[0:00]হ্যালো Samsung লাভার্স, রাইট নাও আমার হাতে রয়েছে Galaxy A17 5G, A17 5G। অবশ্যই বুঝতে পারছেন, খুব দামী কিছু না। মিড রেঞ্জ প্রাইস পয়েন্টের ডিভাইস। বাংলাদেশ মার্কেটে তিন-তিনটা ভ্যারিয়েন্টে লঞ্চ করা হয়। ছয় ১২৮, আট ১২৮, আট ২৫৬ জিবি ভ্যারিয়েন্ট। এন্ড Samsung বলছে, নাও ডু মোর। চলুন, আরো বেশি বেশি কি করা যায় আমরা একটু ফাইন্ড আউট করে দেখি। A17 5G-এর ডিজাইনটা Samsung-এর আরো বেশ কিছু ডিভাইসে আমরা খেয়াল করেছি, সিমিলার টাইপের একটা ডিজাইন দিয়েছে। এর বডি ফ্রেমটা প্লাস্টিকে তৈরি। স্কয়ার সেপ হওয়াতে হাতে নিলে পরে আপনার কাছে একটু বক্সি বক্সি একটা ফিল আসবে। যে জিনিসটা হয় কি, অনেক সময় কর্নারের এগুলো হাতে একটু লাগে। আর এই স্মার্টফোনটার রিয়ার প্যানেলটাতে রয়েছে ফাইবার গ্লাস। মানে এটা একদম গ্লাস আপনি বলতে পারবেন না, আবার একেবারে প্লাস্টিকের মত ফিল দেয় না। গ্লাস্টিক টাইপের একটা ফিল দেয়। যেখানে ফিঙ্গারপ্রিন্টস মাসেজ অবশ্যই বসে, একই সাথে স্ক্রাচ পরার পসিবিলিটিও আছে। মাইক্রো স্ক্রাচ অবশ্যই পড়তে পারে। কেস ব্যবহার করা উত্তম হবে। IP54 এর রেটিং আছে, যেখানে এই মুহূর্তে আমরা দাঁড়িয়ে আর একটু বেটার রেটিং ট্রিটিং দেখি অনেক স্মার্টফোনেই। তো আমিও আশা করছিলাম Samsung এই ডিভাইসটাকে IP68 পর্যন্ত একটা রেটিং থাকতে পারতো। সেক্ষেত্রে আমরা একটু টুকটাক পানিতে চুবাতাম। যদিও এটা খুব প্রয়োজনীয় কিছু না, অনেকের জন্য আর কি লাগে। মানে এই ব্যাপারগুলো আসে মানে রেসে যারা আছে, তাদের সাথে কম্পিটিশনে গেলে তখন এই ব্যাপারগুলো হিসাব করতে হয় আর কি, এইজন্য বললাম। যাই হোক স্মার্টফোনটিতে সুপার অ্যামোলেড প্যানেল আপনারা পেয়ে যাবেন, যা 90Hz পর্যন্ত সর্বোচ্চ হাই রিফ্রেশ রেট দিতে পারে। 800 নিটস (HBM) ব্রাইটনেস আছে। এখন এই ব্রাইটনেসটা অনেকের কাছে কম মনে হলেও, টু বি ভেরি অনেস্ট, আউটডোরে ডিরেক্ট সানলাইটেও দেখার উপযোগী। আপনি যখন ছবি তুলতে যাবেন তখন মনে হতে পারে আরেকটু ব্রাইটনেস থাকলে ভালো হতো। কিন্তু এছাড়া এমনিতেই নরমালি ব্যবহার করতে গেলে এই ব্রাইটনেস নিয়েও কোনো ধরনের ইস্যুতে পড়তে হয় না। টাচ রেসপন্স ভালো। 90Hz পর্যন্ত ঠিকভাবে পুশ করে। কিন্তু আমরা যখন ডিভাইসটাকে কিনছি 24,999 টাকা দিয়ে, আই মিন 25,000 টাকায়, মানে বেস ভ্যারিয়েন্টের কথা বলছি। তখন তো আমি ডেফিনেটলি 120Hz খুব সহজেই আশা করব। সেই সাথে আমরা এটাও আশা করব যে পাঞ্চ হল কাট আউট দিয়ে আসুক। কিন্তু না দেখুন এই স্মার্টফোনটা এসেছে ওয়াটার ড্রপ নচ, সেই সাথে বিশাল বড় একটা চেইন দিয়ে। ডিসপ্লেটার রেজুলেশন ভালো আছে, ডিসপ্লেটা সুপার অ্যামোলেড। Samsung-এর সুপার অ্যামোলেড কেমন হয় আপনারা নিশ্চয়ই জানেন। সেই জায়গাগুলো নিয়ে আমার কোনো কমপ্লেইন নেই, এমনকি আমি 90Hz পেয়েও ততটা কমপ্লেইন করতাম না যদি কিনা ডিসপ্লেতে থাকতো পাঞ্চ হল কাটআউট আর সেই সাথে লোয়ার চিনটা আরো বেশি ন্যারো করা হতো। এখন এই জিনিসটা টোটালি বেমানান লাগে এই প্রাইস পয়েন্টে এর চাইতে অনেক বেটার ডিসপ্লে যুক্ত ডিভাইস আমরা দেখতে পাই অনেক চাইনিজ ব্র্যান্ড থেকেই। আমি একটু ক্লিয়ার করে নেই স্মার্টফোনটার অন্যান্য ভ্যারিয়েন্টগুলোর দামটা কেমন রয়েছে। এর যে 8/128 GB ভ্যারিয়েন্ট, ওটার দাম 26,999। পরবর্তী ভ্যারিয়েন্ট সর্বোচ্চ ভ্যারিয়েন্ট 8/256 GB ওর দাম রয়েছে 30,999 টাকা। তো 30,000 টাকায় আসলে এই শেপটা মেইক সেন্স করে না। আমার কাছে করে না আর কি। তবে ডিসপ্লেতে ভালো প্রোটেকশন রয়েছে কর্নিং গরিলা গ্লাস ভিক্টাস। আর 385 পিপিআই হওয়াতে ডিসপ্লে শার্পনেসও বেশ ভালো। সাইজ অনুযায়ী শার্পনেস যথেষ্ট ভালো আছে। ইভেন যারা ভিডিও-টিডিও দেখেন, মাল্টিমিডিয়া কনজাম্পশন করবেন, ডিসপ্লে এর কালার রিপ্রোডাকশন আপনাদের কাছে খুবই ভালো লাগবে, ইটস ট্রু। তো ডিসপ্লে এর কমপ্লেইনের জায়গা ওটুকুই ছিল, এর বাইরে ডিসপ্লে নিয়ে আমার কোনো কমপ্লেইন নেই। ক্যামেরাতে এই স্মার্টফোনের রিয়ারে দেখুন, তিনটা শুটার আছে। মেইন শুটার 50 মেগাপিক্সেল, যেখানে OIS রয়েছে। পরবর্তী শুটার 5 মেগাপিক্সেল। না, এইটা ম্যাক্রো শুটার না, এটা আল্ট্রা ওয়াইড শুটার। এছাড়াও 2 মেগাপিক্সেল এর শুটার, এন্ড ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা 13 মেগাপিক্সেল। হ্যাঁ, এটা অবশ্যই ভালো সাইন বলতেই হবে যে এরকম প্রাইস পয়েন্টে আমরা আল্ট্রা ওয়াইড তো পাই ই না এখন ম্যাক্সিমাম ব্র্যান্ড থেকে। সেই জায়গায় Samsung দিয়েছে ছোট হলেও অ্যাটলিস্ট দিয়েছে, যেটা দিয়ে প্রপার লাইটিং কন্ডিশনে বা ডে লাইটে যদি আপনারা আউটডোরে ছবি তোলেন, সেই ছবি কাজে লাগানো যায়। হ্যাঁ, সেই ছবি ইউজেবল আসে। কিন্তু লো লাইটে এটা অনেকটা স্ট্রাগল করে, অনেক বেশি গ্রেনী হয়ে যায় এবং কন্ট্রাস্টের পরিমাণও বাড়ে। সেই ছবি খুব একটা কাজে লাগবে না। বাট আপনি যদি ভালো লাইটে ছবি তুলতে পারেন, তাহলে এর আল্ট্রা ওয়াইডটা আপনারা কাজে লাগাতে পারবেন। অ্যাটলিস্ট আছে আর কি। যাই হোক, মেইন ক্যামেরার রেজাল্টটা কিন্তু যথেষ্ট ভালো। ইভেন 25-26 হাজার টাকায় যত অফিশিয়াল ডিভাইস রয়েছে, তাদের সাথে কম্পেয়ার করতে গেলে ম্যাক্সিমাম ফোনের থেকেই এটার মেইন ক্যামেরাটা এগিয়ে থাকবে। যেখানে আমরা শার্পনেস ডিটেইল খুব ভালো দেখছি, বিশেষ করে ছবিগুলো একটু জুম করলেও আপনি কিন্তু ডিটেইল ভালো লক্ষ্য করবেন। ছবির মিডল এরিয়া কর্নার এরিয়াতেও কিন্তু প্রপার পরিমাণে ডিটেইল রয়েছে। তাছাড়া ওভার কনট্রাস্টি, কালার ফেড আউট বা ওভার কালার এ জাতীয় কোনো প্রবলেম আমরা ফেইস করিনি। লো লাইটের দিকে কিছুটা কন্ট্রাস্টি হয়। নাইট মোড অন করে নিলে, যথেষ্ট ভালো ছবি পাওয়া যায়। সুপার স্টেডি হাতে ধরে রাখতে হবে এমনটা না, কারণ OIS রয়েছে সেটা ওয়ার্ক করছে এবং লো লাইটে সে আসলে হেল্প করতে পারছে এখানে। আমার যা মনে হয়, মেইন ক্যামেরাটা ম্যাক্সিমাম মানুষের কাছেই ভালো লাগবে এই স্মার্টফোনের। পোর্ট্রেট মোডে সিঙ্গেল ফোকাল লেন্থে আপনারা ছবি তুলতে পারবেন, এখানে মাল্টি ফোকাল লেন্থ থাকলে আরো সুবিধা হতো, ডিজিটাল হলেও সমস্যা ছিল না। তবে ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লারনেস ভালো। সেই সাথে এজ ডিটেকশনও ভালো। খুবই ক্রিটিক্যাল জায়গায় না পড়লে মিস করছে না। আর হেভি হাইলাইট আসলেও সেটাকেও ভালোভাবে ব্যালেন্স করার ট্রাই করে। পোর্ট্রেট নিয়ে সন্তুষ্ট থাকবেন, জাস্ট ফোকাল লেন্থের মানে ভ্যারিয়েশন থাকলে ভালো হইতো আর কি। এমনকি ভালো রেজাল্ট দিচ্ছে এর ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরাও। তবে এখানে একটু ওয়ার্ম টোন লক্ষ্য করা যায়। স্কিনটা একটু ওয়ার্মের দিকে নিয়ে প্রেজেন্ট করে। আউটডোরে শার্পনেস ডিটেইল 1.8 আছে। কিন্তু ইনডোরে কালার কিছুটা শিফট করে, সেই সাথে ডিটেইল কম, আর একটু সফট মনে হবে আপনাদের কাছে। বলছিলাম এই ফোন ভিডিও রেকর্ড করতে পারে সর্বোচ্চ 1080p তে। 1080p 30fps আপনি ভিডিও রেকর্ড করতে পারবেন। ভিডিওতে স্ট্যাবিলিটি যা আছে ওকে। কিন্তু জিটারিং আছে ভিডিওতে। আর 4K এর মজা তো মিস করছি, কিছু করার নাই এই জায়গায়। আর এটা হচ্ছে ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরার ভিডিও স্যাম্পল। ইভেন এই মুহূর্তে যে সাউন্ডটা পাচ্ছেন, তা কিন্তু স্মার্টফোনের মাইক্রোফোন থেকেই পাচ্ছেন। মাইক্রোফোন কোয়ালিটি আমার ভালো লেগেছে কিন্তু ভিডিও কোয়ালিটি টপ নচ লেভেলের নয়। তো ক্যামেরা যেটা দাঁড়ালো আমি বলবো এই স্মার্টফোনটা অনেক ডিভাইস থেকেই এগিয়ে থাকবে, বিশেষ করে আল্ট্রা ওয়াইড নিয়ে এবং মেইন ক্যামেরাতে। এবারে আসল জায়গা, পারফরম্যান্স সেকশন এবং এর সফটওয়্যারের ব্যাপার-স্যাপার। হ্যাঁ, এই জায়গায় ভালো কিছু করেছে যেমন এটি রান করছে One UI 7, বেসড অন Android 15. যেখানে ছয় বছরের সিকিউরিটি আপডেট পাওয়া যাবে এবং ছয়টা OS আপডেট পাওয়া যাবে। যারা দীর্ঘদিন একটা স্মার্টফোন লেটেস্ট Android এর সাথে ব্যবহার করতে চাচ্ছেন, তাদের জন্য এটা একটা বাড়তি সুবিধা দেবে ফর শিওর। অন্যদিকে প্রোসেসর হিসেবে রয়েছে Exynos 1330। এই প্রোসেসরটা আমার কাছে নতুনই। এটা 5 ন্যানোমিটারের একটি SoC। যেখানে আমরা দুইটা ক্লাস্টারে বিভক্ত কোর দেখতে পাই। এর মধ্যে পারফরম্যান্সের জন্য দুইটা কোর রয়েছে 2.4GHz এর Cortex-A78। এবং বাকি যে ছয়টা পাওয়ার এফিসিয়েন্সি কোর রয়েছে, তা 2GHz এর Cortex-A55। আর গ্রাফিক্সকে পাওয়ার করছে Mali-G68 MP2। তো আশা করছি বুঝতে পারছেন এই প্রোসেসরের দৌরাত্ম্য আসলে কতটুকু কি রয়েছে। তবে 5 ন্যানোমিটার টেকনোলজির হওয়াতে ব্যাটারি বার্ন কম করে। এই ফোনটা রেগুলার লাইফে বা ডে-টু-ডে টাস্কে আমরা যে ধরনের কাজগুলো করি কিংবা আমাদের টেস্টিং এর জন্য যে ধরনের অ্যাপগুলো আমরা ব্যবহার করে থাকি, এগুলো ব্যবহার করতে গিয়ে আমার কাছে মনে হয়েছে একটু চপি টাইপের ফিল দিচ্ছে। কিছু কিছু অ্যাপ ওপেন করতে একটু এক্সট্রা টাইম নিচ্ছে। ধরুন ক্যামেরা অ্যাপের ক্ষেত্রেও আমরা যখন একটা ফিচার থেকে আরেকটা ফিচারস থেকে বারবার সুইচ করছি সেই জায়গায় কিছুটা টাইম নিচ্ছে। অ্যাপ ওপেন ক্লোজ টাইম আমি আরো একটু ফাস্টার অবশ্যই আশা করছিলাম যে জিনিসটা আমি এখানে পাইনি। নরমালি One UI একদম Android এর জন্য টপের দিকে থাকার মত একটা UI। ম্যাক্সিমাম মানুষই হয়তো সেটা মানবেন। এবং আসলেই এর এক্সপেরিয়েন্স ভালো। তো সেই জায়গা থেকে আমার এক্সপেক্টেশন একটু বেশিই ছিল। আমি কিন্তু কম্পেয়ার করছি 25 থেকে 30 হাজার টাকা প্রাইস ব্র্যাকেটের ফোনের সাথে। এবং সেই জায়গায় পারফরম্যান্স সেকশন ওয়াইজ আমার কাছে মনে হচ্ছিল যে এর পারফরম্যান্স আরো একটু বেটার থাকবে আর কি। নরমাল ইউজেসে স্মার্টফোনটা ওভার হিটিংয়ে যায় না। মাল্টিটাস্কিং এ যারা কাজ করবেন, আপনার 8GB RAM ভ্যারিয়েন্ট এটা যদি নেন, তাহলে বেশ ভালো একটা আউটপুট পাবেন। এবং অ্যাট এ টাইম আপনি ছয় সাতটা অ্যাপ্লিকেশন নিয়েও কাজ করতে পারবেন। ব্যাকগ্রাউন্ডে বেশ কিছু সময় ধরে রাখতে পারে। এটা শুধুমাত্র RAM না, অপটিমাইজেশনেরও বিষয় থাকে। এবং ওদের One UI এই জায়গায়টায় খুব ভালোভাবে অপটিমাইজ করার ট্রাই করেছে। কেউ যদি চিন্তা করেন আমি গেমিং এর জন্যই ডেডিকেটেডলি এই ডিভাইসটা নিবো না। গেমিং এর জন্য এটা ডেডিকেটেডলি চয়েস করাটা উচিত হবে না। কারণ এটা থেকে আপনারা মানে জাস্ট ঐ সময় কাটানোর উপযোগী একটা গেমিং রেজাল্ট আসলে পাচ্ছেন। এর চাইতে বেটার কিছু আপনি এক্সপেক্ট করতে পারেন না। PUBG বা Free Fire এর মত গেমও আমি আসলে রিকমেন্ড করবো না। বরং আপনারা 2D টাইপের যে গেমগুলো রয়েছে, সেগুলো খেললেও ওকে আছে। হ্যাঁ, PUBG Free Fire এও চলে। কিন্তু সেই রেজাল্টে আপনি সন্তুষ্ট হবেন না। অ্যাকশন মোমেন্টে গেলে আমরা জিটারিং, মাইক্রো স্ট্যাটার লক্ষ্য করেছি, কখনো কখনো ল্যাগ এর দেখা পেয়েছি। তবে ফোনটাতে বেশ কিছু AI এর ফিচারস রয়েছে, যেগুলো এই কমদামী Samsung ফোনটাতেই আপনারা পেয়ে যাচ্ছেন, যেগুলো অনেক সময় আমরা আমাদের ফ্ল্যাগশিপ লেভেলের ডিভাইসগুলোতে দেখতে পাই। যেমন সার্কেল টু সার্চ রয়েছে, জেমিনাই রয়েছে বিল্ড ইন, যেগুলো আপনি অবশ্যই স্মার্টফোনটিতে ব্যবহার করতে পারবেন। আর অবশ্যই আপনার ডে-টু-ডে লাইফকে আরো বেশি সহজতর করতে পারবে এই AI টুলগুলো। Galaxy A17 5G, ডিভাইসটাতে আপনারা ব্যাটারি পেয়ে যাচ্ছেন 5000 mAh। এন্ড বক্সে রয়েছে 15W এর চার্জার। তবে এই ডিভাইসটা সাপোর্ট নেয় 25W। Samsung 15W দিলেও কি বুঝে আমি জানি না আসলে। এখানে অবশ্যই 25W ই দেওয়া উচিত ছিল। তো এই কম্বোকে খারাপ বলা যায় না। আবার একই সাথে এখন অনেক কমদামী ডিভাইসে আমরা আরো বড় বড় ব্যাটারি পাই। তবে Samsung এর এই ডিভাইসটার থেকে ব্যাটারি ব্যাকআপ ভালো। সব মিলিয়ে অপটিমাইজেশন ভালো হওয়াতে ব্যাটারি ব্যাকআপও ভালো পাওয়া যায়। সাত ঘন্টা, সাত ঘন্টার একটু বেশি আপনি এসওটি পাবেন। তো সেই হিসেবে বলা যায় একদিন ম্যাক্সিমাম মানুষে একদিন প্লাস টাইম ব্যবহার করতে পারবেন। স্পিকার সিঙ্গেল বটম ফায়ারিং। তবে সত্যি বলতে Samsung এর এই ফোনটা ব্যবহার করলে বোঝা যায় যে আসলে সিঙ্গেল স্পিকার দিয়েও যথেষ্ট ভালো পরিমাণ বা সুন্দর একটা সাউন্ড দেওয়া সম্ভব। বাট স্টেরিওর মজা আপনি ঠিকই পাবেন না। সেটা থাকলে আরো বেশি ভালো হতো। এবং যখন আপনি 25 থেকে 30 হাজার টাকা প্রাইস ব্র্যাকেটের একটা ফোন কিনেন, স্টেরিও আপনি আশাও করবেনই। সেই জায়গায় এই স্মার্টফোনটা আবার পিছিয়ে পড়ে কিছুটা। নেটওয়ার্ক রিসিপশনে আমরা কোনো ধরনের প্রবলেম পাইনি। WiFi কিংবা ডাটা কানেকশন সব কিছু ব্যবহার করতে গিয়ে ঠিকঠাক রেজাল্টই মনে হয়েছে। Samsung Galaxy A17 5G, এই ডিভাইসটা নিয়ে আমার যে অবজারভেশন যা বলে, তিনটা ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে আসছে ওকে ভালো বিষয়। বাট দাম অনুযায়ী যে বিষয়গুলো আসলে মানে যুগোপযোগী একেবারেই হয়নি। তার মধ্যে ডিসপ্লেটাতে যদি ওরা পাঞ্চ হল কাট আউট দিত, আর লোয়ার চিনটা আর একটু ন্যারো করে দিত, তাহলে কিন্তু এই ডিসপ্লেটা দুর্দান্ত একটা ডিসপ্লে হতে পারতো। Samsung এর প্যানেলের প্রতি মানুষের একটা অন্যরকমের ভরসা, অন্যরকমের ভালোবাসা আছে। সেই জায়গাটা থাকতো ঠিক। দ্বিতীয়ত এই ফোনটাতে আমার মনে হয়, মিডিয়াটেকের যদি আরো কোন বেটার একটা চিপ দিত ওরা, সেটা বোধহয় আরো কাজের কিছু হতো। তখন গেমিং বলেন বা ওই ধরনের প্রসেসর গুলোর আসলে ক্যাপাবিলিটি কতটুকু রয়েছে সেটা আমরা জানি দেখেছি। এমনকি ওরা 5G যে ডায়মেনসিটির প্রসেসর রয়েছে, সেটা দিয়েও নিয়ে আসলো পারতো। ক্যামেরা নিয়ে আমার কমপ্লেইন নেই, ক্যামেরাতে যা দেওয়ার ট্রাই করেছে, এটা আসলে এই প্রাইস পয়েন্টের অনেক ফোন থেকেই ভালো কিছু দিচ্ছে। সেই সাথে ভালো করছে সফটওয়্যার আপডেটের ব্যাপারটা। ছয় ছয়টা মেজার আপডেট পাওয়া যাবে। এটা ডেফিনেটলি একটা বিশাল বড় ক্লেইম। এখন ফোনটার কোন জায়গায় কমতি আছে, কোন জায়গায় ভালো কিছু করছে, আই হোপ আপনাদের মাঝে একদমই ক্লিয়ার। এবারে কারা কিনবেন, না কিনবেন সেটা একটু কমেন্ট করে জানান। সবাই ভালো থাকুন, দেখা হচ্ছে স্যাম জোন এর নতুন ভিডিওতে।

Galaxy A17 5G Review In Bangla ।। Samsung প্রেমীদের চাহিদা পূরণ করবে তো?
SamZone
9m 7s1,866 words~10 min read
Auto-Generated
Watch on YouTube
Share
MORE TRANSCRIPTS


