[0:00]নিজের দিদির সম্মান বাঁচাতে এক সাধারণ মেয়ে যখন বাঘিনীর মতো গর্জে ওঠে, তখন অপরাধীর বুক কেঁপে ওঠে থরথর করে। খবরের কাগজের পাতায় লাজুর এই দুর্ধর্ষ বীরত্বের কাহিনী কি বদলে দেবে তার ভাগ্য? নাকি মউকের জেল থেকে আসা এক ভয়ঙ্কর হুমকি তছনছ করে দেবে সবকিছু? অনুভবের ভালোবাসাই কি হবে লাজুর শেষ আশ্রয়? টানটান উত্তেজনায় ঠাসা গল্পের পরের অংশ দেখতে একদম মিস করবেন না। খবরের কাগজে লাজুর গোয়েন্দাগিরির খবর বেরোতেই সব সত্যি জেনে গেল ঠাম্মি। সম্পূর্ণ জানতে হলে, ভিডিওটিতে একটি লাইক করে দেখতে থাকো। গল্পের শুরুতেই দেখা যায় লাজু যখন খেতে বসেছিল, তখন ফোন করেছিল মৌকে। মৌকের সাথে যখন ফোনে কথা বলতে লাজু ব্যস্ত আড়াল থেকে সবটা শোনার চেষ্টা করেছিল অনুভব। অনুভব বুঝতে পারে কোনো একটা গন্ডগোল ঘটাচ্ছেই লাজু। হয়তো লাজু প্রেম করছে, এমনটাই আন্দাজ করছিল অনুভব। ঠিক সেই মুহূর্তেই লাজু বলে এই শোনো, তোমাকে তোমার টাকাটা দিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু তুমি আর বনলতা দিদির পেছনে একদম লাগতে আসবে না। তাহলে কিন্তু খুব খারাপ হয়ে যাবে। বনলতা দিদি তোমাকে টাকাটা পাঠিয়ে দিয়েছে, আমি তোমাকে টাকাটা দিয়ে দেবো কালকে। মনে থাকবে তো? তখন সেই মুক বলে আরে শোন তুই তাড়াতাড়ি করে টাকাটা নিয়ে চলে আয়। আমি আর বেশি কথা তোর সাথে বলতে চাইছি না। যতটা তাড়াতাড়ি সম্ভব চলে আয়। এর মধ্যেই ঠাম্মির ওষুধ দিতে গেছে অনু। অনু তখন বলে কি হয়েছে ঠাম্মি? তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে তুমি কোন কিছু একটা নিয়ে খুব আপসেট হয়ে আছো। ঠাম্মি তখন বলে আসলে লাজু আমার অভ্যাসটা খারাপ করে দিয়েছে। সবসময় আমার হাতের কাছে জিনিসগুলো এনে দিয়ে একদম আমাকে কুঁড়ে বানিয়ে দিয়েছে। কিন্তু আজকে ভালো লাগছে না একদম। মনটা খুব খারাপ। অনু তখন বলে আমি একটা কথা বলি ঠাম্মি? তুমি লাজুকে অবিশ্বাস করো না। লাজু ককখনো কোন খারাপ কিছু করতে পারে না। লাজুর প্রতি সেই বিশ্বাস আর ভরসা আমার আছে। ও একটা নিরপরাধ মেয়ে। জানিনা লাজু কাকে বাঁচাতে এই কাজটা করেছে। তবে ও একজন নিরপরাধ মানুষ। ও কখনোই চুরি করতে পারে না। ঠাম্মি ও গরিব হতে পারে কিন্তু ও চোর নয় আর সেটা আমি খুব ভালো মতন জানি। তুমি মনে করো যে লাজু চুরিটা করতে পারে বল না, লাজু চুরি করতে পারে? আমার কিন্তু কখনো এটা মনে হয় না। ঠাম্মি ভাবে লাজু যখন চুরি করেনি তাহলে এই বাড়ির মানুষের মধ্যে কেউ তো একজন চুরিটা করেছে? কিন্তু সেটা কে লাজু জানা সত্ত্বেও বলেনি। এর মধ্যেই বনলতা শুয়ে শুয়ে খুবই কান্নাকাটি করতে থাকে আর বলে জানিনা এই ঝামেলা থেকে আমি নিজেকে কবে বার করতে পারবো। তবে দিন দিন এই ঝামেলা বেড়েই চলেছে। আমার মুক্তির পথ কোথাও হয়তো খোলা নেই। অন্যদিকে লাজু সেই পার্কে চলে গেছে যেখানে মৌকের সাথে দেখা করার কথা। টাকাটা দেওয়ার কথা। এরপর লাজু পুলিশ অফিসারদেরকে বলে দেয় আমি এগিয়ে যাচ্ছি আপনারা রেডি থাকবেন। লাজুর তো ভয় লাগে। কিন্তু তবুও লাজু ভাবে তাকে এই কাজটা করতেই হবে। এরপর মুক বলে ওহ তুই চলে এসেছিস? দে টাকাটা ঝট করে দিয়ে দে তো। লাজু তখন বলে টাকা তো আমি দেবই, কিন্তু তার আগে তুমি আমাকে একটা কথা বলো তুমি যে এর পরে আর কোন ঝামেলা করবে না তার কি কোনো গ্যারান্টি আছে? তুমি যদি এর পরেও আবার কোনো বাড়াবাড়ি করো আবার যদি তোমার টাকার লোভ হয় তখন যদি তুমি বনলতা দিদির কাছ থেকে টাকা চাও তখন কি হবে? এরপর মুক বলে এই শোন তোর সাথে বাড়িয়ে দাঁড়িয়ে এতগুলো কথা বলার সময় না আমার হাতে নেই। তাই এগুলি একদম করবি না। যেটা বলছি সেটা কর। দে টাকার ব্যাগটা আমার হাতে তুলে দে। কিন্তু লাজু কোনোভাবেই টাকার ব্যাগ তুলে দিতে চায় না আর বলে আগে যেটা বললাম সেটা করো। লিখে দাও আমাকে যে তুমি আর কখনোই বনলতা দিদির পেছনে লাগবে না। আর কখনো টাকা চাইবে না আর যেই ছবিগুলো তুমি ছেড়েছো সেগুলো সবটাই এআই দিয়ে বানানো। এই সবকিছু তোমাকে লিখে দিতে হবে। তবেই আমি তোমাকে টাকার ব্যাগটা দেবো। এরপর অফিসাররা সমস্তটা ভিডিও করতে থাকে অডিও রেকর্ড করতে থাকে। মৌকে সবাই মিলে হাতে-নাতে ধরবে। যে উচিত শাস্তি মৌকে দেওয়ার কথা সেটাই দেবে। এর মধ্যেই মুক বারবার করে বলে এই শোন তোর সাথে আমার অত লেনা-দেনা নেই। তোর সাথে আমি এত দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কথা বলছি কেন? তবে হ্যাঁ এটা কিন্তু ঠিক। বনলতার থেকে তোকে অনেক বেশি দেখতে সুন্দর। তোর প্রতি আমার বেশ একটা আকর্ষণ আসছে সেটা কি তুই জানিস? তখনি লাজু বলে এসব আ ফাও কথা বলা বন্ধ করবে? আমি তোমাকে ককখনো টাকা দিতে পারবো না। তাই তুমি আমার মতন মেয়ের সাথে প্রেমও করবে না সেটা আমি খুব ভালো মতন জানি। তবে একটা কথা জেনে রাখো যে অন্যায় তুমি করছো তার শাস্তি তোমাকে পেতেই হবে। এরপরে আর কখনো তুমি এই মুখটা আমাদের সামনে দেখাবে না। এরপর মুক বলে তোর সাথে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে এত বেশি কথা বলছি দে দে দে। কাগজপত্র জানিয়েছে দে আমি লিখে দিই। এরপরই লাজু তার ব্যাগের মধ্যে থেকে কাগজটা বার করে দিয়ে দেয় আর তারপর মৌক সেখানে লিখে সাইন করে দেয়। এরপরই ব্যাগের মধ্যে খাতাটা ঢুকিয়ে চেন আটকে দেয় লাজু। মুক তখন বলে কি ব্যাপার? তুই আমাকে টাকাটা না দিয়ে ব্যাগে চেন আটকে দিলি? তখন অফিসাররা চলে এসেছে আর বলে টাকাটা আমরা দেবো। চল তোকে আজকে ফাইভ স্টার হোটেলে নিয়ে যাবো। অনেক অন্যায় করেছিস তার শাস্তি এইবারে তুই হাতে-নাতে পাবি। মৌক কোনভাবে অফিসারদের সাথে যেতে চায় না। লাজুর গলায় রীতিমতো অস্ত্র ধরে যাতে লাজুকে ঢাল করে সে সেখান থেকে পালাতে পারে। কিন্তু সেখানে চলে এসেছে অনুভব। অনুভব এসে বেধরক মার মারতে শুরু করে মৌকে। তিনজন অফিসারও অনুভবকে সামলাতে পারে না। লাজু বুঝে উঠতে পারে না কেসটা ঠিক কি ঘটে গেল। এরপরই মৌকে শাস্তি দেয় তারপর পুলিশের হাতে তুলে দেয়। মৌক তখন হাসতে হাসতে যায় আর বলে ফিরে আসবো আমি আর তখন তোমাদের দুজনকে জাবদ করবো। এর মধ্যেই অফিসার বলে লাজু তুমি যা করে দেখালে আমি কোনোদিনও ভুলতে পারবো না। তোমার সাহস অনেক বেশি। তুমি সারাটা জীবন ভালো থাকো অনেক বড় হও। এরপর অফিসাররা তো চলে যায়। তখন অনুভব বলে কি করেছো তুমি? কি ব্যাপার লাজু তুমি আমার প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছ না কেন? লাজু তখন বলে তুমি কি আজকার আমার পেছন পেছন ফলো করছিলে আমাকে? বলো আমার এই কথাটা জানাটা খুব জরুরি। আর ঠিক সেই মুহূর্তে অনুভব বলে ফলো করার কি আছে? আমি শুনেছিলাম তুমি একটা কাজ করতে বেরিয়েছো আর বুঝতে পেরেছিলাম তুমি কোন বড়সড়ো বিপদে পড়তে পারো তাই আমি তোমাকে বাঁচাতে এসেছি। আমি যদি ঠিক সময় বাঁচাতে না আসতাম কত বড় যে সমস্যা হতো সেটা আমি এখন খুব ভালোমতন বুঝতে পারছি। ওই ছেলেটা তোমার ক্ষতি করে দিতো। তখনি বনলতার কথাই বলে লাজু তুমি বনলতা দিদির মুখের দিকে কখনো দেখেছো? বনলতা দিদি অনেক কষ্টে আছে। দয়া করে বনলতা দিদির অবস্থাটাও একবার বোঝার চেষ্টা করো। অনুভব বলে আমার কারুর অবস্থা বোঝার কোনো দরকার নেই। আমি শুধু এইটুকু জানি যে তুমি অন্তত নিজেকে সুরক্ষিত রাখো। অলরেডি তো বাড়িতে সবার সামনে তুমি নিজের অপরাধ স্বীকার করেছো এরকম একটা ভাব নিয়ে ঘুরছো। অথচ তুমি কোন অপরাধ করোই নি। বারবার করে বলছি লাজু আমি কিন্তু আর এই সমস্ত জিনিসগুলো সহ্য করতে পারছি না। আমারই চোখের সামনে তোমাকে সবাই মিলে অপমান করবে আর এটা আমি কোনোভাবে মেনে নেবো না। লাজু বলে আমি এখান থেকে চলে যাবো অনেক দূরে। সেটা আমি খুব ভালো মতন জানি। কয়েকদিনের মধ্যেই আমাকে একটা থাকার জায়গার ব্যবস্থা করতে হবে। এইসব নিয়ে আমি আর ভাবছি না। তবে ওই ছেলেটা বনলতা দিদির অনেক বড় ক্ষতি করতে চেয়েছিল। আমি ওকে উচিত শাস্তি দিয়েছি এটাই আমার কাছে অনেক বড় ব্যাপার। ঠিক সেই মুহূর্তে অনুভব বলে কিন্তু তুমি যেটা চাইছো সেটা কি হবে? বনলতা কখনোই শুধরাবে না। ও আবারও নিজেকে বাঁচানোর জন্য অন্যকে বিপদে ফেলতে দুবারও ভাববে না। কিন্তু লাজু বলে যে সে সব সময় বনলতা দিদির পাশে থাকবে। বিপদে বনলতা দিদিকে সাহায্য করবে। লাজু এত বড় একটা গোয়েন্দাগিরি করেছে আর সেটাই খবরের কাগজে বড় বড় করে ছেপে দিয়েছে খবরের কাগজের লোকেরা। আর সেটাই বাড়ি বাড়িতে চলে গেছে আর চ্যাটার্জি বাড়িতেও গেছে। অনু খবরের কাগজটা পেয়ে লাজুর ছবি দেখে পুরো খবরটা পড়ে জানতে পেরে যায় সবাইকে সবটা পড়ে শোনায়। আর তখনই সবাই মিলে বিশেষ করে শর্মিলা আর স্ত্রী চেপে ধরেছে লাজুকে সত্যিটা বলার জন্য। কাকে কাকে টাকা দেওয়ার জন্য চুরিটা করেছিল কে? আর তখন বুঝতে পেরে যায় যে বনলতাই এই চুরিটা করেছে আর ঠাম্মিও নিজের ভুল বুঝতে পারে। খবরের কাগজের সেই পাতায় লাজুর বীরত্বের খবর দাবানলের মতো চ্যাটার্জি বাড়ির অন্দরে ছড়িয়ে পড়তেই থমথমে পরিবেশ তৈরি হয়। দীর্ঘদিনের জমানো মিথ্যে আর অপমানের পাহাড় মুহূর্তের মধ্যে ধসে পড়তে শুরু করে যখন ঠাম্মি চশমাটা ভালো করে মুছে লাজুর নির্ভিক ছবিটার দিকে তাকিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে ওঠেন। অনুভব পাশে দাঁড়িয়ে শান্ত গলায় বলতে থাকে আমি তো আগেই বলেছিলাম ঠাম্মি। যে মেয়ে নিজের জীবন বাজি রেখে অন্যের সম্মান বাঁচাতে পারে সে কোনদিন চোর হতে পারে না। শর্মিলা দেবী আর সিন্ধ অপরাধ বোধে কুঁকড়ে গিয়ে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকেন। কারণ তাদের করা বিষাক্ত মন্তব্যগুলো তখন তীরের মতো তাদেরই বিচ্ছল। ঠিক সেই সময় বনলতা ঘর থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করলে অনুভব তার পথ আগলে দাঁড়ায় আর গম্ভীর স্বরে বলে আর পালানোর পথ নেই দিদিভাই। খবরের কাগজ শুধু লাজুর জয়গান গায়নি। তোমার অন্ধকারের কাহিনীটাও পরোক্ষভাবে সবার সামনে এনে দিয়েছে। পরিস্থিতির চাপে পড়ে বনলতা শেষমেষ কান্নায় ভেঙে পড়ে স্বীকার করে নেয় যে নিজের বিলাসিতা আর মৌকের ব্ল্যাকমেইলিং সামলাতে সেই আলমারি থেকে গয়না সরিয়েছিল। লাজু শুধু তাকে দিদির মতো ভালোবেসে আগলে রেখেছিল। বাড়ির সবার চোখে লাজু তখন এক সামান্য আশ্রিতা থেকে অসামান্য এক মানবী হয়ে ওঠে। ঠাম্মি লাজুর হাত ধরে নিজের ভুল স্বীকার করে তাকে বাড়ির লক্ষী বলে ঘোষণা করেন। তবে সুখের এই মুহূর্তটা বেশি ক্ষণ স্থায়ী হয় না। কারণ জেলখানায় বন্দি মৌকের চোখে তখন প্রতিশোধের আগুন জ্বলছে। সে পুলিশের গাড়িতে ওঠার সময় যে হুমকি দিয়েছিল তা বাস্তবে রূপ দিতে তার সাঙ্গপাঙ্গদের নির্দেশ পাঠায়। এক অন্ধকার রাতে যখন চ্যাটার্জি বাড়িতে খুশির মেজাজ ফিরছিল তখনই অনুভবের ফোনে একটা অচেনা নম্বর থেকে ভিডিও কল আসে। যেখানে দেখা যায় একদল দুষ্কৃতী লাজুকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ছক কষছে। অনুভব বুঝতে পারে মৌক জেল থেকে বসেই তার জাল বিছিয়েছে। লাজু অবশ্য ভয় পাওয়ার পাত্রী নয়। সে অনুভবের হাত শক্ত করে ধরে বলে যে বাঘিনী একবার গর্জে উঠেছে তাকে খাঁচায় বন্দি করা সহজ নয়। অনুভব লাজুকে নিজের আড়ালে রেখে প্রতিজ্ঞা করে যে এই লড়াইয়ে সে একা নয়। তাদের দুজনের ভালোবাসাই হবে সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঢাল। পরের দিন সকালে লাজু নিজেই থানায় গিয়ে মৌকের বিরুদ্ধে নতুন করে বয়ান জমা দেয় আর সংবাদ মাধ্যমের সামনে দাঁড়িয়ে স্পষ্ট জানায় যে মেয়েরা অবলা নয়। পরিস্থিতির চাপে তারা রণচণ্ডী হতেও জানে। চ্যাটার্জি বাড়ির ছোট বউ হিসেবে নয় বরং একজন স্বাধীনচেতা লড়াকু মেয়ে হিসেবে লাজুর নতুন পরিচয় গড়ে ওঠে। অনুভবের ভালোবাসা আর লাজুর অদম্য সাহসের মিশেলে গল্পের মোড় এক নতুন দিগন্তে মোড় নেয়। যেখানে অপরাধীর আস্ফালন হার মানে এক সাধারণ মেয়ের অসাধারণ জেদের কাছে। এভাবেই লাজু হয়ে ওঠে সমাজের সেইসব মেয়েদের অনুপ্রেরণা যারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে ভয় পায়। শেষ পর্যন্ত মৌকের সমস্ত চক্রান্ত ধুলিসাৎ করে দিয়ে লাজু আর অনুভব এক নতুন জীবনের পথে পা বাড়ায়। যেখানে শুধুই থাকবে পারস্পরিক সম্মান আর এক বুক ভালোবাসা যা কোনো হুমকির কাছে মাথা নত করবে না। প্রতিটা আপডেট সবার আগে পেতে এখনই আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে পাশে থাকা বেল আইকনটি বাজিয়ে দিন। আপনাদের একটি লাইক আর সাবস্ক্রিপশন আমাদের নতুন নতুন ভিডিও বানাতে অনেক উৎসাহ দেয়। সাথে থাকুন দেখতে থাকুন।

খবরের কাগজে লাজুর বীরত্বের কাহিনী! ঠাম্মির সামনে ফাঁস হলো বনলতার সব সত্যি! Review
Mrst Drama 2
10m 40s1,745 words~9 min read
YouTube auto captions
Transcript source
YouTube auto captions
This transcript was extracted from YouTube's auto-generated caption track. The transcript below is server-rendered so it can be read, searched, cited, and shared without opening the original YouTube player.
Pull quotes
[0:00]নিজের দিদির সম্মান বাঁচাতে এক সাধারণ মেয়ে যখন বাঘিনীর মতো গর্জে ওঠে, তখন অপরাধীর বুক কেঁপে ওঠে থরথর করে। খবরের কাগজের পাতায় লাজুর এই দুর্ধর্ষ বীরত্বের কাহিনী কি বদলে দেবে তার ভাগ্য?
[0:00]তখন সেই মুক বলে আরে শোন তুই তাড়াতাড়ি করে টাকাটা নিয়ে চলে আয়। আমি আর বেশি কথা তোর সাথে বলতে চাইছি না। যতটা তাড়াতাড়ি সম্ভব চলে আয়। এর মধ্যেই ঠাম্মির ওষুধ দিতে গেছে অনু। অনু তখন বলে কি হয়েছে ঠাম্মি?
[0:00]আমার কিন্তু কখনো এটা মনে হয় না। ঠাম্মি ভাবে লাজু যখন চুরি করেনি তাহলে এই বাড়ির মানুষের মধ্যে কেউ তো একজন চুরিটা করেছে?
[0:00]দে টাকাটা ঝট করে দিয়ে দে তো। লাজু তখন বলে টাকা তো আমি দেবই, কিন্তু তার আগে তুমি আমাকে একটা কথা বলো তুমি যে এর পরে আর কোন ঝামেলা করবে না তার কি কোনো গ্যারান্টি আছে?
Use this transcript
Related transcript hubs
Watch on YouTube
Share
MORE TRANSCRIPTS


