Thumbnail for সালমানের মায়ের চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুললো রাজসাক্ষী রিজভি! | Salman Shah | Somoy TV by SOMOY TV

সালমানের মায়ের চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুললো রাজসাক্ষী রিজভি! | Salman Shah | Somoy TV

SOMOY TV

15m 58s2,063 words~11 min read
AI audio transcription
Transcript source

AI audio transcription

This transcript was generated from the video's audio because no usable YouTube caption track was available. The transcript below is server-rendered so it can be read, searched, cited, and shared without opening the original YouTube player.

Pull quotes
[0:05]পরিচয় তো আমি আগেও বলেছি, এখনও বলছি সেটা হচ্ছে সালমান শাহ হচ্ছে নীলা চৌধুরীর মা। ওকে?
[4:09]তখন আমার বয়স ১৫ বছর বয়স। আমি কখনো কোনো মামলা-মকদ্দমায় ছিলাম না, আমার ফ্যামিলির কেউ মামলা-মকদ্দমায় ছিল না এবং আজও নেই। তখন তো আমি নিজেও জানি না যে ১৬৪ জিনিসটা কি, ১৬৪ ধারা জবানবন্দি জিনিসটা কি?
[4:09]উনি রাজনীতি করেন উনি এগুলো ভালোমন্দ জানেন। উনার জন্য সব রাস্তাঘাট খোলা ছিল। আপনি কি কোনো মেজিস্ট্রেটের কাছে আপনি জবানবন্দি দিয়েছিলেন কিনা?
[4:09]কারণ উনি যে ঘটনাটা সাজিয়েছেন আমরা উনাদেরকে ধরছি, উনাকে এভাবে মারছি, উনাকে এভাবে ইনজেকশন দিয়েছি। কিন্তু এগুলো তো সব তো মিথ্যা ঘটনা। উনি তো বাংলাদেশেই ছিলেন না। কে?
Use this transcript
Related transcript hubs

[0:05]যে সালমান শাহর পরিবার নীলা চৌধুরী সাথে আপনার পরিচয় কিভাবে? পরিচয় তো আমি আগেও বলেছি, এখনও বলছি সেটা হচ্ছে সালমান শাহ হচ্ছে নীলা চৌধুরীর মা। ওকে? এখন আমার দিকটা আসেন। সেটা হচ্ছে, আমার আপন ছোট চাচা গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, উনি বিয়ে করেছেন চিত্রপরিচালক আলমগীর কবির সাহেবের ছোট বোনকে রোজি কবির। তো রোজি কবিরের ভাইয়ের ছেলে হচ্ছে জয় শ্রী জয় শ্রী কবিরের ছেলের নাম হচ্ছে ল্যালিন। তো নীলা চৌধুরী ওই জিনিসটাই আমাকে ইউজ করাইছেন যে তুমি ওই পরিচয়, তুমি যেহেতু আমার আত্মীয়, যেহেতু ল্যালিনকে আমি ছোটবেলা থেকে এত বড় করেছি। তো ওই হিসাবে আমি এই কাজটা সারাচ্ছি। তুমি এখন কোথায় আছো? তুমি চলে আসো। তোমাকে আমার প্রয়োজন আছে, দরকার আছে। ইমিডিয়েটলি চলে আসো। উনার ফোন পেই, উনি তখন, তখন তো আর মোবাইল যোগ ছিল না, উনি আমার বাসায় টেলিফোন করেছিলেন। আমার বাসায় টেলিফোন থেকেই আমি মেসেজ পেয়ে তারপর আমি বাসা থেকে বলে বের হয়েছি আমি ঢাকায় যাচ্ছি। এইতো। ঢাকা কোথায় গেছেন এবং কার কাছে গেছেন? ঢাকায় আমি ইয়ে বাসায় গেলাম, নীলা চৌধুরীর বাসায়। আর নীলা চৌধুরী গাড়ি আসলো আপনার গাবতলী বাসস্ট্যান্ডে। উনারা প্রাইভেট একটা গাড়ি, সাদা গাড়ি ছিল। ওই গাড়ি থেকে সে আমাকে পিকআপ করে তার বাসায় নিয়ে যায়। এখন আমার কথা হচ্ছে নিয়ে যাওয়ার পরে কি পরিকল্পনা হয়েছিল সেখানে? নিয়ে যাওয়ার পরে তো আমি একটু বিশ্রাম নিলাম, গোসল করলাম, খাওয়া-দাওয়া করলাম। তারপরে উনার সাথে আমার কথাবার্তা হলো উনি বললেন এইভাবে এইভাবে জিনিসটা করো, যা উনি শিখিয়ে দিয়েছেন, ওইভাবেই বললাম ওকে ঠিক আছে। এতে যদি আপনার কোন উপকার হয় তাহলে আমি অবশ্যই করবো। আমি একজন সালমান শাহর ভক্ত আর আপনি আমার আত্মীয় মানুষ আপনাকে তো অস্বীকার করতে পারবো না। উনার মূল টার্গেটটা ছিল কিন্তু আপনার আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের উপরে। কিভাবে উনার কাছ থেকে বড় টাকার একটা অংক আদায় করা যায়। উনার টার্গেটটা ছিল এটাই। উনি আমাকে শুধু এতটুকু বলেছেন যে তুমি বাচ্চা মানুষ তুমি এত কিছু বুঝবা না। আমি যেটা করছি এটা আমাদের ভালোর জন্যই করছি। তুমিও সেলিব্রেটি হয়ে যাবা। এইতো। এরপর হলো কি আপনাকে কোনোভাবে আর্থিক প্রলোভন অথবা কোনো প্রলোভন দেখিয়েছিল কি না নীলা চৌধুরী? আর্থিক প্রলোভন উনার টার্গেট ছিল ওই আমলে ৯৭-এর কথা তো আপনার উনি কথার প্রসঙ্গেও একটা কথা বলছিলেন যে অ্যামাউন্টটা যদি আসে তাহলে তোমাকে ৫০% দেওয়া হবে। ওই আমলে উনি আমাকে এটা অফার করেছিলেন এবং ওই মুহূর্তে আমি খুব ইমোশনাল ভাবে উনি যা বলেছেন আমি তাই করছি, যা বলেছেন তাই করেছি। এবং ক্যান্টনম্যান থানায় আমাকে যা বলেছেন আমি তাই করেছি। যা বলেছেন তাই করেছি। যখন আমি কেন্দ্রীয় কারাগারে ঢুকে গেলাম তারপর তো আমার চোখ মুখ ফুটে গেল। তারপর আমি বুঝতে পারলাম যে সম্পূর্ণ আমি বিপদে পড়ে গেছি এখন কি করা যায়। তো আমি ডিআইজি সাহেবকে জানালাম যে আমার একটা মামলা এই চলছে আমি আমি বাইরে কারো সাথে যোগাযোগ করতে পারতেছি না। আমার কাপড়-চোপড় নেই টুকিটাক টেস্ট নেই। আমি আমার আত্মীয়-স্বজন কেউ আসতে পারতেছে না আপনি আমার একটা ব্যবস্থা করে দেন। হিউম্যান রাইটের উপর তাকে আমি একটা রিকোয়েস্ট করলাম। তখন উনি আমার থাকা যাওয়ার জায়গাটা একটু ব্যবস্থা করে দিলেন। আর কিছুদিন পরেই সিআইডির একেএম খালিকুজ্জামান এএসপি উনি আসলেন। উনি এসে আমার সাথে কথাবার্তা বললেন তারপর আমি রিলাক্সে হয়ে গেলাম যে না ঠিক আছে এই মামলা কিছুই হবে না। ইনশাআল্লাহ আমার মুক্তি একদিন হবেই। তো দীর্ঘ সময় কেটে গেছে। বাংলাদেশের কোর্টের কাগজপত্র গুলো চলাকালীন অনেক সময় লেগে যায়। যার কারণে আমার আমাকে এতদিন অপেক্ষা করতে হয়েছে আরকি। আর এখন আমি ফ্রিডম ইনশাআল্লাহ আগেও ছিলাম এখনও আছি। আপনি ওই সময় ১৬৪-এর যে জবানবন্দি দিয়েছিলেন কেন দিয়েছিলেন এবং ওই জবানবন্দি আপনি স্বীকার করেছেন আপনি এই সাক্ষ্য দিয়েছেন আপনি স্বীকার করছেন সালমান শাহকে হত্যা করা হয়েছে? আমি কার কাছে স্বীকার করেছি?

[4:09]তখন আমার বয়স ১৫ বছর বয়স। আমি কখনো কোনো মামলা-মকদ্দমায় ছিলাম না, আমার ফ্যামিলির কেউ মামলা-মকদ্দমায় ছিল না এবং আজও নেই। তখন তো আমি নিজেও জানি না যে ১৬৪ জিনিসটা কি, ১৬৪ ধারা জবানবন্দি জিনিসটা কি? উনি রাজনীতি করেন উনি এগুলো ভালোমন্দ জানেন। উনার জন্য সব রাস্তাঘাট খোলা ছিল। আপনি কি কোনো মেজিস্ট্রেটের কাছে আপনি জবানবন্দি দিয়েছিলেন কিনা? না না, আমি আমি আমাকে উনার প্রাইভেট কার যোগে সাদা একটা গাড়ি ওই গাড়িতে করে আমাকে সিএমএম কোর্টে বাইরে কার পার্কিংয়ে রাখা হয়। পাঁচ ঘণ্টা আমি গাড়িতে বসে ছিলাম। উনারা বদরু সাহেব নীলা চৌধুরী আসলেন তারপর আমাকে ক্যান্টনম্যান থানায় নিয়ে আসলেন। ওখান থেকে রাত্রে আপনার নীলা চৌধুরীর বাসায় নিয়ে গেলেন। বদ্রু বদ্রুল আমার সাথে ছিল, ওসি শাহাবুদ্দিনও ছিল আমার সাথে এবং কমিশনার সাহেবও ছিল। উনারা বসে সব প্ল্যান প্রোগ্রাম করছেন। তার মানে সেই জবানবন্দি আপনার না। না এটা তো প্রশ্নই ওঠে না। আমি কোনো জবানবন্দি দেইনি। বরং উনার পারফিউমের গন্ধে ওসি শাহাবুদ্দিন পাগল হয়ে গিয়েছিল। কমিশনার পাগল হয়ে গিয়েছিল। এসআই বদ্রুল পাগল হয়ে গিয়েছিল। উনাদের সাথে অন্তরঙ্গ একটা সম্পর্ক ছিল থানার ভিতরে। কার? নীলা চৌধুরী। কতটুকু অন্তরঙ্গ ছিল আপনি দেখেছেন কিনা? হ্যাঁ আমার নিজ চোখে দেখা। আমি তো ওসির রুমে বসে ছিলাম। আমি তো আপনার এটা কি বলে জেলখানাতে যে থানাতে থাকে কারত যে একটা রুম থাকে স্পেশালি আসামীদের জন্য যে রুমটা থাকে আমি তো সেই রুমে আমি ঢুকিইনি। আমি ওসির রুমে বসে আমি সিগারেট পর্যন্ত খেয়েছি। এবং নীলা চৌধুরী পর্যন্ত এখানে ছিল, কামরুদ্দিন চৌধুরী ছিল, তারপরে আপনার কমিশনার আসলো। উনি ছিলেন, ওসি শাহাবুদ্দিন সাহেব, এসআই বদ্রুল আরো অফিসাররা ছিলেন। ওইদিন তো পাবলিক তো ঢুকতেই পারেনি। তার দরজা লাগানো ছিল। কেউ আসলে দরজা নক করে তারপর ঢুকতো। ওখানে তো আমাদের প্রায় চার-পাঁচ ঘণ্টা কেটে গেছে। তো তারপর আপনার নীলা চৌধুরী কেন আপনাকে আবার এই মামলাতে আসলে অনৈতিকভাবে তার বাসভবনে ডাকার যে মামলা সে মামলা কেন ফাঁস করলো? এটা উনি নিজে বাঁচার জন্য। এটা উনি নিজে বাঁচার জন্য যে উনি যেন কোনো বিপদে না পড়ে। কিন্তু আইনের ক্ষমতা উনি ওই সময় দেখিয়েছিলেন। কি দিয়ে দেখিয়েছেন আমি জানি না। আর সরকারি কর্মকর্তারা কেনই বা উনার সাথে এত সুন্দরভাবে মিলে গেলেন তাও আমি জানি না। তবে ওই বয়সে আমি যতটুকু দেখেছি একজন মা একটা মৃত ছেলেকে নিয়ে এত কিছু করতে পারে না। সে চেয়েছিল কিভাবে শাবনূরকে আপনার আটকানো যায়, ডনকে কিভাবে আটকানো যায়, আজিজ মোহাম্মদ ভাইকে কিভাবে আটকানো যায়। সামিরাকে কিভাবে আটকানো যায়। তার টার্গেট ছিল সামিরা। সামিরার উপর এত রাগ ছিল কারণ সালমান যখন বিয়ে করে আসলো বাসার বউ নিয়ে আসলো তারপর থেকে তার উপর অত্যাচার শুরু হলো। শারীরিক মানসিক ভাবে তার উপর অত্যাচার। এটা একজন শাশুড়ি হিসেবে একজন মা হিসেবে একটা মেয়ের সাথে এরকম করতে পারে না। সে যেটা করেছেন এবং সালমান খুবই অল্প সময়ের ভিতর ডিসিশন নিলেন উনি বাসা ছেড়ে ইস্কাটনের বাসায় চলে যাবেন। এবং সে চলে গেছেন। আর যে আরেও অনেক কিছু শুনেছি আমি এগুলো সব মিথ্যা কথা, মিথ্যা, মিথ্যা। যে টাকা পাবেন পাবে আজিজ মোহাম্মদ ভাই থেকে সে টাকার অর্ধেক আপনারা, কি পরিমাণ টাকার আশা করেছিল নীলা চৌধুরী সেই সময়? ওই সময় তার টার্গেট ছিল আপনার সাত কোটি টাকা। ৭ কোটি টাকা তার টার্গেট ছিল। যার কারণে উনি জিনিসটা এত সুন্দরভাবে সাজিয়েছিল যে আমার আত্মীয়কে নিয়ে আমাকে এভাবে পরিচয় দিয়ে যে মানুষ যেন বিশ্বাস করে এবং এটা যেন মিডিয়াতে প্রকাশ হয় এবং সে যেন একটা বিচার পায়। সে আইনকে কিনতে চেয়েছিল টাকার মাধ্যমে যে আমার ছেলেকে আমার ছেলের বউ আমার কাছ থেকে সরিয়ে ফেলেছে। আমার তো এখন টাকা পয়সার ইনকাম বন্ধ হয়ে গেছে। আজিজ মোহাম্মদ ভাই যদি সেদিন সাত কোটি টাকা দিয়ে দিত তাহলে সালমান শাহ হত্যা মামলার মোড় কোন দিকে নিতে পারতো মনে করছেন? এটা তো কোনদিন সম্ভব না। এটা কি করে সম্ভব? কারণ উনি যে ঘটনাটা সাজিয়েছেন আমরা উনাদেরকে ধরছি, উনাকে এভাবে মারছি, উনাকে এভাবে ইনজেকশন দিয়েছি। কিন্তু এগুলো তো সব তো মিথ্যা ঘটনা। উনি তো বাংলাদেশেই ছিলেন না। কে? নীলা চৌধুরী তো এখানে মিস্টেকটা করছে। উনি যদি আগে ইনভেস্টিগেশন করতেন যে আজিজ মোহাম্মদ ভাই এখন বর্তমান কোথায় আছেন, কোথায় অবস্থান করতেছেন, তাহলে উনি আরও এগিয়ে যেতে পারতেন। কিন্তু উনি তো বাংলাদেশে ছিলেন না। ডন তো ঢাকাতে ছিল না। ডন ছিল বগুড়াতে। আমি ছিলাম ফরিদপুরে। তো এটা কি করে সম্ভব? নীলা চৌধুরীর সাথে আপনার সাথে কতটুকু অন্তরঙ্গ ছিল? উনার সাথে আমার একটা খুব ভালো একটা রিলেশনশিপ ছিল। উনার বাসায় আমার সবসময় যাতায়াত ছিল। উনি কথাবার্তা খুব ভালো ছিল। আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে তখন তো আমার উঠতি বয়স ছিল। ১৫ বছরের একটা ছেলে কি আর করতে পারবে? আমার আমি আরাম আয়েশটা খুব পছন্দ করি, বিলাসিতা খুব পছন্দ করি। জন্মের পর থেকেই বিলাসিতার উপর বড় হয়েছি, এখন আলহামদুলিল্লাহ ওইভাবেই আছি। তো উনি যা এখন বর্তমান যা করতেছেন এগুলো ঠিক না। আপনি এখন নামাজ কালাম পড়েন, হজে যান, ছেলের জন্য দোয়া করেন এটাই আমি আপনার কাছে কামনা করব। আর নীলা চৌধুরীও বর্তমান যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন, আপনারও যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন। দীর্ঘ বছর ধরে আপনারা রয়েছেন ইয়েতে। নীলা চৌধুরীর সাথে কখনো দেখা হয়েছিল কিনা অথবা এইসব বিষয় নিয়ে কোন আলাপ আলোচনা হয়েছিল কিনা? না ব্যক্তিগতভাবে উনি আমার কাছে আসেননি আর আমিও উনার কাছে যাইনি। কোনো মিডিয়ার মাধ্যমে উনি আমার সাথে যোগাযোগ করেননি। আর একটা নিকৃষ্ট মহিলার সাথে কি যোগাযোগ করব? উনি যে আমার আত্মীয় হয়, পরিচয় দিত কিনা লাগে। কখনো কি জানতে চাননি আপনি আপনাকে কেন এই চক্রান্তের মধ্যে ফাঁসিয়ে আপনার জীবনটা নষ্ট করলো? হ্যাঁ ইনশাআল্লাহ টুডে এন্ড টুমোরো আমি উনার ফেস টু ফেস হব। একটাই প্রশ্ন থাকবে আমার দেখি উনি কি জবাবটা দেন। ওইদিন আপনাদের অপেক্ষায় আমি আছি। তখন সালমান ভক্ত ছিলেন। এখনও কি আপনি সালমান ভক্ত রয়েছেন এত সালমানের কারণে জীবনে এতগুলো অধ্যায় নষ্ট হয়ে গেল? হ্যাঁ আমি এখনও সালমানকে ভালোবাসি। এখনও ভালোবাসছি সারা জীবন ভালোবাসব। পৃথিবীর সবাই ওকে ভালোবাসে, খুব ভালো একটা ছেলে ছিল, খুব কাছের ছিল। কাছ থেকে আমি দেখেছি ওকে। তো আমি শুধু এতটুকু বলব সবাই ওর জন্য দোয়া করবেন। আর নীলা চৌধুরীর পাল্লায় পড়ে আপনারা কেউ আর কোনো ভুল করবেন না, সময় নষ্ট করবেন না, কোনো মিছিল করবেন না, সাংবাদিক সম্মেলন করবেন না। আপনারা ওর জন্য দোয়া করবেন। পিবিআই যে তদন্ত রিপোর্ট যেটা দিল আত্মহত্যা বলে সেখানে আপনিও আপনারও আলাপ-আলোচনা রয়েছে, পিবিআই যে তদন্ত কর্মকর্তা সেটা আদালতে রয়েছে। আসলে পিবিআই কিভাবে যোগাযোগ করলো আপনার সাথে? পিবিআই বিগত কয়েক মাস আগে কারণ আমরা তো যেটি জানি কেউ আপনার সন্ধান জানে না। কেন জানবে না? আমি তো প্রকাশ্যেই আছি। আমার সন্ধান কেন জানবে না? আমার বাবা-মা বেঁচে নেই? আমার ভাই-বোন বেঁচে নেই? আমার আত্মীয়-স্বজন নেই? কেন জানবে না? আমি তো প্রকাশ্যে। আমি তো লাইফে সবসময় কথা বলি। বাংলাদেশের সাথে আমার ২৪ ঘণ্টা যোগাযোগ। মিডিয়ার সাথে মিডিয়ার অনেক প্রোগ্রাম আমি দেখি। আমি আমি কেন লুকিয়ে থাকব? আমি তো প্রকাশ্যেই আছি। দেশের জনগণ তো পিবিআই এর যে তদন্ত প্রতিবেদন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সেটি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। সে বিষয়ে আপনার বক্তব্য কি? সেটা তো যখন নাকি আপনার আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাবাকে যখন মারা হলো। তারও তো কিন্তু বিচার হয়েছে দীর্ঘ দিন পরে এবং সত্যিটা বের হয়ে আসছে। আমার তো সত্যিটা বের হয়ে আসছে। কারণ এটা মিথ্যা জিনিস। মিথ্যাকে এই যে সাজানো হয়েছে। সাজানো জিনিস বের হতে কতক্ষণ সময় লাগে। আর বাংলাদেশের সরকারের কি কোন আর কোন কোন কাজ নেই? আত্মহত্যা মামলাকে হত্যা মামলায় আপনি সাজিয়ে বানিয়ে ফেলেছিলেন নীলা চৌধুরীর প্ররোচনায় পড়ে যেটা আপনি একটু আগে বলেছিলেন যে এখন সেটা আত্মহত্যা হলো। এই যে ২৪ বছর, ২৩ বছর পুরো বাংলাদেশের যে সালমান ভক্তদেরকে একটা বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলে দিয়েছিলেন আপনার কারণে। এই যে এটার মধ্যে কি কোন অপরাধবোধ মনে হয় না? ওই মুহূর্তে তো আমার বয়স তো ১৫ বছর। আমি তো বলেইছি ১৫ বছর আমার বয়স। ওই বয়সটায় আমি ছোটবেলা থেকে খুব একটু বিলাসিতায় বড় হয়েছি। বড় বড় মানুষজনদের সাথে আমার উঠাবসা, আমার আত্মীয়-স্বজনও আছেন, এখনও আছেন। আল্লাহ সবাইকে হায়াত দারাজ করুক। তো আমি শুধু এতটুকু বলতে চাই যে আমি যে কাজটা করেছি আসল আমি কাজটা মনে হয় ঠিক করিনি। আমাকে দিয়ে করিয়েছেন এবং যে করিয়েছেন তার বিচার হওয়া উচিত। এতটুকুই বলব। এখন উনার বিচার কে করবেন? আমার মনে হয় এমন কোনো মেজিস্ট্রেট দুনিয়াতে নেই উনার বিচার করবেন। কারণ উনি মানসিকভাবে অসুস্থ। আপনার এত অল্প বয়সে আপনাকে বিভ্রান্তমূলক বিভ্রান্ত করে আপনাকে আর্থিক লোভ দেখিয়ে যে চক্রান্তের মধ্যে ফেলে দেওয়া হলো আপনাকে জেল খাটানো হলো এর জন্য কোন প্রকার মামলা কিংবা বিচারের মুখোমুখি করাতে চান কিনা কাউকে? অবশ্যই আমি তাকে আইন আইনের আওতায় আনব। এজন্য আমাকে যতদূর যেতে হয় আমি যাব। ইনশাআল্লাহ এর বিচার একদিন হবেই। কি পদক্ষেপ নিচ্ছেন? প্রথমত আমি তো বাংলাদেশে যাচ্ছি নেক্সট উইক ইনশাআল্লাহ। তারপরে আপনার আমি মেজিস্ট্রেটের সাথে আলাপ করব। মিটিং করে তারপরে যে আইনের আওতায় কিভাবে তাকে আনা যায় আমি সেভাবে ব্যবস্থা দিব। কাকে? নীলা চৌধুরী। সালমান শাহর মাকে যে তুমি যে অন্যায়টা করেছো এটা তুমি কোর্টে স্বীকার করো। আমি তার মুখ দিয়ে স্বীকারোক্তি শুনতে চাই এবং সারা বাংলার মানুষ যেন শুনতে পারে যে একজন ভালো মানুষের মা এত খারাপ কিভাবে হয়।

[15:07]আপনি বলছেন যে নীলা চৌধুরীর রুমে আপনি ছিলেন, বেড এ আপনি ছিলেন। কি দেখেছেন অথবা কি কতটুকু চলাফেরা সম্পর্কে কতটুকু জানেন আপনি? উনার বাসাটা খুব গোছানো বাসা, উনি একজন সাংসারিক মহিলা খুব গোছানো বাসা। খুব দামি দামি আসবাবপত্র আছে বাসায়। তারপরে আপনার আরেও অনেক মানুষের ছবি ওয়ালে টানানো আছে। উনার হভি এটা অনেক বড় বড় মানুষজনদের যাদের ক্ষমতা আছে তাদের ছবি উনি সাথে ছবি তুলে ঘাড়ের উপর হাত দিয়ে খুব অন্তরঙ্গভাবে ছবি তুলে উনি উনার বাসায় রাখে। যেন বাইরে কোনো লোক এসে যেন এই ছবিগুলো দেখলে যেন বুঝতে পারে যে না আমি খুব ভালো একটা জায়গায় এসেছি এই মহিলা খুব ভালো।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript