[0:00]নমস্কার বাংলা বার্তা থেকে বলছি সনময় বন্দ্যোপাধ্যায় তাহলে খুব স্বল্প সময়ের জন্য কি পশ্চিমবঙ্গের রাষ্ট্রপতি শাসন প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্বে রয়েছে রাজভবনে টিএন রবী সিদ্ধান্ত হয়তো নেবেন সেদিকে তাকিয়ে থাকবো কিন্তু খুব স্বল্প সময় যেন কেন রাষ্ট্রপতি শাসন? গতকাল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার পার্শ্বদদের নিয়ে বসে বলেছেন আমি পদত্যাগ করবো না কেন আমি রিজাইন করিনি। কেন বললেন এটা? বলার কারণ হচ্ছে যে তিনি ডিফিটটাকে এক্সেপ্ট করতে পারেননি এক্সেপ্ট করতে পারছেন না সেটা তো একটা দিক। তার ভক্তকুলের কাছে তার স্তাবক কুলের কাছে মমতা বন্দোপাধ্যায় যে ইন্টারপ্রেটেশনটা করার চেষ্টা করছেন সেটা খুব ইন্টারেস্টিং। তিনি যেটা করার চেষ্টা করছেন পরিষ্কারভাবে মমতা বন্দোপাধ্যায় এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে দাঁড়িয়ে যেটা করতে চেষ্টা করছেন তিনি নিজে শহীদ হতে চাইছেন। শহীদটা কি? যে আমি হারিনি আমাকে জোর করে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার জন্য প্রচুর চেষ্টা করেছেন প্রেস কনফারেন্স করে বলেছেন এই তো সোনিয়া গান্ধী আমাকে ফোন করেছেন এই তো আমাকে রাহুল গান্ধী ফোন করেছেন এই তো অখিলেশ ফোন করেছেন। এই তো কেলরিওয়াল ফোন করেছেন এই তো উদ্ভব ठाकरे ফোন করেছেন সবাই নাকি ওকে ফোন করেছেন। আমার খালি মনে হচ্ছিল বলেনি ভাগ্যেশ রাজীব গান্ধী ফোন করেছেন। নরসিমারাও ফোন করেছেন ইন্দিরা গান্ধী ফোন করেছেন ভাগ্যেশ বলেনি। সেই সৌভাগ্য অন্তত পশ্চিমবঙ্গের হয়েছে সেইটুকু অন্তত তিনি বলেননি। কিন্তু যা যা বলেছেন তাতে স্পষ্ট ইঙ্গিত তিনি একটু শহীদ হওয়ার চেষ্টা করছেন রাজভবন থেকে রাজ্যপাল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে বরখাস্ত করছেন এই ইন্টারপ্রেটেশনটা নিয়ে বাজারে বিক্রি করতে বেরোবেন। ইন্ডি জোটে যদি কিছু লাভ হয় লাভ কিছু হবে না বরং লোকসান হবে। কারণ গতকাল আমি দেখছিলাম শুভেন্দু অধিকারী একটি খুব সাংঘাতিক কথা বলেছেন কথাটা একটু আপনাদের শোনাই। যেখানে পরিষ্কারভাবে শুভেন্দু বলছেন যে এবার সরকার বললে আর টিমসিকে উঠে দাঁড়াতে দেব না তার সমস্ত ব্যবস্থা আমরা করবো। দলের পক্ষ থেকে আমরা ব্যবস্থাটা করব সরকারের পক্ষ থেকেও করব। এটা খুব ইঙ্গিত ভাই মমতা বুঝতে পারছেন প্রশাসন ছাড়া ক্ষমতা ছাড়া অর্থ ছাড়া কিভাবে তার দলটা টিকবে। এখনই তো খবর পাওয়া যাচ্ছে জাহাঙ্গীরের কেন কি পাওয়া যাচ্ছে না ফলতা থেকে সেই যে হাফিস হচ্ছেন কোথায় কেউ জানে না। ওদিকে শান্তনুর সিনা বিশ্বাস তার দেখা নাই তার বিরুদ্ধে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট একজন ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ তার বিরুদ্ধে হুঁইয়া মানে লুকআউট নোটিশ জারি করেছেন। ঠিক এই আবহায় দাঁড়িয়ে শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি শাসন কেন হবে কিসের জন্য হবে আমি খুব সংক্ষেপে আপনাদের ব্যাখ্যা করে কয়েকটা ছোট্ট তথ্য দেবো। যেখানে দাঁড়িয়ে এই দেখুন সাত তারিখ অর্থাৎ শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার মমতা বন্দোপাধ্যায় টার্মটা শেষ হয়ে যাচ্ছে অন্তত প্রোটিন স্পিকার হিসেবে এই সময় প্রোটিন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে চালানোর জন্য রাজভবন থেকে নরমালি আউটগোয়িং চিফ মিনিস্টারদের বলা হয়। এখানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে যদি এটা বলেন এ আপনার টার্মটা শেষ হয়ে গেছে আপনি রিজাইন করেছেন কিন্তু রিজাইন তো মুখ্যমন্ত্রী করেননি। এখানে একটা ছোট্ট কনস্টিটিউশন ক্রাইসিস আছে আমি দেখছিলাম সংবাদ মাধ্যমের একটু ডিটেইলস কেটে যেখানে হচ্ছে নিয়ম অনুযায়ী তৃণমূল বিধায়কদের যারা হেরে গেছেন এখনো তারা বিধানসভার সদস্য পদে বহাল আছেন। সভাপতি মমতা বন্দোপাধ্যায় প্রচলিত রীতি মেনে রাজ্যপালের কাছে পদত্যাগপত্র পেশ না করায় এক অভিনব সাংবিধানিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। এখনো স্পষ্ট নয় এ ব্যাপারে রাজ্যপাল রবি কি করবেন? টিএন রবী কি করবেন সেটা স্পষ্ট এটা স্পষ্ট নয় যদিও মিডিয়া বলছে সেটা হচ্ছে ইন্টারিম পিরিয়ডের জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যখন পদত্যাগ করেননি তাকে কন্টিনিউ করতে বলবেন। না দুদিনের জন্য রাষ্ট্রপতি শাসনটা জারি করে দেবেন কারণ যদি দুদিনের জন্য কন্টিনিউ করতে বলেন এবং তারপরে যদি রিজাইন না করেন তারপর যখন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শপথ নেবেন তাহলে একটা ছোট্ট কন্সটিটিউশনাল ক্রাইসিসের ফাঁকফোকর সাংবিধানিকভাবে থেকে যেতে পারে। নিয়ম হচ্ছে যে যেকোনো মুখ্যমন্ত্রী যখন হারেন যেকোনো রাজনৈতিক শাসক দলের মুখ্যমন্ত্রী যখন হারেন গভর্নর হাউজে যান পদত্যাগপত্র দেন দিয়ে তখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে রাজ্যপাল বলেন যে আপনি আরো দুদিন টিল শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সেই পর্যন্ত যতক্ষণ না শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি প্রোটিন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কাজ চালান। এক্ষেত্রে সেই স্কোপ নেই কারণ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তো পদত্যাগই করেননি এবং মানুষের কাছে জনমনের একটা চেষ্টা করছেন এইটা বোঝানো এর দেখো আমরা আমাকে ওরা জোর করে হারিয়ে দিয়ে গেছে হারিয়ে দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে যেটা সম্ভাবনা আছে আমি এবার একটু সংক্ষেপে আপনাদের কাছে পড়ে শোনাবো সেটা হচ্ছে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির বিষয়টা এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয় কোন কারণে। বলে কোন কোন মহল মনে করছে যদি এমন পরিস্থিতি নজরে আসেনি প্রচলিত রীতি হলো বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করলে রাজ্যপাল সঙ্গেই তার হাতে চিঠি ধরিয়ে পরবর্তী সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত তাকে কাজ চালাতে বলেন। সংবিধানে নির্দিষ্ট করে বলা নেই যে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীকে নির্বাচনের ফল প্রকাশ কতদিনের মধ্যে শপথ নিতে হবে। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীকে পদত্যাগের কোন সম্পর্ক নেই রীতি হলো ফল প্রকাশের পর মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন রীতি মেনে রাজ্যপালের কাছে পদত্যাগপত্র পেশ না করায় রাজ্যের সাংবিধানিক সংকট একটা তৈরি করেছেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। 164 অনুচ্ছেদে রাজ্যপাল কর্তব্য অধিকার স্পষ্ট করা আছে সাংবিধানিকভাবে রাজ্যপাল মনে করলে মুখ্যমন্ত্রীকে পদচ্যুত করতে পারেন। সেই পরিস্থিতিটা কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে তৈরি হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরামর্শদাতা বা তিনি নিজেই হয়তো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আমি একটু শহীদ হওয়ার চেষ্টা করি। দেখো আমি হারিনি কিন্তু আমাকে বরখাস্ত করানো লাভ কিছু হবে না অনেক চেষ্টা করেছেন নির্বাচনটাকে ঘাটতে ভাবুন তো 2025 সালের জুলাই মাস থেকে এসআইআর ঘাটার প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন বিহার নির্বাচনের সময় থেকে। এসআইআর ঘাটা বিএলওদের নিয়ে খেলা এই আরও নিয়ে খেলা ই আরও নিয়ে খেলা কয়েক কোটি টাকা সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে নামি নামি আইনজীবীদের পেছনে খচ্চা করা ভোটার তালিকা প্রকাশ ভোটার তালিকার নাম আনা জোর করে নতুন করে নাম ঢোকানোর চেষ্টা করা কত কিছু করলেন। এডজুডিকেশনের পর্বটাকে ইনস্যুর করতে 700 বিচারপতি নিয়োগ করতে হলো সুপ্রিম কোর্টকে এবং তারপর ধরুন ট্রাইব্যুনাল সেই ট্রাইব্যুনালে ও কোন লাভ হলো না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নির্বাচনটা হলো এসআইআর এর ভিত্তিতে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিউশনের ফলে যে ভোটার তালিকা তৈরি হলো সেই ভোটার তালিকার ভিত্তিতে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনটা পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে হচ্ছে। এই বাস্তবতার আবহ এ আমি আজকে আপনাদের কাছে পরিষ্কার বলি যে রাজভবন কিন্তু প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে যে যেকোনো দিন শপথ গ্রহণ হবে যা খবর বিভিন্ন ইতুতে ভেসে আসছে সেটা হচ্ছে 9 তারিখ শনিবার 25শে বৈশাখের দিন হতে পারে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হতে পারে আমি বলছি সমনার কথা বলছি। তাহলে বাকি রইল কি? সাত আট নয় সাত তারিখের মধ্যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি ধরানোর কথা রিজাইন করার পর যে আপনি ইন্টারিম পিরিয়ডে রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নেওয়া পর্যন্ত আপনি কাজটা চালান। কিন্তু তিনি তো পদত্যাগ করেননি তাহলে কাজটা তাহলে তাহলে তাহলে তাহলে তাকে চিঠি ধরাবেন কি করে আর পদত্যাগ না করলে সেখানে যে ছোট্ট একটা ক্রাইসিসের জায়গা হতে পারে সেখানে রাজভবন টিএন রবী হয়তো বরখাস্ত করেছেন এই নোটিফিকেশনটা জারি করলেন এবং দুদিনের জন্য ইন্টারিম পিরিয়ডের সাত আট নয় যদি 9 তারিখ শপথ হয় তাহলে একটা রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে দুদিন তার নিজের হাতে ক্ষমতাটা রাখবেন। এতে অবশ্যই গেল গেল রব করবে আনন্দবাজার পত্রিকা কিন্তু মমতা বন্দোপাধ্যায়ের এই অসহ্যতা নিয়ে তারা সেভাবে সরম নন কেন অসুবিধাটা কোথায়। আমি এটুকু কথা বলে এদিকে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটটা বলি যে আমি যখন আজকে এই প্রতিবেদন প্রস্তুতি নিচ্ছি গতকাল রাত্রি থেকে তখন সুনীল বানসাল উড়ে গেছেন বিজেপির সভাপতি সাধারণ সম্পাদক দিল্লিতে শপথ গ্রহণের পুরো ব্যাপারটাকে ফাইনাল করতে। আজকে যখন আপনাদের কাছে প্রতিবেদন পেশ করছি ছয় তারিখ সাত তারিখ অনেক রাতে হয়তো অমিত শাহ উড়ে আসবেন যা খবর মোহন চরণ মাঝি উড়িশার মুখ্যমন্ত্রীকে অবজার্ভার করা হয়েছে। ফলত আট তারিখ সম্ভাবনা আছে আট তারিখ সকালবেলা পরিষদীয় দলের অর্থাৎ নবনির্বাচিত 207 জন বিজেপি বিধায়কের একটি মিটিং হবে। সেই মিটিং এ উপস্থিত থাকবেন অমিত শাহ এবং উপস্থিত থাকবেন মোহন চরণ মাঝি উড়িশার মুখ্যমন্ত্রী এখনো যা খবর কিছু পরিবর্তিত হতে পারে। এবং সেখানেই পরিষদীয় দলনেতা কে হবেন তার নাম ঘোষণা করবেন মোহন চরণ মাঝি যিনি পর্যবেক্ষক ইন প্রেজেন্টস অফ অমিত শাহ এমনই অন্তত এখনো পর্যন্ত তথ্য আমি সেটা আপনাদের কাছে বললাম। এবার সেইখান থেকে একটা টিম অফ ডেলিগেশন বিধায়কদের নবনির্বাচিত বিধায়কদের সিনিয়র টিম মেম্বার তারা যাবেন বিধান রাজভবনে টিএন রবিনকে কাছে প্রতিবেদন সরসরী তাদের কাছে আবেদন পেশ করতে যে আমরা নতুন সরকার গঠন করব। আমাদের শপথ গ্রহণের আপনি অনুমতি দিন। রাজভবন তখন সেখানে অনুমতি দেবেন এবং তারপর দিন নির্ধারণ হবে এই দিনটা অবশ্য আগেই নির্ধারিত হয়ে থাকে যদি 9 তারিখ হয় তাহলে 8 তারিখ দাবি পেশ করা হবে নতুন সরকারকে শপথ গ্রহণের এবং সেই শপথ গ্রহণ প্রথম দিকে শোনা গিয়েছিল রাজভবন হবে পরবর্তীকালে শোনা যাচ্ছে যে আজকের মধ্যে সেটা ফাইনাল হবে হয়তো ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে 9 তারিখ হবে সাধারণ মানুষের আবেগকে মর্যাদা দিতে এবং মনে রাখবেন সে 25শে বৈশাখ। ফলত একটা বাঙালির আবেগ জড়িত আছে সেই বাঙালির আবেগ কি জুড়তে চাইবেন সর্বভারতীয় বিজেপি নেতৃত্ব এই শপথ গ্রহণের সঙ্গে হতেই পারে সম্ভাবনা সেদিকে আছে। আমি এইটুকু কথা বলে আরো একটা তথ্য আপনাদের কাছে দেবো সেটা হচ্ছে যখন এই দাবি পেশ করবেন তখন শপথ গ্রহণ করিয়ে তাদের নির্দিষ্ট একটা তারিখ দেওয়া হবে তার মধ্যে বিধানসভায় তাদের যে মেজরিটি আছে সেটাকে প্রমাণ করার জন্য একটা তারিখ দেওয়া হবে। বিধানসভায় সেটা সেই অনুযায়ী তারা মেজরিটি প্রমাণ দেবেন আর তার মধ্যে যেদিন শপথ গ্রহণ হবেন সে কি সমস্ত মন্ত্রিসভার সম্মন্ত্রীরা শপথ নেবেন না। নিশ্চিতভাবে আমার ধারণা সাত থেকে 9 জন মন্ত্রীকে হয়তো শপথ নেওয়া হবেন শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে সেটা যদি ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডেও হয় সর্বসম্মুখে বিজেপির সমস্ত নেতা ইনক্লুডিং যিনি পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে নির্বাচিত হবেন পরবর্তীকালে মুখ্যমন্ত্রী হবেন তিনি এবং তার সঙ্গে সাত থেকে 9 জন মতো সবাই মিলে তারা শপথ নেবেন জনসাধারনের সম্মুখে সেই সম্ভবনা এখনো পর্যন্ত প্রবল। আমি এইটুকু তথ্য দিয়ে আজকের এই প্রতিবেদনে নির্দিষ্ট নির্দিষ্ট কতগুলো ফ্যাক্ট ফিগার্স আমার খুব বলতে ইচ্ছা করল আমার মনে হয় বাংলা বার্তার দর্শকদের কাছে এটা খুব ইন্টারেস্টিং হবে বলে বলছি। আমি হিসেব করে দেখছিলাম যে 207টি আসন বিধানসভায় জিতেছেন। বিজেপি সর্বভারতীয় দল বিজেপি জিতেছেন তারা 207টি আসনের মধ্যে 9টি জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসকে শূন্য করে দিয়েছেন। কোন কোন জেলা? পূর্ব মেদিনীপুর 16 তে 16 করেছেন পুরুলিয়া নয়ে 9-0 করেছেন বাঁকুড়া 12টির মধ্যে 12টি আসন জিতেছেন জলপাইগুড়ি 7টির মধ্যে 7টি আসন জিতেছেন দার্জিলিং এর 5টির মধ্যে 5টি আসন জিতেছেন। পশ্চিম বর্ধমানের 9টি আসনের মধ্যে 9টি আসন বিজেপি জিতেছে ঝাড়গ্রামের 4টি আসনের মধ্যে 4টি আসনে জিতেছে আলিপুর দুয়ারে 5টি আসনের মধ্যে 5টি আসনে জিতেছে কালিম্পং এ একটি আসন ছিল একটি আসন জিতেছে। অর্থাৎ 9টি জেলায় মোট 68টা যে আসন সেই 68টা আসনে মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস এই 9টি জেলায় একটি আসনও পায়নি। আমার কাছে খুব ইন্টারেস্টিং মনে হয়েছে এর মধ্যে পশ্চিম বর্ধমান যেখানে 9টি আসনের মধ্যে একটিও পায়নি। পূর্ব মেদিনীপুর এটা জানাই ছিল যে 16-16 শূন্য করে দিতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী সেটাই করেছেন পুরুলিয়া বাঁকুড়া সমস্ত অঞ্চলগুলো তো আগে প্রত্যাশিত ছিল ভালো রেজাল্ট করবেন। ঝাড়গ্রাম আর ওদিকে উত্তরবঙ্গে জলপাইগুড়ি দার্জিলিং আলিপুরদুয়ার সমস্ত জায়গায় কিন্তু অ্যাবসলিউট মেজরিটি পেয়েছে বিজেপি তৃণমূল কংগ্রেস খাতায় খুলতে পারেনি। আর যে তিন জেলায় তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপির থেকে এগিয়ে থাকে সেই তিনটি জেলা হচ্ছে মুর্শিদাবাদ যেখানে তুল্যমূলক লড়াই অসম্ভব ভালো লড়াই বিজেপি করেছে 9টি আসনের মধ্যে 9টি আসন তৃণমূল জিতেছে 22টি আসনের মধ্যে। 8টি আসন জিতেছে বিজেপি যেখানে 60 থেকে 70 শতাংশ মাইনরিটি ভোটারদের আধিক্য সেইখানে 22টি আসনের মধ্যে 8টি বিজেপি জিতেছে। একটি দুটি দুটি সিপিএম আইএসএফ কংগ্রেস এবং হুমায়ুন কবির মিলে বাকি দুই দুই চার এক পাঁচটি আসন পেয়েছেন। দক্ষিণ 24 পরগনা যেখানে প্রচুর মাইনরিটি মানুষের বসবাস সেখানে যেখানে এসআইআরকে ঠিকমতো হতে দেননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা সেখানেও কিন্তু 19টি 29টি আসনের মধ্যে 10টি আসন বিজেপি জিতেছে 19টি আসন নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস ওই জেলায় এখনো এগিয়ে আছে। আর উত্তর দিনাজপুর সেখানে মাইনরিটি মানুষের বসবাস প্রবল সেখানেও 9টি আসনের মধ্যে 5টি জিতেছে তৃণমূল কংগ্রেস 4টি জিতেছে বিজেপি অর্থাৎ এই তিনটি জেলা মুর্শিদাবাদ দক্ষিণ 24 পরগনা উত্তর দিনাজপুরে আমি দেখছিলাম হিসাবমতো এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সম্ভবত এর সঙ্গে সংযুক্ত হবে হাওড়া। আমি হাওড়ার তথ্যটাও দিই হাওড়া 16টি আসনের মধ্যে 9টি আসন তৃণমূল আছে 7টি আসন বিজেপি আছে যদিও হাওড়ায় তৃণমূলের রেজাল্ট অনেক ভালো হবে বলা হয়েছিল কিন্তু 9টি তৃণমূল 7টি বিজেপি অর্থাৎ 4টি জেলায় তৃণমূল এগিয়ে আর মালদহ জেলাটায় 12টি আসন ছয় ছয় বলে ভাগ হয়ে গেছে। বাকি আসনগুলো বাকি জেলাগুলি সম্বন্ধে বলা খুব প্রয়োজনই তবুও একটু বলবো যে উত্তর 24 পরগনা মারাত্মক রেজাল্ট করেছে বিজেপি 24টি আসন বিজেপি পেয়েছে 9টি আসন তৃণমূল পেয়েছে অভাবনীয়। এন্টার ব্যারাকপুরে প্রায় মুছে দিয়েছেন অর্জুন সিংরা ব্যারাকপুর থেকে নৈহাটি পর্যন্ত কলকাতাতে কলকাতাতে যতটা ভালো বিজেপির রেজাল্ট হওয়ার কথা ছিল আসন বিন্যাসে ততটা ভালো হয়নি। 6টি আসন বিজেপি পেয়েছে যদিও বিজেপি এগিয়ে আছে 5টি আসন তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে যদিও এই অঞ্চলগুলির প্রত্যেকটি প্রায় মাইনরিটি মাইনরিটি মানুষের প্রচুর বসবাস। এছাড়া রয়েছে আপনার পূর্ব বর্ধমান যেখানে 14টি আসন বিজেপি পেয়েছে 2টি আসন তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে হুগলি জেলা অসম্ভব ভালো বিজেপি রেজাল্ট করেছে 16টি আসন বিজেপি পেয়েছে 2টি আসন মাত্র তৃণমূল পেয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুর 19টি আসনের মধ্যে 13টি বিজেপি 2টি তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে কোচবিহার এ একটিমাত্র আসনে খাতা খুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস 8টি আসন জিতেছে বিজেপি। এছাড়া অন্যান্য জেলার মধ্যে উত্তর দিনাজপুরে তো আপনাদের কাছে বলেছি 5টি আসন পেয়ে তৃণমূল এগিয়ে থেকেছে দক্ষিণ দিনাজপুরের 2টি আসন তৃণমূল 4টি আসন কিন্তু বিজেপি পেয়েছে। নদিয়া জেলাতেও আরেকটি জেলা হুগলি জেলার মতো উত্তর 24 পরগনা জেলার মতো অসম্ভব ভালো রেজাল্ট করেছে বিজেপি 3টি তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে 14টি বিজেপি পেয়েছে। ঝাড়গ্রাম তো আগেই বলেছি বীরভূম অনুব্রত মন্ডল কাজল শেখদের জেলা সেইখানে সবাইকে চমকে দিয়ে 16টি আসনের মধ্যে 5টি তৃণমূল 11টি আসন বিজেপি পেয়েছে। আমার এখানে খুব ইন্টারেস্টিং একটা ফ্যাক্টস আপনাদের কাছে একটু বলতে ইচ্ছে করল সেটা হচ্ছে একটু খেয়াল করে দেখুন হুগলি জেলা হুগলি জেলা এবং তার পাশাপাশি পশ্চিম বর্ধমান নদীয়া উত্তর 24 পরগনা চমকে দেওয়া রেজাল্ট কিন্তু বিজেপির পক্ষে গেছে। আমি আপাতত এইটুকু তথ্য দিয়ে আমি আরেকটি তথ্য দিয়ে আজকের এই প্রতিবেদন শেষ করার সময় একটি ছোট্ট ভিডিও দেখাবো যে দেখুন এবারের 2026 এর এই পরিবর্তনের নির্বাচনে বিজেপি 63 লক্ষ অতিরিক্ত ভোট পেয়েছে 2021 এর থেকে। আর বিজেপির ভোট পার্সেন্টেজ বলছি তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে 21 লাখ কম ভোট বিজেপি 63 লক্ষ অতিরিক্ত ভোট পেয়েছে 2021 এর থেকে আর তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট কমেছে 21 লক্ষ। আর বিজেপির পার্সেন্টেজ ছিল 2021 এর নির্বাচনের 38% 38% তৃণমূলের ছিল 48% 48% সেই তৃণমূলের 48% টা নেমে দাঁড়িয়েছে 41% এ অর্থাৎ স্ট্রেট হয়ে 7% ভোট কমেছে যেখানে বিজেপির ভোট বেড়েছে আপনার 10% অর্থাৎ 7% তৃণমূলের কমেছে 10% বিজেপির বেড়েছে। আর এর মধ্যে তৃণমূল বিজেপি 2026 এর নির্বাচনে পেয়েছে 46% 46% আর তৃণমূল পেয়েছে 41% এই 41% এর মধ্যে একটা ফ্যালাসি আছে সেটা হচ্ছে প্রচুর মাইনরিটি ভোটের ভোটারের আধিক্য আছে। ফলত সেটা জেনারেল সিটগুলোতে রিফ্লেক্টেড হয়নি 41% জেনারেল সিটগুলোতে আমি হিসেব করে আপনাদের পরবর্তীকালে দেখাবো যে জেনারেল সিটগুলোতে 41% নয় তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট পার্সেন্টেজ 37 টু 38% এর তলায় নেমে গেছে। মাইনরিটি এলাকায় প্রচুর ভোট পাওয়ার ফলে সেইটাকে 41% টা ওভারঅলে নিয়ে গেছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি যেদিকে সে বিধ্বংসী ঝড়ে তৃণমূলের উড়ে যাওয়া এবং অল ক্রেডিট গোস টু দ্যা পিপল অফ দিস বেঙ্গল বাংলার এই মুহূর্তে যে পরিবর্তনের ঝড় উঠেছে সেই পরিবর্তনটা বাংলার মানুষ সরকারি কর্মচারী অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী থেকে শুরু করে শিক্ষিত বেকার পরিযায়ী বাঙালিরা যারা দলে দলে ভোট দিতে এসেছেন এবং অসংখ্য কনট্রাকচুয়াল কর্মী অসংখ্য অসংখ্য মানুষ যারা প্রতারিত বঞ্চিত লুম্পেন তৃণমূলের লুম্পেন আর লুটে রাজনীতির ফসল গুনেছে। তারা ঘুরে দাঁড়িয়ে তৃণমূলকে বিদায় দিয়েছেন এবার দেখার নতুন সরকার কিভাবে নতুন সরকার কে মানুষের জনমুখী করতে পারেন সেদিকে তো নজর থাকবে নজর থাকবে কে পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কারণ হিসেবে হাল ধরছেন। বিজেপি সর্বভারতীয় যেসব প্রজেক্ট গুলো আছে কিভাবে পশ্চিমবঙ্গে আসবে নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে কিভাবে শিল্পায়ন হবে এই পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে। সেদিকে তো নজর থাকবে কিন্তু নজর কিন্তু একটা জায়গায় দিতেই হবে আজকের এই প্রতিবেদন শেষ করার সময় সরাসরি চলে যাব 14 তলা নবান্নের বিল্ডিং এ যে নবান্নের 14 তলায় গণবিক্ষোভ হয়েছে প্র্যাকটিক্যালি গণরোষ হয়েছে। এবং খবর যা এখনো পর্যন্ত নতুন মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী বা তার মূল মন্ত্রীরা বসবেন কিন্তু রাইটার্স বিল্ডিংস এ যে রাইটার্স বিল্ডিংসকে 13 বছর ধরে সারাচ্ছি সারাবো বলে অবজ্ঞা উপেক্ষা করে মমতা বন্দোপাধ্যায় একটা ঐতিহাসিক জায়গা কি ধ্বংসের মুখে ফেলে ফেলে দিয়ে নবান্নের 14 তলার সুরক্ষিত জায়গায় গিয়ে পৌঁছেছিলেন এবং সেখানেও শেষ পর্যন্ত সুরক্ষা ছিল না কেননা বাংলার বার্তার আমি বহু তথ্য বহু নথি বহু ফাইলের কাগজপত্র বহু ডকুমেন্টস আমি 13 তলা 12 তলা 11 তলা 7 তলা 9 তলা থেকে আমি বার করে নিয়ে এসেছি আমি বাংলার বার্তার তরফ থেকে সনময় বন্দ্যোপাধ্যায়। এবং যারা আমাকে দিয়ে সাহায্য করেছেন সেই মানুষগুলোকে মমতা বন্দোপাধ্যায় চিনতে পারেননি সিসিটিভিও বসিয়েছেন কিন্তু তাতেও কিছু হয়নি সেই মানুষগুলোর কাছে আমি জোড় হাত করে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি যে আপনারা না থাকলে এত তথ্য আমরা ওই নবান্নের 7 তলা থেকে 13 তলা পর্যন্ত খুঁজে খুঁজে বার করতে পারতাম না। আপনাদের বলেছি আমরা যে নবান্নের এক তলে প্রতাপ না বাহিনী বসে থাকতো গ্রিভেন সেলের পাশে পাশে উপান্ত কিভাবে আইপ্যাক গিজগিজ করতো নবান্নের ঘরে ঘরে আমরা ঢুকে গিয়েছিলাম সেই নবান্নকে আজকে উনিশ জানাই সে নবান্নের কর্মী মোলকে যারা সেই নবান্নে একটা অসামান্য দৃশ্য উপহার দিলেন গতকাল আজকের এই প্রতিবেদনে সেই দৃশ্যটা দিয়ে শেষ করবো যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বসেছিলেন কাদের সঙ্গে ঘর করে ছিলেন এই দৃশ্য নিশ্চিতভাবে মমতা বন্দোপাধ্যায় নিজের কালীঘাটের কুঠরিতে বসে দেখছেন আর ভাবছেন কাদের নিয়ে ঘর করেছি এতদিন কারা এরা এরা আজকে আমি চলে আসার সাথেই জয় শ্রী রাম বলছেন আমি হেরে যাওয়াতেই জয় শ্রী রাম বলে চিৎকার করছেন উল্লাসে ফেটে পড়ছেন নবান্নের এক তলা থেকে 13 তলা এই দৃশ্য ভারী মনোরম আজকে বাংলা বার্তার দর্শকদের জন্য উপহার রাখলাম।
Watch on YouTube
Share
MORE TRANSCRIPTS



