Thumbnail for IELTS এ ভালো Score করার Step by Step Guidelines | IELTS Course by Munzereen Shahid by 10 Minute School

IELTS এ ভালো Score করার Step by Step Guidelines | IELTS Course by Munzereen Shahid

10 Minute School

15m 16s2,704 words~14 min read
Auto-Generated

[0:00]অনেকে হয়তোবা বিদেশে যাওয়ার জন্য কেউ কেউ হয়তোবা বিদেশে সেটেল হওয়ার জন্য কেউ কেউ হয়তোবা কিংবা চাকরির জন্য আইএলটিএস দেওয়ার কথা ভাবছেন এবং একটা মন মতো আইএলটিএস স্কোরও পেতে যাচ্ছেন।

[0:10]আপনাদের সবার উদ্দেশ্যেই এই ভিডিওটা তৈরি করা যাতে করে আপনারা বুঝতে পারেন যারা যারা এই বছর আইএলটিএস দেওয়ার কথা পরিকল্পনা করছেন কিভাবে আপনারা আপনাদের মন মতো আইএলটিএস স্কোরটি পেতে পারেন।

[0:21]একদম প্রথমে আপনাদেরকে যেটা বলতে চাই সেটা হচ্ছে একটু চিন্তা করে নিন যে আপনার পারফেক্ট আইএলটিএস স্কোরটা কত?

[0:27]আপনি কি কারণে আইএলটিএস দিচ্ছেন সেটার উপরেই কিন্তু নির্ভর করবে আপনার পারফেক্ট আইএলটিএস স্কোরটি কত।

[0:34]আপনি হয়তোবা বিদেশে পড়তে যেতে চাচ্ছেন যেই ইউনিভার্সিটিতে পড়তে যেতে চাচ্ছেন তাদের মিনিমাম রিকোয়ারমেন্ট কত?

[0:39]আপনি যদি বিদেশে চাকরি করতে যেতে চান সেক্ষেত্রে আপনার মিনিমাম রিকোয়ারমেন্ট কত?

[0:44]যেই কারণেই আপনি আইএলটিএস দেন না কেন আপনার কিন্তু একটা মিনিমাম রিকোয়ারমেন্ট থাকবে যেই রিকোয়ারমেন্টটা মিট করতে পারলে মোটামুটি ইউআর সেট মানে আপনি মোটামুটি এগিয়ে যেতে পারবেন।

[0:53]সো আপনার কতটুকু স্কোর প্রয়োজন বা কত স্কোর আসলে আপনার লাইফটাকে ইজি করে দিবে সেটা একটু ভেবে দেখবেন।

[1:00]আপনার যেই স্কোরটা প্রয়োজন সেইটা ডিসাইড করার পরেই কিন্তু আপনাকে আপনার কারেন্ট লেভেলটাও যাচাই করতে হবে।

[1:07]কিভাবে আমরা সেটা করতে পারি? ধরেন আপনি চিন্তা করলেন যে আপনার জন্য পারফেক্ট একটা আইএলটিএস স্কোর হবে সেভেন।

[1:14]এরপরে আপনি কয়েকটা মক টেস্ট দিবেন তিন থেকে চারটা বা টোটাল পাঁচটা মক টেস্ট দিবেন এবং দিয়ে দেখেন যে আপনার কারেন্ট লেভেলটা কত।

[1:25]আপনি কোন ব্যান্ডে স্কোর করতে পারছেন আপনি যদি সিক্স পান তাহলে আপনার সিক্স থেকে সেভেনে উঠার প্রিপারেশন নিতে হবে আপনি যদি সিক্স পয়েন্ট ফাইভ পান সিক্স পয়েন্ট ফাইভ থেকে সেভেনের উঠার প্রিপারেশন নিতে হবে।

[1:34]সো আপনার কারেন্ট লেভেলটা কত সেটা একটু অ্যাসেস করে নেন।

[1:39]এরপরে আমরা তো কথা বললামই যে আমাদের যেই গ্যাপটা আছে আমার কারেন্ট লেভেলের মধ্যে এবং আমি যেই স্কোর পেতে চাই সেই স্কোরের মধ্যে যেই গ্যাপটা আছে সেই গ্যাপটা কতটুকু আমরা একটু দেখবো এবং আমরা আমাদের প্রিপারেশনটাও সেভাবে নেওয়ার চেষ্টা করব।

[1:53]আরেকটা জিনিস যেটা মাথায় রাখতে হবে সেটা হচ্ছে আপনাদের প্রিপারেশন টাইম যাতে কোনভাবেই খুব কম না হয় একদম লাস্ট মিনিটের জন্য আপনার আইএলটিএস প্রিপারেশনটা রেখে দিবেন না তাহলে কিন্তু খুব বড় একটা চান্স আছে যে আপনি আপনার মন মতো আইএলটিএস স্কোরটি পাবেন না।

[2:07]আগে থেকে প্ল্যান করবেন প্ল্যান আহেড সো দ্যাট আপনার যেই প্রিপারেশন টাইমটা আছে সেটা আপনার স্কিল ওয়াইজ যথেষ্ট হয়।

[2:14]অনেকের জন্য কিন্তু এক মাসের একটা প্রিপারেশন টাইম যথেষ্ট হয় আবার অনেকের জন্য তিন মাসের প্রিপারেশন প্রয়োজন।

[2:19]অনেকের আবার দুই তিন সপ্তাহের মধ্যে প্রিপারেশন নিয়ে নেওয়া সম্ভব।

[2:22]সো এটা কিন্তু একেক মানুষের জন্য একেক প্রিপারেশন টাইম পারফেক্ট হয় সো প্লিজ হাতে যথেষ্ট টাইম রাখবেন যাতে আপনি আপনার কারেন্ট লেভেলটা প্রপারলি এসেস করতে পারেন এবং আপনার মন মতো আইএলটিএস স্কোর পাওয়ার জন্য যাতে আপনার হাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ সময় থাকে প্রিপারেশন নেওয়ার।

[2:37]এখন আমরা আগাবো হচ্ছে কিভাবে আমরা আইএলটিএস এর স্পেসিফিক সেকশনগুলোতে আর একটু বেটার করতে পারি।

[2:42]প্রথমেই কথা বলবো লিসেনিং নিয়ে। লিসেনিং এর একটা খুবই খুবই ইউজফুল ট্রিক হলো প্রত্যেকদিন একটু একটু করে ইংলিশ অডিও শোনা বা ইংলিশ শোনা।

[2:52]কারণ খেয়াল করে দেখবেন আমরা বেশিরভাগ আমরা স্পেশালি যারা বাংলাদেশীরা আছি আমাদের কিন্তু দৈনন্দিন জীবনে তেমন একটা ইংলিশ প্রয়োজন হয় না আমরা কিন্তু বেশিরভাগ সময় বাংলায় কথা বলছি।

[3:00]আমরা কিন্তু ইংলিশ শুনতে খুব একটা বেশি অভ্যস্ত না।

[3:05]এই যে আমরা ইংলিশের অডিও শুনতে বা ইংলিশ শুনতে অভ্যস্ত না এটার কারণেই কিন্তু আমাদের অনেক ডিফিকাল্টি হয় লিসেনিং টেস্টে।

[3:12]কিভাবে আমরা লিসেনিং এ তাহলে ভালো করতে পারি আমরা বেশি বেশি করে ব্রিটিশ অ্যাকসেন্ট স্কটিশ অ্যাকসেন্ট আইরিশ ইংলিশ বা অস্ট্রেলিয়ান অ্যাকসেন্ট এই ধরনের অ্যাকসেন্টগুলোই বেশি এসে থাকে লিসেনিং টেস্টে এগুলো সথে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন।

[3:25]এর পরবর্তীতে লিসেনিং এ যেই কমন ধরনের প্রশ্নগুলো এসে থাকে সেটা নিয়ে আমরা একটু পরিচিত হব।

[3:31]যেমন লিসেনিং এ একদম শুরুতে সাধারণত ফর্ম কমপ্লিশন এসে থাকে।

[3:36]তারপরে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় এমসিকিউ কোশ্চেন আসে, ফিল ইন দা গ্যাপস আসে আরও অনেক ধরনের লিসেনিং এর টাস্ক কিন্তু খুবই কমন।

[3:41]সো এই যে কমন টাইপের লিসেনিং এর কোশ্চেনসগুলো আছে এগুলোর সাথে আমরা যথেষ্ট ইউজড টু হয়ে যাব যাতে আমাদের এক্সাম হলে গিয়ে কোন কিছু নতুন না মনে হয়।

[3:50]সবকিছুই যাতে দেখলে আমরা মনে করি যে আচ্ছা হ্যাঁ এটা তো আমি জানি বা এই টাইপের কোশ্চেন তো আমি প্র্যাকটিস করে এসেছি।

[3:57]প্র্যাকটিসের কথা যখন বলছি আপনাদের জন্য লিসেনিং এর নেক্সট টিপটা হচ্ছে বেশি বেশি করে লিসেনিং প্র্যাকটিস করবেন।

[4:04]যত বেশি আপনারা অডিও শুনে লিখবেন আনসার করবেন আনসার খুঁজে বের করবেন তত বেশি আপনারা লিসেনিং এর ওভারঅল টেস্টের সাথে ইউজড টু হবেন বা পরিচিত হবেন এবং এক্সাম হলে গিয়ে ততই আপনার নিজের সেলফ কনফিডেন্স থাকবে যে না আমি সবকিছু প্র্যাকটিস করে এসেছি আমি আনসার করতে পারবো।

[4:20]এক্সাম হলে আমাদের অনেকেরই কিন্তু একটা খুব বড় ডিফিকাল্টি হয় সেটা হচ্ছে যে আমরা যে অ্যাকসেন্টটা শুনছি ওই অ্যাকসেন্টটার সাথে পরিচিত না হয় আমরা ওরা কি বলছে বুঝতে পারছি না হেনসামরা আনসার করতে পারছি না উইদিন টাইম।

[4:34]লিসেনিং টেস্টে কিন্তু খেয়াল রাখবেন টানা অডিও চলতে থাকবে অডিও কিন্তু রিপ্লে করার কোন সুযোগ নাই পজ দেওয়ার কোন সুযোগ নাই।

[4:41]একবারই আপনি শুনতে পারবেন এবং সেই একবারেই আপনাকে পুরো লিসেনিং টেস্টটা আনসার করে শেষ করতে হবে।

[4:46]শেষে আপনাকে ১০ মিনিট টাইম দিবে আবার ঐ ১০ মিনিট টাইমে আপনি আনসার ট্রান্সফার করার জন্য পাবেন সেই টাইমে কিন্তু আবার অডিও শোনার কোন সুযোগ নাই।

[4:55]সো এই একবারেই যেহেতু আমাদের করতে হবে পুরোটা আনসার যত বেশি আমরা লিসেনিং এর সাথে ইউজ টু থাকবো ততই আমাদের জন্য ভালো।

[5:01]এরপরে চলে আসি রিডিং এ। রিডিং এর ক্ষেত্রে আপনাদের জন্য সবচেয়ে ইম্পরট্যান্ট এডভাইস হচ্ছে যত বেশি আপনারা ইংলিশ রিডিং প্র্যাকটিস করবেন তত আপনাদের রিডিং স্কিলটা বেটার হবে।

[5:11]খেয়াল রাখবেন আইএলটিএস রিডিং এ কিন্তু শুধুমাত্র যে ইংরেজি দক্ষতাই অ্যাসেস হবে তা কিন্তু না।

[5:18]এখানে কিন্তু আপনাদের রিডিং স্কিলটা অনেক অ্যাসেস হবে। কিছু কিছু প্রশ্নের জন্য যেমন আমরা স্পিড রিডিং করে অ্যানসার বের করতে পারব, কিছু কিছু প্রশ্নের জন্য আমাদের স্ক্যানিং করতে হবে, কিছু কিছু প্রশ্নের জন্য আমাদের স্কিমিং করতে হবে।

[5:28]সো এটা কিন্তু একেক ধরনের প্রশ্নের জন্য একেক ধরনের রিডিং টেকনিক আমাদের কাজে লাগাতে হবে যেই টেকনিকগুলো সম্পর্কে আমরা আরও বেশি ধারণা পাবো এবং টেকনিকগুলো আমাদের আরও আয়ত্তে আসবে যত বেশি আমরা রিডিং প্র্যাকটিস করি।

[5:41]সো নাম্বার ওয়ান টিপ হচ্ছে রিডিং আমাদের প্র্যাকটিস করতে হবে।

[5:46]তারপরে আপনাদের যাতে সেই যেই টিপটা শেয়ার করতে চাই সেটা হচ্ছে আমরা রিডিং এর সময় বা আমরা যখন একটা প্যাসেজ পড়ছি যে কোন কিছু পড়ছি আমরা দেখা যায় অনেক সময় এমন কিছু কিছু শব্দ খুঁজে পাই যেই শব্দের অর্থ আমাদের জানা নেই বা শব্দটা আসলে কি কি ভাবে ব্যবহার করা হয় সেটাও আমাদের জানা নেই।

[6:00]সো এই ধরনের যেই ডিফিকাল্ট ওয়ার্ডসগুলো আপনি ফেইস করবেন আপনার রিডিং প্র্যাকটিসের সময় সেই ওয়ার্ডসগুলো কোন একটা জায়গায় টুকে রাখবেন সেই ওয়ার্ডসের অর্থগুলো সেই শব্দের অর্থগুলো কোন একটা জায়গায় উঠিয়ে রাখবেন এবং সেই শব্দগুলো কি কি ধরনের বাক্যে ব্যবহার করা হয় সেটাও কোন একটা জায়গায় টুকে রাখবেন।

[6:16]তাহলে যেটা হবে হচ্ছে যে আপনারা এই ওয়ার্ডগুলো কি কি পরিস্থিতিতে ব্যবহার করা যাবে সঠিক ব্যবহার কি অর্থ কি সবকিছু আপনাদের মাথায় থাকবে।

[6:24]এরপরে আপনাদের সাথে যেই টিপটা শেয়ার করতে চাই সেটা হচ্ছে একই কথা কতভাবে বলা যায় বা একটা শব্দের পরিবর্তে কতগুলো শব্দ ব্যবহার করা যায় এটা সম্পর্কেও একটু ধারণা রাখবেন।

[6:43]সিনোনিমাস ল্যাঙ্গুয়েজ বলি আমরা এটাকে দেখা যায় না একটা শব্দকে একটা শব্দের অনেকগুলো সিনোনিম থাকে তাই না?

[6:49]সো ওই শব্দ একটা শব্দের কত ধরনের সিনোনিম হতে পারে বা একই কথা একই ফ্রেজ আর কি কি ফ্রেজ ব্যবহার করে বলা যেতে পারে এটা সম্পর্কেও আপনাদের দক্ষতা যত ভালো হবে আপনারা রিডিং টেস্টে অনেক ভালো করার সুযোগ পাবেন।

[6:58]কারণ রিডিং টেস্টে কিন্তু একটা জিনিস এসে থাকে আপনাকে প্রশ্ন একটা জিনিস বলা হয় এবং অপশনসে কিছু অপশনস দেওয়া হয় যে অপশনসগুলো অনেক ক্ষেত্রে আপনার প্যাসেজকে প্যারাফ্রেজ করে দেওয়া হয় মানে প্যাসেজে আপনারা যেই শব্দগুলো পাবেন হুবহু সেই শব্দগুলো আপনারা কিন্তু প্রশ্নের অপশনস এ বা প্রশ্নে নাও পেতে পারেন কিন্তু তাদের অর্থ কিন্তু একদম সেম হবে।

[7:18]সো আপনারা যত বেশি প্যারাফ্রেজিং এর সাথে ইউজড টু থাকবেন ততই আপনাদের স্কোর ভালো করার সুযোগ আছে।

[7:22]আরেকটা টিপ যেটা রিডিং নিয়ে আপনাদেরকে দিতে চাই সেটা হচ্ছে ওভারঅল রিডিং সেকশনের জন্য আপনারা যত বেশি পারেন তত বেশি প্র্যাকটিস করবেন।

[7:30]প্র্যাকটিস করলে ডিফরেন্ট যেই টাইপস অফ কোয়েশ্চনস এসে থাকে সেই কোয়েশ্চনসগুলো দ্রুত কিভাবে আনসার করা যায় সেগুলো আমরা বুঝতে পারবো প্যারাফ্রেজিং সম্পর্কে ধারণা পাবো রিডিং এ যত বেশি আমরা প্র্যাকটিস করবো আমাদের টাইমটাও কিন্তু আরও বেটার হয়ে আসবে কারণ রিডিং এ কিন্তু আপনাদেরকে ৬০ মিনিটের মধ্যে অনেক কিছু করতে হচ্ছে আলাদা কোন ট্রান্সফার টাইমও দেওয়া হচ্ছে না সো টাইম ইজ ভেরি লিমিটেড।

[7:49]সো একবারেই যেহেতু আমাদের করতে হবে পুরোটা আনসার যত বেশি আমরা লিসেনিং এর সাথে ইউজড টু থাকবো ততই আমাদের জন্য ভালো।

[8:00]আমরা যেহেতু একটা প্যাসেজ পড়ার কথা বললামই প্যাসেজ পড়ার সময় আপনারা কিন্তু আপনাদের স্পিকিং স্কিলটাও আরও ভালো করে তুলতে পারবেন।

[8:07]কিভাবে জানেন? যখন আপনারা রিডিং এর জন্য একটা প্যাসেজ পড়ছেন ওই প্যাসেজটাকে একটু জোরে জোরে পড়েন একটু জোরে পড়েন রিড দেম অ্যালাউড।

[8:15]এটা করলে যেটা হবে হচ্ছে যে আপনি একইসাথে আপনার রিডিং তো বেটার করছেনই আপনি আপনার স্পিকিংটা আরও বেটার করতে পারছেন।

[8:22]স্পিকিং আরও ক্লিয়ার করতে পারছেন লাউড মানে যতটুকু লাউড হওয়া দরকার ততটুকু লাউড করতে পারছেন যেইসব জায়গায় আপনার প্রনান্সিয়েশন ইম্প্রুভ করার সুযোগ আছে সেই জায়গাগুলোতে আপনারা আপনার প্রনান্সিয়েশন ইম্প্রুভ করতে পারছেন।

[8:31]শুধুমাত্র এই একটি কাজ করে আপনারা কিন্তু স্পিকিং এর যতগুলো জায়গায় আপনার ইম্প্রুভ করা দরকার সবগুলোর উপর একসাথে কাজ করতে পারছেন।

[8:40]স্পিকিং ইম্প্রুভ করার জন্য আরেকটা খুব ইউজফুল ট্রিক হলো প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার করে আপনি আপনার টু মিনিট যেই টাস্কটা আছে স্পিকিং পার্ট টুতে যেটা এসে থাকে কিউ কার্ডের উপর ভিত্তি করে সেই পার্টটা একটু বেশি করে প্র্যাকটিস করেন কারণ এই জায়গাটাতে দেখা যায় যে আমরা অনেক সময় দুই মিনিটের বেশি কথা বলে ফেলি।

[8:56]অনেক সময় দেখা যায় যে দুই মিনিটের ধারের কাছেও কথা বলি না বরং আমাদের আনসার শেষ হয়ে যায়।

[9:02]সো এই জিনিসটা যত বেশি আপনারা প্র্যাকটিস করবেন আপনাদের নিজেদের একটা মেন্টাল আইডিয়া থাকবে যে কতক্ষণ কথা বললে আসলে দুই মিনিটের মতো কথা বলা হয়ে যায়।

[9:12]সো এই যেই কিউ কার্ডের অংশটুকু আছে এখানে কমন টপিকসগুলো একটু রিসার্চ করে নিবেন ইন্টারনেটের সব জায়গায় পাওয়া যায়।

[9:18]রিসার্চ করে আপনি প্রত্যেক সপ্তাহে অন্তত একবার করে এই টু মিনিটের যে টাস্কটা আছে সে টাস্কটা প্র্যাকটিস করে নিবেন আপনার স্পিকিং দেখবেন অটোমেটিক্যালি আরো অনেক স্মার্ট হয়ে যাবে।

[9:26]এরপরে চলে আসি রাইটিং এ। রাইটিং এর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি আপনাদের একদম প্রথমে মাথায় রাখতে হবে আইএলটিএস রাইটিং এর যে ব্যান্ড ডিসক্রিপ্টরস গুলো আছে সেই ব্যান্ড ডিসক্রিপ্টর গুলো আপনাকে একদম স্পষ্টভাবে এক্সপ্লেইন করে দেয় যে ব্যান্ড নাইন পেতে হলে আপনার রাইটিং এর বিভিন্ন ক্রাইটেরিয়ায় কি কি মিট করতে হবে বা কি কি কাজ করতে হবে।

[9:44]এইট পেতে হলে সিমিলারলি কত পেতে কি কি করতে হবে, এইট পয়েন্ট ফাইভ পেতে হলে কি কি করতে হবে, সেভেন পেতে হলে কি কি করতে হবে।

[9:50]খুব সুন্দর করে কিন্তু এটার একটা বর্ণনা আমাদের ব্যান্ড ডিসক্রিপ্টরগুলোতে থাকে।

[9:54]এই ব্যান্ড ডিসক্রিপ্টরগুলো দেখলে আপনারা কিন্তু বুঝতে পারবেন খুব স্পষ্টভাবে যে আপনি যেই স্কোরটা পেতে চাচ্ছেন এই স্কোরটা পেতে হলে আপনার রাইটিং এর কোন কোন বিষয়গুলো কিভাবে কি করতে হবে।

[10:05]গ্রামারের ক্ষেত্রে কি করতে হবে আপনার যখন কোহেরেন্স এন্ড কোহেশনের উপর কথাবার্তা হবে সেই ক্ষেত্রে কি কি করতে হবে লেক্সিক্যাল রিসোর্সের জন্য কি কি করতে হবে গ্রামাটিক্যাল রেঞ্জ এন্ড এক্যুরেসির জন্য কি কি করতে হবে এই সকল বিষয়গুলো কিভাবে আসলে আইএলটিএস এক্সামে অ্যাসেস করা হয় কোন ব্যান্ডের জন্য কিভাবে মার্কিং করা হয় সকল বিষয় নিয়ে আপনারা খুব ভালো একটা ধারণা পাবেন।

[10:28]এরপরে চলে আসি গ্রামারের উপর। গ্রামারে যদি আপনার বিশেষ কোন দুর্বলতা থেকে থাকে ধরেন আপনি গ্রামারের কিছু এরিয়াজ এ খুব উইক আপনার কিন্তু আইএলটিএস প্রিপারেশন নেওয়ার অনেক মাস আগে থেকে গ্রামারের উপর কাজ করা শুরু করে দিতে হবে।

[10:39]খেয়াল রাখবেন আইএলটিএস রাইটিং এ কিন্তু গ্রামারের উপর মার্ক থাকে আমরা একটু আগেই দেখেছি যে আমরা কিন্তু যখন দেখছি গ্রামাটিক্যাল রেঞ্জ এন্ড এক্যুরেসি এই যেই ক্রাইটেরিয়াটা দেখছি এটা কিন্তু আপনি কতটুকু অ্যাকুরেটলি গ্রামার ব্যবহার করতে পারছেন সেটাকেই অ্যাসেস করছে।

[10:53]সো কোনভাবে ভুল করার সুযোগ নেই যদি আপনার গ্রামারের এরিয়াজগুলো উইক হয়ে থাকে আগে থেকে যথেষ্ট পরিমাণে সময় রেখে প্র্যাকটিস করা শুরু করেন যাতে এই জায়গাগুলোতে আপনারা আপনাদের সেই গুরুত্বপূর্ণ মার্কগুলো না হারান।

[11:04]এরপরে চলে আসি সেন্টেন্স স্ট্রাকচার নিয়ে আলোচনায়। আপনি যখন আইএলটিএস রাইটিং প্র্যাকটিস করছেন প্লিজ চেষ্টা করবেন যাতে আপনাদের অনেক ধরনের সেন্টেন্স স্ট্রাকচার ব্যবহার করা হয়।

[11:13]একদম প্রথমে বলে দেই অনেকে দেখা যায় যে খুব বেশি সিম্পল সেন্টেন্স ব্যবহার করে অনেকে দেখা যায় যে এক দুটো সেন্টেন্স স্ট্রাকচার সিম্পল আর কমপ্লেক্সই বেশি ব্যবহার করে।

[11:22]আপনি চেষ্টা করবেন আপনার আইএলটিএস রাইটিং এ যাতে আপনি বিভিন্ন ধরনের সেন্টেন্স স্ট্রাকচার গুলো এনাফ ইউজ করেন।

[11:27]সিম্পল কমপ্লেক্স কম্পাউন্ড কম্পাউন্ড কমপ্লেক্স সব ধরনের সেন্টেন্সেস এবং অনেক ধরনের ফ্রেজেস যাতে আপনি ব্যবহার করতে পারেন এবং আপনার ওভারঅল রাইটিংটা যাতে অনেক বেশি এনরিচড হয়।

[11:41]সো সেন্টেন্স স্ট্রাকচারগুলো আমরা সবসময় চেষ্টা করবো অনেক ভ্যারাইটি আনতে অনেক সুন্দর করে তাহলে আমাদের লেখাটা আমরা প্রেজেন্ট করতে পারি।

[11:47]এরপরে যেই জিনিসটা আমাদের মাথায় রাখতে হবে সেটা হচ্ছে আমাদের ওভারঅল রাইটিং এর যেই স্ট্রাকচারটা আছে।

[11:54]আইএলটিএস রাইটিং এ টাস্ক ওয়ান এবং টাস্ক টু এর কিন্তু খুব স্পেসিফিক স্ট্রাকচার আছে যেই স্ট্রাকচারের মধ্যে থেকে আমরা লিখলে আমাদের জন্য খুব ভালো হয়।

[12:00]যেমন রিডিং এ টাস্ক ওয়ান এর কথা বলি টাস্ক ওয়ান এ দেখা যায় একদম শুরুতে আমাদেরকে কোশ্চেনটা প্যারাফ্রেজ করতে হয় তারপরে একটা ওভারঅল স্টেটমেন্ট বা ওভারভিউ স্টেটমেন্ট দিতে হয় তারপরে আমাদেরকে মেইন যেই জিনিসগুলো আমরা ডায়াগ্রাম থেকে আমাদের রাইটিং টাস্ক ওয়ান এ যেই ডায়াগ্রামটা দেওয়া হয় ওই ডায়াগ্রামে নোটিস করছি সেগুলোর কথা বলতে হয় কিছু সাপোর্টিং ডিটেইল দিতে হয় এবং তারপরে নিয়ে আমাদের কনক্লুজন দিয়ে দিতে হয়।

[12:20]এবং প্রত্যেকটা রাইটিং টাস্ক ওয়ান এর ক্ষেত্রেই কিন্তু আমরা সিমিলার একটা স্ট্রাকচার ফলো করার চেষ্টা করি।

[12:25]রাইটিং টাস্ক টু তেও কিন্তু এরকম স্ট্রাকচার ফলো করতে হয় তাই আমরা চেষ্টা করবো আমাদের রাইটিং এর এই যেই স্ট্রাকচারগুলো আছে এগুলো সম্পর্কে আমরা যাতে এনাফ ধারণা রাখি যথেষ্ট ধারণা রাখি এবং আমাদের মেইন এক্সামে গিয়েও আমরা যাতে এই স্ট্রাকচারগুলো ফলো করে গুছিয়ে লিখতে পারি।

[12:41]আপনাদেরকে একটা জিনিস জাস্ট বলে দেই আমরা যত বেশি গুছিয়ে লিখব তত আমাদের জন্য ভালো।

[12:46]অনেকে কিন্তু এই স্ট্রাকচারের মধ্যে না থেকেও তারা আইএলটিএস এ অনেক ভালো স্কোর করতে পারে কারণ তাদের ইংলিশটা এতটাই ভালো এবং তারা এতটাই গুছিয়ে লিখতে পারে কিন্তু যারা যারা আপনারা আছেন যাদের হয়তোবা ইংলিশ আরও কাজ করার সুযোগ আছে তাদের উদ্দেশ্যে স্ট্রাকচারটা মাথায় রাখলে কিন্তু আমাদের কাজটা অনেকটাই ইজি হয়ে যায় আমাদের এক্সাম হলে গিয়ে খুব বেশি প্রেসার খেতে হয় না বা খুব বেশি প্রেসার নিতে হয় না।

[13:06]সো এই স্ট্রাকচারটা সম্পর্কে অবগত থাকবেন এবং চেষ্টা করবেন আপনি যখন প্র্যাকটিসও করছেন এই স্ট্রাকচারের মধ্যে থেকেই প্র্যাকটিস করতে।

[13:14]এরপরে আপনাদেরকে আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ টিপ দিতে চাই সেটা হচ্ছে আইএলটিএস রাইটিং এর উপর আপনারা যত বেশি ফিডব্যাক নিবেন তত আপনাদের রাইটিং স্কোর ভালো হবে।

[13:21]আমি যখন আমার আইএলটিএস রাইটিং প্র্যাকটিস করতাম আমি দেখা যেত যে প্রথম দিকে এটলিস্ট যতগুলো লিখতাম স্যাম্পল সবগুলো স্যাম্পল আমি আমার কিছু ফ্রেন্ডদের সাথে শেয়ার করতাম কিছু সিনিয়রদের সাথে শেয়ার করতাম এমন এমন ফ্রেন্ডস যদি আপনার থেকে থাকে যারা আগে আইএলটিএস দিয়েছে ভালো স্কোর করেছে তাদের কাছে পাঠাবেন তারা অনেক ভালো ফিডব্যাক দিতে পারবেন।

[13:38]এভাবে ফিডব্যাক নিতে থাকলে আপনারা কিন্তু আপনাদের রাইটিং কোন কোন জায়গায় দুর্বল কোন কোন জায়গায় ইম্প্রুভ করার সুযোগ আছে খুব ভালো একটা ধারণা পাবেন এবং আপনাদের ওভারঅল রাইটিং এর স্টাইলটাও বেটার হয়ে যাবে।

[13:51]সো এটা আপনাকে অনেক হেল্প করবে চেষ্টা করবেন যতগুলো মক টেস্ট আপনারা দিচ্ছেন বা রাইটিং আপনারা বাসায় প্র্যাকটিস করছেন তার মধ্যে কয়েকটাতে হলেও অন্যদের ফিডব্যাক নিতে।

[13:59]লাস্ট যেই টিপটা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই আইএলটিএস রাইটিং এর জন্য সেটা খুবই সিম্পল খুবই স্ট্রেট ফরওয়ার্ড শুনাবে কিন্তু এটাতে অনেক ক্ষেত্রে আমরা মার্ক হারিয়ে ফেলি সেটা হচ্ছে আমাদের ভোকাবুলারিতে এনাফ কাজ না করা আমাদের ভোকাবুলারিতে যথেষ্ট পরিমাণে কাজ করতে হবে কারণ আমরা কিন্তু জানি আইএলটিএস রাইটিং এর লেক্সিক্যাল রিসোর্সের উপর কিন্তু মার্ক থাকে।

[14:15]লেক্সিক্যাল রিসোর্স বলতে কি আপনি রেলেভেন্ট শব্দ যথেষ্টভাবে ব্যবহার করতে পারছেন নাকি অ্যাডভান্স ভোকাবুলারি যথেষ্ট ব্যবহার করতে পারছেন নাকি এবং আপনার ওভারঅল কোনভাবেই কিন্তু খুব বেশি রিপিটেটিভ ওয়ার্ডস যাতে না আসে।

[14:28]অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যে আমরা একটা রাইটিং স্যাম্পলে একই শব্দ তিন চারটা প্যারাগ্রাফে বারবার ব্যবহার করতে থাকি এটার জন্য কিন্তু মার্ক কাটা যায় ঠিক আছে?

[14:36]সো আমরা চেষ্টা করবো যাতে সিনোনিম সম্পর্কে আমাদের এনাফ ধারণা থাকে একটা শব্দ কমন কিছু শব্দ কিন্তু আমাদের আইএলটিএস রাইটিং এ অনেক বেশি কাজে দেয় যেমন ইনক্রিজ ডিক্রিজ ডিসক্রাইব এই জাতীয় অনেকগুলো লিস্ট আছে শব্দের যেই শব্দগুলো আমাদের ব্যবহার করতেই হবে এটা জানা ব্যাপার।

[14:50]সো এই শব্দগুলোর কি কি সিনোনিম হতে পারে কিভাবে আপনি অন্যভাবে কিভাবে এই শব্দগুলো বলতে পারবেন এগুলো সম্পর্কে ধারণা রাখবেন দরকার হলে একটা লিস্ট করে রাখবেন এবং সেই লিস্টটা প্রত্যেকদিন একবার একবার রিভিউ করবেন তাহলে শব্দগুলো আপনার মনে থাকবে।

[15:06]এটা করলে আপনার যেটা হবে হচ্ছে যে আপনার লেক্সিক্যাল রিসোর্সের যে মার্কটা আছে সেটা একটা ডিসেন্ট স্কোর আসতে পারে বা ডিসেন্ট একটা মার্ক আপনি লেক্সিক্যাল রিসোর্সের জন্য পেতে পারবেন।

[15:15]আশা করি আজকের এই বিস্তারিত ভিডিওর আমরা যা যা আলোচনা করেছি এই ভিডিওতে সবকিছুর পরে আপনারা ওভারঅল আইএলটিএস এর প্রত্যেকটা সেকশনে আরও বেটার কিভাবে করতে পারবেন আরও বেটার একটা স্কোর কিভাবে করতে পারবেন সেটা সম্পর্কে একটা ফুল ধারণা পেয়েছেন।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript