[0:00]মাছগুলো মনে হয় দীর্ঘদিন ধরা না পড়ার কারণে হতাশায় নিজেরাই জেলের বাড়িতে ধরা দিতে যাচ্ছে।
[0:19]প্রথম দেখায় বোঝা কঠিন যে আসলে এই লোমস প্রাণীটা কি। আসলে এটা একটা লোমশ কুকুর। তেমন কিছু না। সাপটাকে সামান্য মদ খাওয়ানো হয়েছিল। মনে হয় তার নেশা লেগে গেছে।
[0:36]আসলে মানুষের উদ্ভাবনের শক্তির যেন কোন শেষ নেই। হ্যাঁ, কিছু মানুষ যেন সব পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নেয়।
[0:56]তার অস্বাভাবিক লম্বা চুল যেন গাছের শিকড়ের কথা মনে করিয়ে দেয়। অনেকের কাছে এটা আবার পাটের দড়িও মনে হতে পারে।
[1:16]আসলে তারা সুস্বাদু মাছি খেতে এসেছিল। আর এরপরেই বেঁধে যায় হট্টগোল।
[1:42]মনে হচ্ছে না বিড়ালটা রোবটটাকে দেখে কোন ভয় পাচ্ছে। বরং বেশ মজাই পাচ্ছে, যেন তার খেলার সাথেই কোন রিয়েল ডগ।
[2:00]যারা ভীড় দেখে ভয় পান, তারা ভুলেও কিন্তু এই ভবনের কাছে আসবেন না।
[2:11]সাধারণ মানুষের স্পর্শে প্রকৃতির সবসময় অপরনীয় ক্ষতিই হয়ে থাকে। কিন্তু এক্ষেত্রে প্রকৃতিকে যেন সে সুস্থ করে তোলে।
[2:28]একটা পিরানহা কি করতে পারে শুধু দেখুন।
[2:54]বলুন তো এটা বিড়াল নাকি কুকুর?
[3:06]এই গাছটার নিচে কি সত্যিই কোন প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ আছে? আপনার কি মনে হয়?
[3:23]পৃথিবীর একমাত্র সাদা জিরাফ যেটা দেখা যায় শুধুমাত্র কেনিয়াতে। তবে সেখানেও এই প্রজাতির জিরাফ কিন্তু বিলুপ্ত হতে চলেছে।
[3:47]বহুতল ভবনও কখনো কখনো ভেঙে ফেলতে হয়। তবে কখনো কখনো এই ধ্বংসযজ্ঞ যেন হয়ে ওঠে চিত্তাকর্ষক।
[4:42]একজন শিল্পী যে কতটা ক্রিয়েটিভ হতে পারে এই আর্টটাই যেন তার একটা জলজ্যান্ত উদাহরণ।
[5:13]আমার মনে হয় না তারা এই জার্নির কথা কোনদিন ভুলতে পারবে।
[5:36]মনে হয় কেউই বুঝি উঠতে পারছিল না যে ছেলেটা আসলে কি করতে চাইছে।
[5:58]কি অদ্ভুত একটা ইলুশন, তাই না?
[6:37]স্কুইড ছদ্মবেশ ধারণ করার জন্য বিখ্যাত। হ্যাঁ, তারা যেকোনো শিকারীকে এটা করে ধাঁধায় ফেলে দিতে পারে।
[7:23]এক্সকিউবেটর চালকের দক্ষতা সত্যিই দেখার মতো।
[8:22]আর এই পাইলটের দক্ষতা যেন হাততালি পাওয়ার যোগ্য।
[8:38]চলছে বানরদের প্রবল বিক্ষোভ।
[8:58]এই জায়গাটাতে একবার নিজেকে কল্পনা করুন। কি ভয়ানক!
[9:20]Pure Natural Disaster Blogger.



