Thumbnail for মৃত্যু ও আখিরাত | আসিফ আদনান হাফিঃ | Asif Adnan | মাদারীপুর দাওয়াহ কনফারেন্স-২০২৫ by Madaripur Youth Organization

মৃত্যু ও আখিরাত | আসিফ আদনান হাফিঃ | Asif Adnan | মাদারীপুর দাওয়াহ কনফারেন্স-২০২৫

Madaripur Youth Organization

10m 40s1,513 words~8 min read
Auto-Generated

[0:00]আমরা নিজেদেরকে অনেক সম্মানিত কিছু হিসেবে দেখাই আমরা নিজেদেরকে অনেক পবিত্র কিছু হিসেবে দেখাই। আমরা আমাদের চারপাশে একটা খোলস তৈরি করি। কিন্তু মৃত্যু এই সবগুলা খোলস সরায়ে দেয়। আমাদের সব চিন্তা দুনিয়া নিয়া যে দুনিয়াতে আমার জীবনটা কিভাবে আরও কমফোর্টেবল হবে আরামদায়ক হবে। দুনিয়াতে আমার জীবনটা কিভাবে আরও সম্মানজনক হবে? দুনিয়াতে আমার জীবনটা কিভাবে আরও স্বচ্ছল হবে? দুনিয়াতে আমার জীবনযাপনের স্টাইলটা মানে লাইফস্টাইলটা কিভাবে আরও উন্নত হবে? আমরা মৃত্যুর কথা চিন্তা করতেছি না। আমরা আমাদের আখিরাতের কথা চিন্তা করতেছি না। আমরা আল্লাহ আযযা ওয়া জাল এর সামনে গিয়ে কি বলবো সেটা আমরা চিন্তা করতেছি না। এবং এই পরীক্ষা আমরা কিভাবে পার হয়ে যাবো সেটা নিয়ে আমরা চিন্তা করতেছি না। আল্লাহ আমাদের জানায় দিসেন আপনার জন্য কি আছে। আপনার মৃত্যুর সময় কি হবে? মৃত্যুর পর কি হবে? কবরে কি হবে? বারযাখে যেগুলা নেকি হবে? ইয়ামুল কিয়ামাতে কি হবে? এবং অনন্তকালের জন্য কি হবে? প্রতিটা জিনিস আল্লাহ আপনাকে জানায় দিসে। এরপরও যদি আপনি না করেন আল্লাহর সামনে আপনার কোনো ওযর নাই। আল্লাহর সামনে আমার কোনো ওযর নাই আমি আল্লাহ কাছে আশ্রয় চাই। আমরা দুনিয়ার জন্য হিজরত করি। সাহাবা একরাম হিজরত করছে দ্বীনের জন্য। আমরা দুনিয়ার কথা চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নেই সাহাবা একরাম চিন্তা করছেন দ্বীনের জন্য। আমরা দুনিয়াতে শুধু মাত্র বলবো আমরা ঈমান আনছি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ এতটুকু হবে না আমাদের পরীক্ষা দিতে হবে। তো এই পরীক্ষা আমাদেরও আছে আপনি মনে কইরেন না যে এই পরীক্ষা আমাদের শেষ ঐ সাহাবা একরামের সময় পরীক্ষা হইছে আমাদের এখন আর পরীক্ষা নাই এই পরীক্ষা আমাদের সবার আছে। এই পরীক্ষা প্রত্যেকে তার অবস্থান অনুযায়ী দিতে হবে। এই পরীক্ষা আমরা পাশ করতে পারতেছি না। এই পরীক্ষা নিয়ে আমরা চিন্তাও করতেছি না আমরা বেখেয়াল হয়ে আছি। আপনি যদি কোনো কিছুই না করেন দ্বীনের জন্য দ্বীনের জন্য কোনো চেষ্টা না করেন সামগ্রিকভাবে কোনো চেষ্টা না করেন যে আমার যে জায়গাতে আমার জন্ম যে জায়গাতে আমি বেঁচে আছি যে সমাজের মধ্যে আমি যে বেঁচে আছি এখানে দ্বীন ইসলামের জন্য আমার কিছু একটা করা উচিত। এবং এটা আমার জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ এটা যদি আপনার মধ্যে না থাকে এটাকে যদি আপনি বিন্দুমাত্র গুরুত্ব না দেন আপনি আল্লাহর কাছে গিয়ে কি ওযর দিবেন বলেন? আমি আল্লাহর কাছে গিয়ে কি ওযর দিবো বলেন? আলহামদুলিল্লাহ আমরা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করি আল্লাহ আযযা ওয়া জাল এই আয়োজনকে সফলভাবে চলমান রাখছেন। এটা সম্পন্ন হচ্ছে এজন্য আমরা মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করি আলহামদুলিল্লাহ। মুসলিম ইয়ুথ অর্গানাইজেশন যে ভাইরা পরিশ্রম করে মেহনত করে এই কাজটা আয়োজন করছেন তাদের জন্য আমরা দোয়া করি আল্লাহ যেন তাদের কাছে বারাকা দান করেন। এবং তারা যেন আগামিত ধারাবাহিকভাবে সঠিকভাবে কাজ করে যেতে পারেন। আপনাদেরকেও শুকরিয়া আল্লাহ আপনাকে উত্তম যাজা দান করেন আপনারা দ্বীন ইসলামের কিছু কথা শোনার জন্য কিছু কথা জানার জন্য আজকে এখানে আসছেন। আল্লাহ আপনাদেরকেও উত্তম যাজা দান করেন আপনাদের যে নিয়ত নিয়ে আপনারা এখানে আসছেন যে সময়টা এখানে দিচ্ছেন আল্লাহ এটা কবুল করেন ইনশা আল্লাহ তালা। আমি একটা প্রশ্ন দিয়ে শুরু করি। আপনারা কখনো লাশ গোসল করাইসেন? মানুষ যখন মারা যায় তখন তাকে দাফন করার আগে বেশ কিছু কাজ করতে হয়। ওখানে নিয়ম আছে তার মধ্যে একটা কাজ হল মৃত লাশকে মৃতদেহকে গোসল করানো। এবং এই গোসল করানোর কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। যেমন মনে করেন লাশকে বসাতে হয়। পাশ ফিরাতে হয়। তারপর লাশের পেটে চাপ দিতে হয় আস্তে আস্তে যাতে করে তার দেহের ভেতরে যে ময়লা আবর্জনা আছে সে যেন বের হয়ে যায়। যে ময়লা আবর্জনা আমাদের সবার দেহের মধ্যেই আছে। এবং যারা অনেক লাশ গোসল করাইছে তাদের সাথে কথা বললে আপনি অনেক কথা শুনবেন। যেমন ধরেন অনেক মানুষ মারা যায় পেটের ওসুক নিয়ে। অনেক মানুষ মারা যায় লিভারের সমস্যা থাকে পাকস্থলির সমস্যা থাকে ক্যান্সারের সমস্যা থাকে। এরকম মানুষকে যখন গোসল করানো হয় যখন পেটে চাপ দেয়া হয় তখন শুধু আবর্জনা বের হয় না। পুঁজ বের হয়। রক্ত বের হয়। অনেক সময় শরীরের ভেতরে যে অঙ্গ ছিল লিভার এটা গলে বের হয়ে আসে। অনেক সময় খন্ড বিখন্ড হয়ে বের হয়ে আসে অনেক দুর্গন্ধ হয় তখন। আমরা মৃত্যু জিনিসটাকে অনেক পবিত্রতা দেয়ার চেষ্টা করি। বিশেষ করে মৃত মানুষটাকে আসলে মৃত্যু না মৃত মানুষকে আমরা সম্মানিত করার চেষ্টা করি। তার উপর একটা পবিত্রতা দেয়ার চেষ্টা করি বিশেষ করে সেই মানুষটা যদি বিখ্যাত কোনো মানুষ হয় নামি দামি কোনো মানুষ হয় ক্ষমতাধর কোনো মানুষ হয় কোনো নেতা হয় তখন আমরা এটাকে অনেক সম্মানজনক কিছু একটা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করি। কিন্তু আপনি যদি ওই মানুষটাকে যখন গোসল করানো হচ্ছিল তখন দেখতেন তখন আপনার কাছে মনে হবে না যে এই বিষয়টা সম্মানজনক। আপনার তখন করুণা হবে তার জন্য।

[4:16]মানুষ দুনিয়াতে নিজেকে অনেকভাবে উপস্থাপন করে। আমরা নিজেদেরকে অনেক বড় কিছু হিসেবে দেখাই। আমরা নিজেদেরকে অনেক সম্মানিত কিছু হিসেবে দেখাই আমরা নিজেদেরকে অনেক পবিত্র কিছু হিসেবে দেখাই। আমরা আমাদের চারপাশে একটা খোলস তৈরি করি। কিন্তু মৃত্যু এই সবগুলা খোলস সরায়ে দেয়। আমার যত পোশাক আছে যত আবরণ আছে যত অলংকার আছে যত সাপসজ্জা আছে সবকিছু মৃত্যু সরায়ে ফেলে এবং আপনাকে দুনিয়ার সামনে একদম উন্মুক্ত করে দেয়। কিন্তু এই বিষয়টা আমরা মাথায় রাখি না। আমরা দুনিয়ার জন্য ক্রমাগত ছুটতে থাকি দুনিয়ার জন্য ক্রমাগত ফিকির করি। দুনিয়াতে আমার জীবনটা কিভাবে আরও কমফোর্টেবল হবে আরামদায়ক হবে। দুনিয়াতে আমার জীবনটা কিভাবে আরও সম্মানজনক হবে। দুনিয়াতে আমার জীবনটা কিভাবে আরও স্বচ্ছল হবে? দুনিয়াতে আমার জীবন যাপনের স্টাইলটা মানে লাইফস্টাইলটা কিভাবে আরও উন্নত হবে? কিভাবে আমি অমুক জিনিসটা কিনবো কিভাবে আমি অমুক জিনিসটা ব্যবহার করবো কিভাবে অমুক জায়গায় যাবো। সব চিন্তা ভাবনা আমাদের এই জায়গা নিয়া। কিন্তু যেই জিনিসটা আপনার কাছে আসতেছে মৃত্যু ঐ মৃত্যুটা যে সম্মানজনক হবে আপনার ঐ মৃত্যুর পরে যে জীবনটা আপনার জন্য অপেক্ষা করতেছে সেটা যে সম্মানজনক হবে কিনা সেটা নিয়ে আমরা একেবারে চিন্তা করি না আমরা এটা নিয়ে একেবারেই গাফেল উদাসীন। একজন মহান তাবেঈ ছিলেন সুফিয়ান আস সাওরি রাহিমাহুল্লাহ। সাহাবাদের ছাত্র। উনাকে বলা হতো আমিরুল মুমিনীন ফিল হাদিস। হাদিসের ব্যাপারে বিশাল জ্ঞান রাখতেন। উনাকে একজন এসে প্রশ্ন করছে ইয়া আবু আব্দুল্লাহ উনার কুনি আবু আব্দুল্লাহ দুনিয়ার জন্য কিভাবে প্রস্তুতি নিবো বলেন আখিরাতের জন্য কিভাবে প্রস্তুতি নিবো বলেন? সুফিয়ান আস সাওরি বলছেন দুনিয়াতে যে পরিমাণ সময় থাকবা সেটা অনুযায়ী দুনিয়ার জন্য কাজ করো। আখিরাতে যে পরিমাণ সময় থাকবা সেটা অনুযায়ী আখিরাতের জন্য কাজ করো। দুনিয়াতে কতদিন থাকবেন বলেন? ৮০ বছর সর্বোচ্চ ১০০ বছর ১২০ বছর সর্বোচ্চ নাকি? আখিরাতে কতদিন থাকবেন?

[6:21]১০০০ বছর ১০,০০০ বছর ১,০০,০০০ বছর চিরন্তন চিরস্থায়ী খালিদীনা ফিহা আবাদা। দুনিয়ার জীবন হলো ক্ষণস্থায়ী আখিরাতের জীবন হলো চিরস্থায়ী। কিন্তু আমরা আখিরাতের জীবনটা নিয়ে চিন্তা করি না। আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তা'আলা কুরআনে বলছেন কুল্লু নাফসিন জাইকাতুল মাউত। নিশ্চয়ই প্রত্যেক জীবকে মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে। ওয়া ইন্নামা তুয়াফফাওনা উজুরুকুম ইয়াওমাল কিয়ামা। এবং কিয়ামতের দিন তোমাদেরকে তোমাদের যে প্রতিফল যে কর্মফল সেটা পরিপূর্ণভাবে বুঝায়া দেয়া হবে। ফামাল যুযীআ আনিন্নারি ওয়া উদখিলাল জান্নাতা ফাকাদ ফায। যাকে জান্নাত আগুন থেকে রক্ষা করা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে সে হলো সফল। ওয়ামাল হায়াতুদ্দুনিয়া ইল্লা মাতাউল গুরুর। এই দুনিয়ার জীবন হলো ছলনাময় ভোগ। ছলনা প্রতারণাময় একটা ভোগ এটা ছাড়া আর কিছুই না। সূরা আলি ইমরানের আয়াত। এই একটা আয়াতে আল্লাহ আযযা ওয়া জাল আমাদের এই দুনিয়ার সব বাস্তবতা সব মৌলিক প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিসেন। যেই বিষয় নিয়ে আমাদের এত পেরেশানি যেই বিষয় নিয়ে আমাদের এত ছোটাছুটি যেই বিষয় নিয়ে আমাদের এত চিন্তা এত কষ্ট সবকিছুর আসল মূল্যটা কত? এই সবকিছুর পরে কি অপেক্ষা করতেছে? দুনিয়ার সফলতা কি ব্যর্থতা কি? এরপরে আমাদের জন্য কি অপেক্ষা করতেছে? এবং এর পরের আয়াতে আল্লাহ সুবাহানাল্লাহু ওয়া তা'আলা বলতেছেন লাতুবলাউন্না ফি আমওয়ালিকুম ওয়া আনফুসিকুম। নিশ্চয়ই তোমাদেরকে তোমাদের জান এবং মালের ব্যাপারে পরীক্ষা করা হবে। দেখেন আমাদের জীবনের মধ্যে নিশ্চিত জিনিসপত্র কিছু নাই সব কিছু অনিশ্চিত। যেই বিষয়গুলা নিয়ে আপনি সকাল থেকে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত চিন্তা করেন ইভেন ঘুমানোর সময় যেগুলা নিয়ে স্বপ্ন দেখেন কোনোটার মধ্যে কোনো নিশ্চয়তা নাই। আমাদের উপার্জন আমাদের পড়াশোনার রেজাল্ট পরিবারে কি হবে বাচ্চার কি হবে সন্তানের কি হবে স্ত্রীর কি হবে পিতামাতার কি হবে? দুনিয়াবি যত চিন্তা আছে যা কিছু নিয়ে আমরা চিন্তা করতেছি কোনটার মধ্যে কোন নিশ্চয়তা নাই নিশ্চিতভাবে জানার সুযোগ নাই। একমাত্র জিনিস নিশ্চিত সেটা হলো মৃত্যু। কিন্তু এই মৃত্যু নিয়ে আমরা চিন্তা করি না এই জিনিসটা আপনি কিভাবে ব্যাখ্যা করবেন? একজন মহান তাবেঈ ছিলেন সুফিয়ান আস সাওরি রাহিমাহুল্লাহ। উনি বলছেন দুনিয়াতে যে পরিমাণ সময় থাকবা সেটা অনুযায়ী দুনিয়ার জন্য কাজ করো। আখিরাতে যে পরিমাণ সময় থাকবা সেটা অনুযায়ী আখিরাতের জন্য কাজ করো। দুনিয়াতে কতদিন থাকবেন বলেন? ৮০ বছর সর্বোচ্চ ১০০ বছর ১২০ বছর সর্বোচ্চ নাকি? আখিরাতে কতদিন থাকবেন? ১০০০ বছর ১০,০০০ বছর ১,০০,০০০ বছর চিরন্তন চিরস্থায়ী খালিদীনা ফিহা আবাদা। দুনিয়ার জীবন হলো ক্ষণস্থায়ী আখিরাতের জীবন হলো চিরস্থায়ী। কিন্তু আমরা আখিরাতের জীবনটা নিয়ে চিন্তা করি না। আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তা'আলা কুরআনে বলছেন কুল্লু নাফসিন জাইকাতুল মাউত। নিশ্চয়ই প্রত্যেক জীবকে মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে। ওয়া ইন্নামা তুয়াফফাওনা উজুরুকুম ইয়াওমাল কিয়ামা। এবং কিয়ামতের দিন তোমাদেরকে তোমাদের যে প্রতিফল যে কর্মফল সেটা পরিপূর্ণভাবে বুঝায়া দেয়া হবে। ফামাল যুযীআ আনিন্নারি ওয়া উদখিলাল জান্নাতা ফাকাদ ফায। যাকে জান্নাত আগুন থেকে রক্ষা করা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে সে হলো সফল। ওয়ামাল হায়াতুদ্দুনিয়া ইল্লা মাতাউল গুরুর। এই দুনিয়ার জীবন হলো ছলনাময় ভোগ। ছলনা প্রতারণাময় একটা ভোগ এটা ছাড়া আর কিছুই না। সূরা আলি ইমরানের আয়াত। এই একটা আয়াতে আল্লাহ আযযা ওয়া জাল আমাদের এই দুনিয়ার সব বাস্তবতা সব মৌলিক প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিসেন। যেই বিষয় নিয়ে আমাদের এত পেরেশানি যেই বিষয় নিয়ে আমাদের এত ছোটাছুটি যেই বিষয় নিয়ে আমাদের এত চিন্তা এত কষ্ট সবকিছুর আসল মূল্যটা কত? এই সবকিছুর পরে কি অপেক্ষা করতেছে? দুনিয়ার সফলতা কি ব্যর্থতা কি? এরপরে আমাদের জন্য কি অপেক্ষা করতেছে? এবং এর পরের আয়াতে আল্লাহ সুবাহানাল্লাহু ওয়া তা'আলা বলতেছেন লাতুবলাউন্না ফি আমওয়ালিকুম ওয়া আনফুসিকুম। নিশ্চয়ই তোমাদেরকে তোমাদের জান এবং মালের ব্যাপারে পরীক্ষা করা হবে।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript