেত এবং আমি হয়তো খুব ভালোমতো বুঝতাম না। স্পেশালি সবাই যখন এই যে 10 লাখ টাকা ইনকাম করছি 50 লাখ টাকা ইনকাম করছি 50 কোটি টাকা ইনকাম করছি এই ধরনের কথাবার্তা যখন বলে সবাই তখন পুরা জিনিসটাই যিনি কেমন হয়ে যায় উলটপালট হয়ে যায় ভালোমতো বোঝা যায় না। আমি চাই যেন আপনাদের সাথে না হয় এজন্য এই ভিডিওটা। ভালো থাকেন সবার সাথে কথা হবে পরের কোন একটা ভিডিওতে টাটা।

অনলাইনে আয় শুরু করুন এভাবে | How to Start Freelancing | সহজেই ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো?
Khalid Farhan
22m 33s4,825 words~25 min read
Auto-Generated
Watch on YouTube
Share
MORE TRANSCRIPTS


