[0:00]আসসালামু আলাইকুম। স্বাগতম জানাই তানভীর একাডেমির মাইক্রোসফট এক্সেল এর নতুন আরেকটি ভিডিওতে। আজকের ভিডিওটিতে আমরা এক্সেলের একটা ম্যাজিক্যাল ব্যবহার দেখব। ব্যবহারটি হল যারা দেখা যায় যে একই রিলেটেড ফাইল নিয়ে সব সময় কাজ করেন। তো দেখা যায় যে সেটাকে আপনার ফরম্যাটিং করতে হয়, তারপর ডাটা শর্টিং করতে হয়। অনেক কিছু করতে হয় আপনার। উদাহরণস্বরূপ স্ক্রিনে আপনারা যেটা দেখতে পারতেছেন যে আমি আমার রিয়েল লাইফ এক্সাম্পল থেকেই বলতেছি। আমাকে প্রতিদিন এরকম একটা ফাইল আমার একাউন্ট সেকশন থেকে আমাকে সবসময় দেয়া হতো। তারপর দেয়ার পরে এটাকে আমার খুব সুন্দরভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে তারপর আমার যারা সিনিয়র আছে তাদেরকে মেইল করা লাগতো, জুনিয়র আছে তাদেরকে মেইল করা লাগতো। তারপর এটা নিয়ে আবার আমার কি করা লাগতো? ডাটাকে রিপ্রেজেন্ট করা লাগতো। এই যে যাবতীয় কাজ প্রতিদিন আমাকে এই ফাইলটা দিত আর আমি এটাকে প্রতিদিন কি করতাম? আমরা যারা এই কাজটা জানতাম না তারা প্রতিদিন এটাকে আমরা হয়তোবা ফরম্যাটিং করতাম। আর আমি যে যে কাজগুলো বললাম সে গুলো আপনি করতেন। তো দেখেন আমার যে কাজটা আমি করতাম সেই কাজটা যদি এমন হয় যে আমি এখানে জাস্ট আসলাম মাউসের কারসার দিয়ে ফাইলটা আমাকে একাউন্টস থেকে দিলো। উপরে একটা টুল থাকবে, এই টুলটা আমি ক্লিক করলাম অটোমেটিক আমার ডাটাটা ফরম্যাটিং হয়ে গেছে। আমি এখানে টোটাল নামিয়ে ফেলেছি, তারপর যদি আমি একেবারে নিচে যাই নিচেও আমার টোটাল আছে। কিন্তু আগে সেটা আমার কি ছিল? উপরে কোন হেডিং ছিল না, টোটাল ছিল না, মানে সব আমার অন্যরকম ছিল। তো আবার দেখেন আমি এই শীটে এসেছি আসার পরে আমি এখানে যেকোন একটা জায়গায় ক্লিক করে জাস্ট এই যে উপরে একটা টুল আছে এটা যদি ক্লিক করি আমার ডাটাটাকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে ফেললো। ঠিক একইভাবে আমি যদি এখানে প্রতিদিন কেন প্রতি ঘন্টায় ঘন্টায়ও যদি দেয় কাজটা করতে যদি আপনার 10-15 মিনিটও লাগে আপনি সেই কাজটাকে জাস্ট একটা ক্লিক মারবেন এক থেকে দুই সেকেন্ডের ভিতরে হয়ে যাবে। বন্ধুরা আশা করি আজকের ভিডিওটিতে আপনারা কি শিখতে যাচ্ছেন বুঝতে পেরেছেন। তো এই রিলেটেড কাজ আমাদের প্রতিনিয়ত হয়তোবা করা লাগে যারা আমরা এই রিলেটেড সমস্যা অনেক সময় ফেস করি। তো আজকের ভিডিওটির মাধ্যমে আপনি সেই সমাধানটা পেয়ে যাবেন যদি ভিডিওটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দেখেন। আশা করি খুব সুন্দরভাবে বুঝতে পারবেন যে এই রিলেটেড সমস্যা পড়লে আপনি কিভাবে এটা সমাধান করতে পারবেন। তো এত সময় আমরা থিওরিক্যাল আলোচনা করলাম, এখন আমরা প্র্যাকটিক্যাল পার্টে চলে যাব। তো প্র্যাকটিক্যাল পার্টে চলে যাওয়ার আগে আপনাদেরকে একটি অ্যানাউন্সমেন্ট দিচ্ছি। আমাদের মাইক্রোসফট অফিস অনলাইন লাইভ কোর্সের 16 তম ব্যাচের ভর্তি কিন্তু একদম শেষের দিকে হাতেগোনা কয়েকটি দিন বাকি আছে। তো যারা ভর্তি হতে চান এই ভিডিওর ডিসক্রিপশন বক্সে দেখবেন আমাদের কোর্সের লিংক আছে দ্রুত এডমিশন নিয়ে নেন আসন সংখ্যা খুবই সীমিত। আর অনেকেই আছে ডিসক্রিপশন বক্স কোথায় থেকে খুঁজে পান না তাদের জন্য এই স্ক্রিনে দেখবেন দুটি নাম্বার আছে। আপনি মোবাইল থেকে একটি নাম্বারে এসএমএস করতে পারবেন, আরেকটি নাম্বারে আপনি হোয়াটসঅ্যাপ থেকে এসএমএস করতে পারবেন। তো অবশ্যই এসএমএস করবেন কেউ ফোন দিবেন না এসএমএস করলে আমরা ফিরতি এসএমএসে আমাদের কোর্সের লিংকটি দিয়ে দেবো। সেখানে ক্লিক করলে আপনি কোর্স সম্পর্কে যাবতীয় সকল ইনফরমেশন পেয়ে যাবেন। তো আপনি যদি কর্মক্ষেত্রে নিজেকে সবার সেরা হিসেবে উপস্থাপন করতে চান আমি মনে করি আমাদের এই কোর্সটি আপনার জন্যেই। তো চলুন আজকের ভিডিওর প্র্যাকটিক্যাল পার্টে যাই। রিবন বার থেকে চলে যাবেন ডেভেলপার মেনুতে। যাদের এই ডেভেলপার মেনু নেই কিভাবে আনবেন? চলে যাবেন ফাইল মেনুতে, সেখান থেকে নিচ থেকে অপশনসে যাবেন। এখান থেকে কাস্টমাইজ রিবনে ক্লিক করবেন, ডানপাশে দেখবেন ডেভেলপার আছে এখানে এই চেক বক্সের একটা টিক দিয়ে দিবেন। তারপরে ওকে দিয়ে দেবেন। আপনার ডেভেলপার মেনু চলে আসলো। ওকে, আমরা এই আমাদের ডাটার যেকোনো একটা সেলে আমরা মাউসের কারসারটি রেখে ডেভেলপার মেনু থেকে বাম পাশে দেখবেন কোড নামে যে সেকশনটি আছে এখানে আমরা রেকর্ড ম্যাক্রো এই যে টুলটি আছে এটা ক্লিক করব। রেকর্ড ম্যাক্রো তে ক্লিক করার সঙ্গে সঙ্গে আমার সামনে একটা ডায়লগ বক্স আসবে, ম্যাক্রোর নাম দিতে বলতেছে। এই রিলেটেড ফাইল নিয়ে যেহেতু আপনারা সবসময় কাজ করা লাগে, তো এই ম্যাক্রোটার একটা নাম দিয়ে দেন। আমি এই ম্যাক্রোটার নাম দিচ্ছি ধরেন নিউ আন্ডারস্কর দিবেন সবসময় আন্ডারস্কর ছাড়া কিন্তু সেকেন্ড যে ওয়ার্ডটা সেটা কিন্তু হবে না। নিউ ভিডিও দিলাম দিয়ে স্টোর ম্যাক্রো ইন এখানে। এই অ্যারোতে ক্লিক করে এখান থেকে করে দিবেন পার্সোনাল ম্যাক্রো অরক বুক এটা করে দিবেন। তারপরে ওকে দিবেন। ওকে দিলে এখন দেখেন আমাদের এখানে স্টপ ম্যাক্রো একটা অপশন আসছে অর্থাৎ আমাদের ম্যাক্রো রেকর্ডিং কিন্তু শুরু।
[5:07]আর এই নিচে যদি আমরা তাকাই এখানেও কিন্তু লেখা আছে রেডি। ওকে, এখন এই শিটটার ভিতরে আপনি কি কি করতে চান? আপনার কি কি এই শিটের ভিতর সব সময় করতে হয়, সেই কাজটা এখন করেন। প্রথম অবস্থায় আমার কি করতে হবে? আমার উপরে আমি একটা টাইটেল দেব ইনসার্ট দিলাম। এখানে আমি একটা হেডার দিব সিলেক্ট করে মার্জান সেন্টার করে দিলাম এবং এখানটায় আমি দিচ্ছি তানভীর একাডেমি। শিটটাকে আমি এই ফন্ট এরো তে গিয়ে আমি একটা গ্রেডিয়েন্ট ফিল কালার দিয়ে দিই মানে এর যে ফিল ইফেক্ট কালার। এটা ধরেন আমি দিয়ে দিচ্ছি এখান থেকে এটা, যারা এটা জানেন না তারাও এখন শিখে গেলেন যে কিভাবে একটা গ্রিডিয়েন্ট ফিল কালার দিয়ে দেয়। এখানে দিলাম বোল্ড করে দিলাম ফন্টটাকে বড় করি অর্থাৎ লেখাটাকে এবং আমি দিলাম।
[6:29]তারপর আমরা আমার এই শিটের যে কাজটা টোটাল বের করি। T O T A L টোটাল নামে আমার একটা বের করতে হবে প্রতি মাসে। টোটাল এখানে আসলাম, এখানে এসে সাম করতে হবে। এস ইউ এম সাম, সাম কোনটার করতে হবে? আমার এই যে এটা, প্রত্যেকটা আইটেমের সেলস। এইটা হলো আমার টোটাল সেলস এখন এটাকে যদি আমি ড্রাগ করে দিই নিচ পর্যন্ত আমার সব জায়গায় সেলস বের হয়ে যাবে। এইটার মার্জান সেন্টার এই পর্যন্ত একটু টেনে নিয়েছি মার্জান সেন্টারে ক্লিক করে আবার ক্লিক করি চলে আসলো। এরপরে আমাদের যেই কলমের উইথটা আমরা ঠিক করে নিই।
[7:29]তারপর আমরা এখান থেকে সিলেক্ট করে কন্ট্রোল শিফট ডাউন বাটন প্রেস করে একেবারে নিচ পর্যন্ত আসলাম। 725 টা আমাদের এখানে রো আছে আমরা টোটালকে অল বর্ডার করে দিলাম। তারপর জোন নেম এখানে আমরা এটাকে বোল্ড করে দিচ্ছি। জাস্ট ফরম্যাট করতেছি আপনারা বুঝতে পারতেছেন বিষয়টা নাই।
[7:59]12 করে দিলাম। ফুলটা আবার আমরা করে দিচ্ছি এভাবে থাকলো।
[8:14]তারপর আমরা এই হেডারটাকে আমরা একটু মানুষ করি অর্থাৎ এটাকেও একটা ফরম্যাট দিই আমরা ধরেন এই কালারটি দিলাম ফন্ট কালার করে দিই সাদা। দেখেন কালারটা আরেকটা দিয়ে দিই এখানে গিয়ে এই কালারটা দিয়ে দিলাম।
[8:41]ওকে আমরা এটা করলাম এখন আমরা একেবারে শীটের নিচে চলে যাই। আমার এখানে নিচে চলে আসলাম এখন এইখানে নিচে এসেও যদি আপনি কিছু করতে চান, এখানেও আমি এতটুকুন সিলেক্ট করে মার্জান সেন্টার করে এখানেও টি ও টি এ এল টোটাল নামে একটা আমার করতে হয়। আর এখানেও আমি এস ইউ এম সাম করতেছি।
[9:12]সামকে কল করে আমরা যে কাজটি করব আমরা একদম উপরে চলে যাই। এইখান থেকে অনেকটা সময় নিবে আমি এই যে চলে আসলাম। দিয়ে এসে জাস্ট এন্টার বাটন প্রেস করে দিলাম। এখন এটাকে আবার এভাবে টেনে আপনি এখানে নিয়ে আসতে পারেন। এটাকে এখন আমরা ফরম্যাট করি, সিলেক্ট করলাম অল বর্ডার দিলাম।
[9:47]একটা কালার দিতে পারেন, বোল্ড করে দেন, ফন্ট সাইজটা বাড়িয়ে দেন। 12 করে দিলাম। ফন্ট আমরা সাদা করে দিলাম।
[10:02]ওকে, আমরা এইটা করলাম এখন এই শীটটা কি করতে হয় আপনার বসকে বা যেকোন কাউকে আপনি রিপ্রেজেন্ট করার জন্য শীটটা এভাবে প্রস্তুত করলেন। আমরা ডেভেলপার মেনুতে গিয়ে স্টপ রেকর্ডিং করে দিই মানে এটা স্টপ করে দিলাম এখন আমাদের রেকর্ডের কাজ শেষ। এই যে কাজটা করলেন এই কাজটা করতে কিন্তু আমার মোটামুটি আপনারা এই দেখলেন কতটা সময় লাগলো। আপনারা হয়তোবা আরও অনেক বেশি কাজ থাকতে পারে।
[10:41]এখন এখানে যেই কাজটা আমরা করলাম প্রতি মাসে ধরেন আমার প্রতি মাসে প্রতি সপ্তাহে প্রতিদিনও হতে পারে সেম এরকম একটা ফাইল কোম্পানি থেকে আপনাকে প্রতিদিন পাঠায়। সেম তো এখন দেখেন আমি যেই কাজটা করলাম আমরা এরকম শিট যদি এখন আমার 1000 টাও আসে কোন সমস্যা নেই। জাস্ট এর এরকম ভাবে এখানে আসলেন এসে উপর থেকে ডেভেলপার মেনুতে গেলেন ম্যাক্রোতে গেলেন ম্যাক্রোতে ক্লিক করলেন এখান থেকে এই যে নিউ ভিডিও আমরা যে ম্যাক্রোটা রেকর্ড করছি নিউ ভিডিও নাম। জাস্ট রানে ক্লিক করেন। কি হলো ম্যাজিক না? আপনি এই এই শীটে যান এই শীটে গিয়ে ধরেন এখানে কিছু ভ্যালু চেঞ্জ করে দিন। আমি ধরেন এখানে কিছু নাই আমি সব ডিলিট করে দিলাম। এখানে যা আছে সব ডিলিট করে দিলাম।
[11:47]কোথায় যাব? ম্যাক্রোতে গেলাম এখান থেকে নিউ ভিডিওতে গেলাম রানে ক্লিক করলাম।
[11:58]দেখেন আমার ফরম্যাটটা হয়ে গেছে এখানে ডাটা না থাকলেও আমার কিন্তু কোন সমস্যা নেই। তো বিষয়টাকে আসলে আমি মনে হয় আপনাদের বুঝাতে পারছি। আমার কথা হলো যে এই যে ম্যাক্রোতে যেটা আমরা ব্যবহার করলাম এখন এটা কি বারবার আপনি এখানে এসে এইটা ব্যবহার করবেন নাকি এটাকে যদি চান যে এই কুইক এক্সেস টুলবারে একটা আইকন দিয়ে যদি রেখে দিই সেটারও বেটার হয় না? জাস্ট ওখানে ক্লিক করবেন আর কাজ হয়ে যাবে। ধরুন আমি এগুলো থেকে সব আমি সিলেক্ট করলাম। হোমে গেলাম, ক্লিয়ারে গিয়ে আমি ক্লিয়ার ফরম্যাট করে দিলাম। আমার টোটালটা আমি ডিলিট করে দিলাম ধরুন আমার টোটালটা তো ছিল না। আর তানভীর একাডেমিও আমার ছিল না ডিলিট করে দিলাম। আমার অফিস থেকে আমাকে ফাইলটা এভাবে দেয়। ওকে আর নিচের দুটো আমি সিলেক্ট করে ডিলিট করে দিই। ডিলিট করে দিয়ে আমি এটার কয়েকটা কপি করি এখন মুভ অন কপি তে গিয়ে আমি করে দিই এটা দিলাম। আমি মুভ আর কপিতে গিয়ে কয়েকটা কপি তৈরি করে ফেলাম। ওকে এখন যেটা করবেন ম্যাক্রো তো আপনি অলরেডি রেকর্ড করছেন। ওই ম্যাক্রোটাকে এখন আমি এই কুইক এক্সেস টুলবারে এখানে রাখবো। তাহলে আপনি যে কাজটি করবেন ফাইলে যাবেন, অপশনসে যাবেন।
[13:41]এখান থেকে কুইক এক্সেস টুলবার এটা ক্লিক করবেন। এই বক্স থেকে এখান থেকে আমরা ম্যাক্রোসে ক্লিক করব আর যেই নামে সেভ করছিলাম কি নামে? নিউ ভিডিও এই যে। এড করে দেন এটার একটা আইকন দিয়ে দেন আপনি যদি পারেন মডিফাই তে ক্লিক করে এখান থেকে কি আইকন দিতে চান? আমি ধরেন এটাকে এই ব্যাচটা দিয়ে দিই এই ব্যাচ দিয়ে আমি ওকে করে দিলাম। দিয়ে এখন ওকে দিলাম দেখেন এইটা হলো আমার এই যে ম্যাক্রোটা। সেটার নাম হলো নিউ ভিডিও। ওকে এভাবে আমরা যদি এই ফাইলটাকে এখন ধরেন আমি কোথাও সেভ করতেছি সেভ অ্যাজ দিলাম। ব্রাউজে গিয়ে আমি সেভ করে দিই। না হলে কিন্তু এই ম্যাক্রোটা এখন যদি ভিডিও স্কিপ করে দেন বুঝতে পারবেন না কিন্তু। ডেস্কটপে আমি এটাকে সেভ করে দিলাম।
[14:52]এভাবেই থাকো। ক্লোজ করে দেন। ক্লোজ করে দিলে একটা দেখেন একটা ওয়ার্নিং দিবে আপনাকে এইটা কিন্তু খুব সাবধানের সাথে দেখবেন। কখনো ডন্ট সেভ দিবেন না। ডু ইউ ওয়ান্ট টু সেভ দা চেঞ্জ ইউর মেড টু দা পার্সোনাল ম্যাক্রো অরক বুক? মানে আপনি কি এটা সেভ করতে চাচ্ছেন? অবশ্যই এটাকে সেভ করে দিবেন এই লেখাটি আসলে। অবশ্যই অবশ্যই সেভ করে দিবেন। আমি সেভ করে দিলাম। ফাইল ক্লোজ হয়ে গেল। আমার এই ফাইলটি কোথায় ছিল? এই যে ডিলার ওয়াইজ বাজেট এটা ক্লিক করেন।
[15:30]এটা ক্লিক করে আমি ফাইলটি ওপেন হচ্ছে আমার দেখেন।
[15:36]এখন আপনি যেখানে যান ক্লিক করলাম।
[15:42]এই ম্যাক্রো এটা ক্লিক করেন।
[15:48]ওয়াও ম্যাজিকের মত কাজ করতেছি কিন্তু আবার যান। এখানে গিয়ে যদি আমি এইখানে যাই এখানে গিয়ে জাস্ট এইটাই যদি আমি ক্লিক করি।
[16:05]ওয়াও অটোমেটিক আমার সব হয়ে গেল। দেখতে পারলেন?
[16:13]ভ্যালু পরিবর্তন থাকলেও কোন সমস্যা নাই। আপনার এখানে নাম্বারে ভ্যালু পরিবর্তন থাকলেও কোন প্রবলেম নাই। তো আশা করি ভিডিওর মূল টপিকটি আপনারা বুঝতে পেরেছেন। যদি ভিডিওটি বিন্দুমাত্র উপকারে এসে থাকে প্লিজ ভিডিওটিতে একটা লাইক দিবেন। আপনার মূল্যবান মতামতটি জানাতে ভুলবেন না। সবাই ভালো থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।



