Thumbnail for বাংলাদেশ VS মিয়ানমার যুদ্ধ লাগলে কে জিতবে ?😱😱 || Bangladesh vs Myanmar || CHANNEL UNIQUE by CHANNEL UNIQUE

বাংলাদেশ VS মিয়ানমার যুদ্ধ লাগলে কে জিতবে ?😱😱 || Bangladesh vs Myanmar || CHANNEL UNIQUE

CHANNEL UNIQUE

6m 52s1,031 words~6 min read
Auto-Generated

[0:01]রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেবো। এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ। বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই? বন্ধুরা দক্ষিণ এশিয়ার সবথেকে শক্তিশালী দেশের মধ্যে বাংলাদেশ এবং মায়ানমার রয়েছে। রোহিঙ্গা সংকট এবং বঙ্গোপসাগর নিয়ে সবসময় বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের মধ্যে তলে তলে লেগেই থাকে। অনেকেই বলে সামরিক শক্তিতে বাংলাদেশ এগিয়ে আবার অনেকেই বলে সামরিক শক্তিতে মিয়ানমার নাকি অনেক এগিয়ে। তো যাই হোক আজকের এই ভিডিওতে আমরা জানবো সামরিক শক্তির দিক দিয়ে কে এগিয়ে রয়েছে, বাংলাদেশ নাকি মিয়ানমার এবং যুদ্ধ লাগলে কে জিতবে? এবং আজকের এই ভিডিও থেকে আপনারা মোটামুটি ধারণা পেয়ে যাবেন যে কোন দেশ কতটা শক্তিশালী। তো কথা না বাড়িয়ে মূল ভিডিওতে চলে যাচ্ছি তো ভিডিওটি শুরু করার আগে আপকে সামনে এক বাড়া সা রেড বাটন হে আহ্ দাবাদিয়া আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। তো যাই হোক সামরিক শক্তির তুলনায় যাওয়ার আগে ভৌগোলিক গুরুত্বসহ অন্যান্য বিষয়গুলো দেখে আসি। বাংলাদেশের অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ার সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে। বিশেষ করে চীন এবং ভারতের মতো দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশের পাশেই এবং প্রায় একই অবস্থানে রয়েছে মিয়ানমার। আর এ কারণেই মিয়ানমার এবং বাংলাদেশ, চীন এবং ভারত এই দুই দেশের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া এই অঞ্চলে কখন যুদ্ধ বাঁধবে এই কুদৃষ্টি সব সময় দিয়ে রেখেছে আমেরিকা। যুদ্ধক্ষেত্রে মিয়ানমার এবং বাংলাদেশ দুই দেশেরই বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। বাংলাদেশ তুলনামূলক ছোট হলেও প্রচন্ড ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। আবার অন্যদিকে মিয়ানমার অনেকটাই বিশাল আকৃতির এবং অনেক দুর্গম অঞ্চলে ভরা। তাই এই দুই দেশে যুদ্ধ করাটা খুবই কঠিন একটা কাজ। তো যাই হোক বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা প্রায় 17 কোটির ওপরে। আর অন্যদিকে মিয়ানমারের মোট জনসংখ্যা 5 কোটি 40 লাখ। তো যাই হোক এবার দেখি সামরিক শক্তির দিক দিয়ে কে এগিয়ে রয়েছে। গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার 2021 সালের র‍্যাংকিং এ বাংলাদেশ এবং মায়ানমার কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশের অবস্থান 45 নম্বর এবং মিয়ানমারের অবস্থান 38 নম্বর। অর্থাৎ বাংলাদেশের থেকে মিয়ানমার কিছুটা এগিয়ে। এর অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে মিয়ানমারের বিমান বাহিনী বাংলাদেশের বিমান বাহিনী থেকে অনেকটাই উন্নত। তো যাই হোক মায়ানমারের থেকে বাংলাদেশের সামরিক বাজেট অনেকটাই বেশি। সামরিক বাহিনীর পেছনে মিয়ানমার খরচ করে থাকে বার্ষিক 2 বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর বাংলাদেশের সামরিক বাজেট বছরে প্রায় 4 বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তো দেখতেই পেলেন সামরিক বাজেটের দিক দিয়ে বাংলাদেশ অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। যদিও কম সামরিক বাজেট নিয়েও মায়ানমার অনেক বেশি অস্ত্র কিনে থাকে। বাংলাদেশ এবং মায়ানমার দুই দেশই প্রধানত চীনের অস্ত্রের ওপরে নির্ভরশীল। তবে দুই দেশের বিমান বাহিনীতেই রাশিয়ার যুদ্ধ বিমানের রাজত্ব রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে অস্ত্রের জন্য বাংলাদেশ তুরস্ক, ইউরোপ এবং আমেরিকার সাথে চুক্তি করেছে। অন্যদিকে মিয়ানমার ভারত এবং পাকিস্তান থেকে অস্ত্র কিনছে। অর্থাৎ দুই দেশের অস্ত্রগুলোতে প্রযুক্তিগতভাবে পার্থক্য তৈরি হতে শুরু করেছে। তো যাই হোক এবার দেখে আসি দুই দেশের মধ্যে কার কাছে কত সৈন্য রয়েছে। মিয়ানমারের সেনাবাহিনীতে মোট অ্যাক্টিভ সৈন্য সংখ্যা 4 লক্ষ 5 হাজার এবং প্যারামিলিটারি আছে 1 লক্ষ 10 হাজার। আর অন্যদিকে বাংলাদেশের মোট অ্যাক্টিভ সৈন্য সংখ্যা 2 লক্ষ 4 হাজার। সাথে বাংলাদেশের রিজার্ভ সৈন্য সংখ্যা 64 হাজার। আর মজার ব্যাপারটি হচ্ছে বাংলাদেশের 68 লাখ প্যারামিলিটারি রয়েছে। বাংলাদেশের কাছেই বিশ্বের বৃহত্তম প্যারামিলিটারি ফোর্স রয়েছে। যার মধ্যে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড অন্যতম। বাংলাদেশের কাছে বিশাল প্যারামিলিটারি থাকাটা মায়ানমারের কাছে অনেকটাই গলার কাঁটার মতো। এজন্য মিয়ানমার বাংলাদেশকে একটু হলেও ভয় করে। তাছাড়া অতীতে বাংলাদেশের প্যারামিলিটারি বাহিনীর সাথে মিয়ানমারের সংঘাতের উদাহরণ রয়েছে। তো যাই হোক মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর কাছে মোট ট্যাংক রয়েছে 590 টি। আর্মার্ড ভেহিক্যাল রয়েছে 1700 টি। ছোট-বড় আর্টিলারি এবং রকেট প্রজেক্টর রয়েছে প্রায় 2500 টি। এদিকে বাংলাদেশের কাছে মোট যুদ্ধ ট্যাংক রয়েছে 620 টি এবং আর্মার্ড ভেহিক্যাল রয়েছে 2000। কিন্তু বাংলাদেশের কাছে আর্টিলারি রয়েছে 600 থেকে 700 টি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ চীনের তৈরি 45 টি অত্যাধুনিক ভিটি 5 ট্যাংক অর্ডার করেছে। এবং সেগুলো খুব জলদি বাংলাদেশে পৌঁছে যাবে আর এগুলো বাংলাদেশের সামরিক সক্ষমতাকে অনেকটাই বাড়িয়ে দেবে। এছাড়াও তুরস্ক থেকে কেনা নতুন মাল্টিপল রকেট লঞ্চার মায়ানমারের ভয়ের কারণ। তবে বিমান বাহিনীর কথা বললে এদিক দিয়ে মিয়ানমার অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। বর্তমানে মিয়ানমার এবং বাংলাদেশ দুই দেশের কাছেই সবথেকে শক্তিশালী ফাইটার জেট রয়েছে যেটি নাম রাশিয়ার তৈরি MIG 29। বাংলাদেশের কাছে মোট MIG 29 রয়েছে 8 টি। অন্যদিকে মিয়ানমারের কাছে মোট MIG 29 রয়েছে 31 টি। অর্থাৎ বাংলাদেশের থেকে মিয়ানমারের কাছে MIG 29 রয়েছে চার গুণেরও বেশি। এছাড়াও বাংলাদেশের কাছে F7 ফাইটার জেট রয়েছে 50 টি। অন্যদিকে মিয়ানমারের কাছেও F7 ফাইটার রয়েছে 50 টি। কিন্তু বাংলাদেশের F7 গুলো মিয়ানমারের তুলনায় অনেকটাই অত্যাধুনিক। মিয়ানমার পাকিস্তানের কাছ থেকে 7 টি JF17 ফাইটার জেট হাতে পেয়েছে। এছাড়াও রাশিয়ার কাছে SU30 ফাইটার জেট অর্ডার করেছে। তবে মজার একটি তথ্য হচ্ছে মিয়ানমারের ওপরে জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তাই রাশিয়া মিয়ানমারকে যুদ্ধবিমান গুলো শেষ পর্যন্ত ডেলিভারি করতে পারবে কিনা সেটা সন্দেহের বিষয়। তারপরও এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের বিমান বাহিনী মিয়ানমারের বিমান বাহিনী থেকে তুলনামূলক পিছিয়ে রয়েছে। যদিও বাংলাদেশ এমআরসি এর জন্য টেন্ডার নিয়েছে। এমআরসিএতে বিমান হাতে পেলে রাতারাতি বাংলাদেশের সক্ষমতা অনেক গুণ বেড়ে যাবে। এবার আসি সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নৌবাহিনীর দিকে। বর্তমানে মায়ানমারের কাছে ফ্রিগেট রয়েছে 5 টি এবং কর্ভেট রয়েছে মোট 3 টি। সম্প্রতি মিয়ানমার ভারতের কাছ থেকে একটি সাবমেরিন পেয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশের কাছে ফ্রিগেট রয়েছে মোট 7 টি, কর্ভেট আছে মোট 6 টি এবং বাংলাদেশের কাছে 2 টি সাবমেরিন রয়েছে যেটি বাংলাদেশ চীন থেকে ক্রয় করেছে। বাংলাদেশের নৌবাহিনী মিয়ানমারের নৌবাহিনী থেকে প্রায় দ্বিগুণ শক্তিশালী। বিশেষ করে বঙ্গোপসাগরের নিয়ন্ত্রণ নিতে মায়ানমারকে বাংলাদেশ থেকে অনেকটাই পিছিয়ে থাকতে হবে। এছাড়া বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে আরো শক্তিশালী করার জন্য আরো 6 টি ফ্রিগেট তৈরি করার প্রকল্প হাতে নিয়েছে। তবে বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের মধ্যে যেই উত্তেজনা রয়েছে তা দুই দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। চীন, রাশিয়া এবং পশ্চিমা বিশ্বও এই বিষয় নিয়ে জড়িয়ে পড়ছে। তবে বাংলাদেশের সাথে চীন এবং রাশিয়ার বেশ ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। তবে মিয়ানমারের সাথে পশ্চিমা দেশগুলোর সম্পর্ক তেমন ভালো নেই। এছাড়াও মিয়ানমার দেশটির মধ্যেই সবসময় যুদ্ধ লেগে থাকে। তাদের বিভিন্ন রাজ্যে অনেকদিন ধরেই সংকট চলছে এবং কিছুদিন আগে মায়ানমারে গৃহযুদ্ধ হয়েছে। আর যেহেতু মিয়ানমারের নিজের দেশের ভেতরের অবস্থাই ভালো নেই তাই যুদ্ধ লাগলে কোন দেশের বেশি দেরি লাগবে না মায়ানমারকে দখল করতে। আর আপনারা সকলেই জানেন বাংলাদেশ একটি শান্তিপূর্ণ দেশ। এছাড়াও বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে সামঞ্জস্যতা রয়েছে। এছাড়া পূর্ববর্তী যুদ্ধতেও আপনারা দেখেছেন মিয়ানমার কয়দিন বাংলাদেশের সামরিক শক্তির সাথে টিকতে পেরেছে। তো এবার কমেন্ট বক্সে আপনারাই জানান যুদ্ধ লাগলে কোন দেশটি জিতবে। তবে এখানে আমার একটি কথা রয়েছে যেই দেশের সৈন্য বা অস্ত্র-শস্ত্র যতই বেশি থাকুক না কেন সেই দেশের সৈন্যরা যদি সাহসী এবং দেশপ্রেমিক না হয় তাহলে সেই দেশ কোনদিনই যুদ্ধে জিততে পারবে না। তো যাই হোক ভিডিওটি ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। এবং যেমনটা আমি সবসময় বলি আপনারা যতই ব্যস্ত থাকুন না কেন নামাজ পড়তে কিন্তু অবশ্যই ভুলবেন না কারণ নামাজ হচ্ছে জান্নাতের চাবি। তো ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript