Thumbnail for খবরের কাগজে লাজুর নাম উঠতেই সব সত্যি জেনে গেলো ঠাম্মি !! Review by TOLLYWOOD STUDIO PARA 2.0

খবরের কাগজে লাজুর নাম উঠতেই সব সত্যি জেনে গেলো ঠাম্মি !! Review

TOLLYWOOD STUDIO PARA 2.0

7m 55s1,216 words~7 min read
YouTube auto captions
Transcript source

YouTube auto captions

This transcript was extracted from YouTube's auto-generated caption track. The transcript below is server-rendered so it can be read, searched, cited, and shared without opening the original YouTube player.

Pull quotes
[0:01]তুমি যদি এরপরেও আবার কোন বাড়াবাড়ি করো, আবার যদি তোমার টাকার লোভ হয় তখন যদি তুমি বনলতা দিদির কাছ থেকে টাকা চাও, তখন কি হবে?
[0:01]তবে হ্যাঁ এটা কিন্তু ঠিক বনলতার থেকে তোকে অনেক বেশি দেখতে সুন্দর। তোর প্রতি আমার বেশ একটা আকর্ষণ আসছে, সেটা কি তুই জানিস?
[0:01]বলো আমার এই কথাটা জানাটা খুব জরুরি। আর ঠিক সেই মুহূর্তেই অনুভব বলে ফলো করার কি আছে?
[0:01]আর তখন বুঝতে পেরে যায় যে বনলতাই এই চুরিটা করেছে আর ঠাম্মিও নিজের ভুল বুঝতে পারে।
Use this transcript
Related transcript hubs

[0:01]খবরের কাগজে লাজুর গোয়েন্দাগিরির খবর বেরোতেই সব সত্যি জেনে গেল ঠাম্মি। সম্পূর্ণ জানতে হলে ভিডিওটিতে একটি লাইক করে দেখতে থাকো। গল্পের শুরুতেই দেখা যায় লাজু যখন খেতে বসেছিল তখন ফোন করেছিল মউকে। মউকের সাথে যখন ফোনে কথা বলতে লাজু ব্যস্ত আড়াল থেকে সবটা শোনার চেষ্টা করেছিল অনুভব। অনুভব বুঝতে পারে কোন একটা গন্ডগোল ঘটাচ্ছে এই লাজু। হয়তো লাজু প্রেম করছে, এমনটাই আন্দাজ করছিল অনুভব। ঠিক সেই মুহূর্তেই লাজু বলে এই শোনো, তোমাকে তোমার টাকাটা দিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু তুমি আর বনলতা দিদির পেছনে একদম লাগতে আসবে না, তাহলে কিন্তু খুব খারাপ হয়ে যাবে। বনলতা দিদি তোমাকে টাকাটা পাঠিয়ে দিয়েছে, আমি তোমাকে টাকাটা দিয়ে দেব কালকে। মনে থাকবে তো? তখন সেই মউক বলে আরে শোন তুই তাড়াতাড়ি করে টাকাটা নিয়ে চলে আয়। আমি আর বেশি কথা তোর সাথে বলতে চাইছি না। যতটা তাড়াতাড়ি সম্ভব চলে আয়। এর মধ্যেই ঠাম্মির ওষুধ দিতে গেছে অনু। অনু তখন বলে কি হয়েছে ঠাম্মি, তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে তুমি কোন কিছু একটা নিয়ে খুব আপসেট হয়ে আছো। ঠাম্মি তখন বলে আসলে লাজু আমার অভ্যাসটা খারাপ করে দিয়েছে। সবসময় আমার হাতের কাছে জিনিসগুলো এনে দিয়ে একদম আমাকে কুঁড়ে বানিয়ে দিয়েছে। কিন্তু আজকে ভালো লাগছে না, একদম মনটা খুব খারাপ। অনু তখন বলে আমি একটা কথা বলি ঠাম্মি, তুমি লাজুকে অবিশ্বাস করো না। লাজু কখনোই কোন খারাপ কিছু করতে পারে না। লাজুর প্রতি সেই বিশ্বাস আর ভরসা আমার আছে। ও একটা নিরপরাধ মেয়ে। জানিনা লাজু কাকে বাঁচাতে এই কাজটা করেছে। তবে ও একজন নিরপরাধ মানুষ। ও কখনোই চুরি করতে পারে না। ঠাম্মি ও গরীব হতে পারে, কিন্তু ও চোর নয়। আর সেটা আমি খুব ভালো মতন জানি। তুমি মনে করো যে লাজু চুরিটা করতে পারে, বলো না লাজু চুরি করতে পারে? আমার কিন্তু কখনোই এটা মনে হয় না। ঠাম্মি ভাবে লাজু যখন চুরি করেনি, তাহলে এই বাড়ির মানুষের মধ্যে কেউ তো একজন চুরিটা করেছে। কিন্তু সেটা কে লাজু জানা সত্ত্বেও বলেনি। এর মধ্যেই বনলতা শুয়ে শুয়ে খুবই কান্নাকাটি করতে থাকে আর বলে জানিনা এই ঝামেলা থেকে আমি নিজেকে কবে বার করতে পারবো। তবে দিনদিন এই ঝামেলা বেড়েই চলেছে। আমার মুক্তির পথ কোথাও হয়তো খোলা নেই। অন্যদিকে লাজু সেই পার্কে চলে গেছে, যেখানে মউকের সাথে দেখা করার কথা, টাকাটা দেওয়ার কথা। এরপরে লাজু পুলিশ অফিসারদেরকে বলে দেয় আমি এগিয়ে যাচ্ছি, আপনারা রেডি থাকবেন। লাজুর তো ভয় লাগে। কিন্তু তবুও লাজু ভাবে তাকে এই কাজটা করতেই হবে। এরপর মউক বলে ওহ তুই চলে এসেছিস, দে টাকাটা ঝট করে দিয়ে দে তো। লাজু তখন বলে টাকা তো আমি দেবই, কিন্তু তার আগে তুমি আমাকে একটা কথা বলো। তুমি যে এর পরে আর কোন ঝামেলা করবে না, তার কি কোন গ্যারান্টি আছে? তুমি যদি এরপরেও আবার কোন বাড়াবাড়ি করো, আবার যদি তোমার টাকার লোভ হয় তখন যদি তুমি বনলতা দিদির কাছ থেকে টাকা চাও, তখন কি হবে? এরপর মউক বলে এই শোন তোর সাথে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে এতগুলো কথা বলার সময় না আমার হাতে নেই। তাই এগুলি একদম করবি না। যেটা বলছি সেটা কর। দে টাকার ব্যাগটা আমার হাতে তুলে দে। কিন্তু লাজু কোনভাবেই টাকার ব্যাগ তুলে দিতে চায় না আর বলে আগে যেটা বললাম সেটা করো। লিখে দাও আমাকে যে তুমি আর কখনোই বনলতা দিদির পেছনে লাগবে না, আর কখনোই টাকা চাইবে না। আর যেই ছবিগুলো তুমি ছেড়েছো, সেগুলো সবটাই এআই দিয়ে বানানো। এই সব কিছু তোমাকে লিখে দিতে হবে, তবেই আমি তোমাকে টাকার ব্যাগটা দেব। এরপর অফিসাররা সমস্তটা ভিডিও করতে থাকে, অডিও রেকর্ড করতে থাকে। মউককে সবাই মিলে হাতে-নাতে ধরবে। যে উচিত শাস্তি মউককে দেওয়ার কথা সেটাই দেবে। এর মধ্যে মউক বারবার করে বলে এই শোন, তোর সাথে আমার অত লেনাদেনা নেই। তোর সাথে আমি এত দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কথা বলছি কেন? তবে হ্যাঁ এটা কিন্তু ঠিক বনলতার থেকে তোকে অনেক বেশি দেখতে সুন্দর। তোর প্রতি আমার বেশ একটা আকর্ষণ আসছে, সেটা কি তুই জানিস? তখনই লাজু বলে এসব আফাউ কথা বলা বন্ধ করবে? আমি তোমাকে কখনোই টাকা দিতে পারবো না। তাই তুমি আমার মতন মেয়ের সাথে প্রেমও করবে না। সেটা আমি খুব ভালো মতন জানি। তবে একটা কথা জেনে রাখো যে অন্যায় তুমি করছো তার শাস্তি তোমাকে পেতেই হবে। এরপরে আর কখনোই তুমি এই মুখটা আমাদের সামনে দেখাবে না। এরপর মউক বলে তোর সাথে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে এত বেশি কথা বলছি দে দে দে। কাগজপত্র জানিয়েছিস, দে আমি লিখে দিই। এরপরেই লাজু তার ব্যাগের মধ্যে থেকে কাগজটা বার করে দিয়ে দেয় আর তারপর মউক সেখানে লিখে সাইন করে দেয়। এরপরেই ব্যাগের মধ্যে খাতাটা ঢুকিয়ে চেন আটকে দেয় লাজু। মউক তখন বলে কি ব্যাপার, তুই আমাকে টাকাটা না দিয়ে ব্যাগে চেন আটকে দিলি? তখন অফিসাররা চলে এসেছে আর বলে টাকাটা আমরা দেবো। চল তোকে আজকে ফাইভ স্টার হোটেলে নিয়ে যাব। অনেক অন্যায় করেছিস, তার শাস্তি এইবারে তুই হাতে-নাতে পাবি। মউক কোনভাবেই অফিসারদের সাথে যেতে চায় না। লাজুর গলায় রীতিমতন অস্ত্র ধরে যাতে লাজুকে ঢাল করে সে এখান থেকে পালাতে পারে। কিন্তু সেখানে চলে এসেছে অনুভব। অনুভব এসে বেধড়ক মার মারতে শুরু করে মউককে। তিনজন অফিসারও অনুভবকে সামলাতে পারে না। লাজু বুঝে উঠতে পারে না কেসটা ঠিক কি ঘটে গেল। এরপরেই মউককে শাস্তি দেয় তারপর পুলিশের হাতে তুলে দেয়। মউক তখন হাসতে হাসতে যায় আর বলে ফিরে আসবো আমি, আর তখন তোমাদের দুজনকে জাবদ করবো। এর মধ্যেই অফিসার বলে লাজু, তুমি যা করে দেখালে আমি কোনদিনও ভুলতে পারবো না। তোমার সাহস অনেক বেশি। তুমি সারাটা জীবন ভালো থাকো অনেক বড় হও। এরপর অফিসাররা তো চলে যায়, তখনই অনুভব বলে কি করেছো তুমি? কি ব্যাপার লাজু, তুমি আমার প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছো না কেন? লাজু তখন বলে তুমি কি আজকাল আমার পেছন পেছন ফলো করছিলে আমাকে? বলো আমার এই কথাটা জানাটা খুব জরুরি। আর ঠিক সেই মুহূর্তেই অনুভব বলে ফলো করার কি আছে? আমি শুনেছিলাম তুমি একটা কাজ করতে বেরিয়েছ, আর বুঝতে পেরেছিলাম তুমি কোন বড়সড় বিপদে পড়তে পারো। তাই আমি তোমাকে বাঁচাতে এসেছি, আমি যদি ঠিক সময় বাঁচাতে না আসতাম কত বড় যে সমস্যা হতো সেটা আমি এখন খুব ভালো মতন বুঝতে পারছি। ওই ছেলেটা তোমার ক্ষতি করে দিত। তখনই বনলতার কথাই বলে লাজু, তুমি বনলতা দিদির মুখের দিকে কখনো তাকিয়েছো? বনলতা দিদি অনেক কষ্টে আছে। দয়া করে বনলতা দিদির অবস্থাটাও একবার বোঝার চেষ্টা করো। অনুভব বলে আমার কারোর অবস্থার বোঝার কোন দরকার নেই। আমি শুধু এইটুকু জানি যে তুমি তুমি অন্তত নিজেকে সুরক্ষিত রাখো। অলরেডি তো বাড়িতে সবার সামনে তুমি নিজের অপরাধ স্বীকার করেছ এরকম একটা ভাব নিয়ে ঘুরছ, অথচ তুমি কোন অপরাধ করোইনি। বারবার করে বলছি লাজু, আমি কিন্তু আর এই সমস্ত জিনিসগুলো সহ্য করতে পারছি না। আমারই চোখের সামনে তোমাকে সবাই মিলে অপমান করবে আর এটা আমি কোনভাবে মেনে নেবো না। লাজু বলে আমি এখান থেকে চলে যাব অনেক দূরে, সেটা আমি খুব ভালো মতন জানি। কয়েকদিনের মধ্যেই আমাকে একটা থাকার জায়গার ব্যবস্থা করতে হবে। এসব নিয়ে আমি আর ভাবছি না। তবে ওই ছেলেটা বনলতা দিদির অনেক বড় ক্ষতি করতে চেয়েছিল। আমি ওকে উচিত শাস্তি দিয়েছি এটাই আমার কাছে অনেক বড় ব্যাপার। ঠিক সেই মুহূর্তে অনুভব বলে কিন্তু তুমি যেটা চাইছো সেটা কি হবে? বনলতা কখনোই শুধরাবে না। ও আবারও নিজেকে বাঁচানোর জন্য অন্যকে বিপদে ফেলতে দুবারও ভাববে না। কিন্তু লাজু বলে যে সে সবসময় বনলতা দিদির পাশে থাকবে। বিপদে বনলতা দিদিকে সাহায্য করবে। লাজু এত বড় একটা গোয়েন্দাগিরি করেছে আর সেটাই খবরের কাগজে বড় বড় করে ছেপে দিয়েছে খবরের কাগজের লোকেরা। আর সেটাই বাড়ি বাড়িতে চলে গেছে আর চ্যাটার্জী বাড়িতেও গেছে। অনু খবরের কাগজটা পেয়ে লাজুর ছবি দেখে পুরো খবরটা পড়ে জানতে পেরে যায়। সবাইকে সবটা পড়ে শোনায় আর তখনই সবাই মিলে বিশেষ করে শর্মিলা আর স্ত্রী চেপে ধরেছে লাজুকে সত্যিটা বলার জন্য কাকে কাকে টাকা দেওয়ার জন্য চুরিটা করেছিল কে? আর তখন বুঝতে পেরে যায় যে বনলতাই এই চুরিটা করেছে আর ঠাম্মিও নিজের ভুল বুঝতে পারে।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript