[0:08]প্রায় এক শতাব্দী ধরে 200 টি জাহাজ, 100 টি প্লেন একটিমাত্র জায়গায় এসে গায়েব হয়ে যায়। সমুদ্রের সবথেকে রহস্যময় আর অভিশপ্ত এই জায়গাটি বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল নামে পরিচিত। যেখানে গেলে ফিরে আসার চান্স খুবই কম থাকে। সিমিলার দুর্ঘটনা তো বিশ্বের বিভিন্ন সমুদ্রে প্রায় সময়ই ঘটে থাকে। কিন্তু তারপরেও বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের কি এমন রহস্য লুকিয়ে রয়েছে, যার কারণে বিজ্ঞানীদের কাছেও এই জায়গাটি সবথেকে বেশি ডেঞ্জারাস বলে মনে হয়। আজকের ভিডিওতে সেই বিষয়ে জানবেন। যদি আপনি ওয়ার্ল্ড ম্যাপে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলকে সার্চ করেন, তাহলে সেখানে এই জায়গাটিকে খুঁজে পাবেন না। আমরা ম্যাপে যে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলকে পিনপয়েন্ট করি, এই বাউন্ডারিটা কেবল অনুমানের উপর ভিত্তি করে। ওয়ার্ল্ড ম্যাপে কেউই এর এক্সাক্ট লোকেশনকে সহমত পোষণ করেনি। মনে করা হয় এই এরিয়াটি প্রায় 1.3 মিলিয়ন স্কয়ার কিলোমিটার অথবা 5 লাখ স্কয়ার মাইলের মধ্য পড়ে। মানে এই জায়গাটি দুটো জাপানের সমান বড়। 1964 সালে আরগোজি ম্যাগাজিনে আমেরিকার লেখক ভিনসেন্ট হেইস গ্যাডিস সর্বপ্রথম ত্রিভুজ আকারের সেপ দিয়ে এই জায়গাটিকে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল নামে উল্লেখ করেন। অনুমান করা হয় এই জায়গাটি বারমুডার ডেস থেকে শুরু হয়ে আমেরিকার মায়ামি ফ্লোরিডা হয়ে পিউরোটিগো পর্যন্ত বিস্তৃত। আর এখানের মধ্যেই রয়েছে আটলান্টিক মহাসাগরের সবথেকে গভীরতম পয়েন্ট, দা মিলওয়াকি ডিপ। এটা এতটাই গভীর যার মধ্য 11 টি ব্রুচ খলিফাকে পরপর সাজিয়ে রাখা যাবে। এমন নয় যে আটলান্টিকের গভীরতম পয়েন্টে এসেই হারিয়ে যাওয়ার কারণে জাহাজগুলিকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। বরং যেই জাহাজগুলি এখানে এসে হারিয়ে গেছে, তারা এমন কি একটি চিহ্নও রেখে যায়নি। আর গবেষকরা যেসব পরিত্যক্ত জাহাজকে এখান থেকে সন্ধান পেয়েছে, এগুলি হারিয়ে যাওয়ার পেছনে কোনো সেন্স নেই, কোনো লজিক নেই। যেমন 5ই ডিসেম্বর 1872 সালে ব্রিটিশ শিপ ডেলগ্রেসিয়া এজেরেস উপকূল থেকে 400 মাইল দূরে যাত্রা করছিল। কিন্তু যাত্রার মাঝে ডেভিড মোরহাউস আ তার ক্রু মেম্বাররা দূরের দিকে একটি জাহাজ দেখতে পাই। কাছে যেতেই দেখে এটা মেরি সেলেস্ট। আর এটা হল সেই জাহাজ যেটাকে এক সপ্তাহ আগে নিউইয়র্ক থেকে জেনুয়া নিয়ে যাচ্ছিল তারই বন্ধু বেঞ্জামিন ব্রিক্স। এই জাহাজটির পথে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের রুট ছিল। ক্যাপ্টেন মোর যখন জাহাজকে সিগনাল পাঠায়, ম্যারিসেলেটস থেকে কোনো উত্তর পাইনি। কয়েক ঘন্টা ওয়েট করার পর যখন জাহাজ থেকে কোনো উত্তর পায়নি, সে তার কিছু ক্রুকে জাহাজের ভিতর পাঠায়। তারা ভিতরে প্রবেশ করে দেখে সবকিছুই ঠিকঠাক রয়েছে। কিন্তু জাহাজের ভিতর সাতজন কুরু, একজন ক্যাপ্টেন, আর তার স্ত্রী, আর তার পাঁচ বছরের কন্যা গায়েব। আর ভিতরে রাখা একটি ছোট লাইফ বোটো গায়েব। কেবল জাহাজের ভিতর খাঁচায় বন্দি একটি ক্ষুধার্থ পাখি চিৎকার করছে। বাকি জাহাজের ভিতর সবকিছুই ঠিকঠাক রয়েছে। যেমন জাহাজে রাখা ছয় মাসের খাবার পড়ে আছে, পড়ে আছে পণ্য সামগ্রী। এমনকি জাহাজে জলদস্যুদের দ্বারা আক্রমণ করারও কোন চিহ্ন নেই। এখন প্রশ্ন হল একজন ক্যাপ্টেন এমন কি সমুদ্রের বিশাল সামুদ্রিক ঝড়ের মাঝেও নিজের জাহাজকে পরিত্যাগ করে না। তাহলে তারা বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের কি এমন জিনিস দেখেছিল যে এত মূল্যবান পণ্য সহ জাহাজটিকে পরিত্যাগ করে। আর তারা জাহাজ থেকে কোথায় বা গায়েব হয়ে গেল? আজও ম্যারিসেলেস্ট একটি রহস্য রয়ে গেছে। এমনই একটি সেম রহস্যময় ঘটনা ঘটে 1944 সালে। আমেরিকার রুবিকান নামের একটি জাহাজ কিউবা থেকে হাবানা যাচ্ছিল। যাত্রার পথে রয়েছে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল, কিন্তু জাহাজটি হঠাৎ হারিয়ে যায়। প্রায় এক মাস সার্চ করার পর ইউএস নেভি ফ্লোরিডার কাছে জাহাজটিকে দেখতে পায়। যেটি বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের মধ্যেই পড়ে। মিলিটারিরা জাহাজের ভিতর প্রবেশ করে দেখে সবকিছুই ঠিকঠাক রয়েছে। কিন্তু ভিতরে 300 জন ব্যক্তি থাকার কথা তারা সবাই গায়েব। কেবল একটি কুকুর ডকের মধ্যে ঘোরাঘুরি করছে। কিন্তু কোন মানুষের চিহ্ন নেই। বাকি খাবার জিনিসপত্র সবকিছুই অক্ষত রয়েছে। দেখে মনে হচ্ছে জাহাজের যাত্রীরা যেন একা একা জাহাজ থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে। কেবল এই দুটোই রহস্যময় ঘটনা নয়। 1925 সালে এসএস কোটুপাকসি সাউথ ক্যারালিনার চার্লস স্ট্যান্ড থেকে যাত্রা শুরু করে। গন্তব্যস্থল ছিল হাবানা কিউবা। আর যাত্রার মাঝে রয়েছে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল। কিন্তু জাহাজটি কখনোই তার গন্তব্যস্থলে পৌঁছায়নি। অথচ 1980 সালে এই জাহাজের ধ্বংসাবশেষকে খুঁজে পাওয়া যায় গভীর মরুভূমির মাঝে। যা ছিল খুবই আশ্চর্যজনক ঘটনা। 2020 সালের জানুয়ারি মাসে মেরিন বায়োলজিস্টরা কনফার্ম করেন যে এটাই হল সেই হারিয়ে যাওয়া এসএস কোটুপাকসি। সবথেকে ভয়ানক ব্যাপার হলো বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের আতঙ্ক কেবল সমুদ্র পর্যন্তই সীমাবদ্ধ নয়। এমনকি আকাশ পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। আর এই কারণেই এই জায়গাটির উপর দিয়ে এমনকি পাইলটরাও যেতে ভয় পায়। ডিসেম্বর 1945 সালে পাঁচটি টর্পেডো বোম্বারার উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা 14 জন ক্রু মেম্বার নিয়ে ফ্লোরিডা থেকে যাত্রা শুরু করে। এটা ছিল তাদের তিন ঘন্টার ট্রেনিং এক্সারসাইজ। কিন্তু 19 মিনিট ওড়ার পরেই প্লেনে প্রবলেম দেখা দেয়। ফ্লাইট লিডার চার্লস টেলার রেডিওর মাধ্যমে মেসেজ পাঠায় যে এখানে ওয়েদার কন্ডিশন খুবই খারাপ হয়ে গেছে। কম্পাস ঠিকভাবে কাজ করছে না আর বাকি চারটে পাইলটের সঙ্গেও কন্টাক্ট করা যাচ্ছে না। এই লাস্ট মেসেজটি পাঠানোর পরেই পাঁচটি প্লেন গায়েব হয়ে যায়। এই পাঁচটি প্লেনকে খোঁজার জন্য আরো দুটো প্লেনকে পাঠানো হয়। কিন্তু এই দুটি প্লেনের মধ্যে একটি রেস্কিউ প্লেন আবারও গায়েব হয়ে যায়। আর এই পয়েন্টটি ছিল বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলে। এই ঘটনার পর থেকে ওই ছটা প্লেনের আজ পর্যন্ত কোন ধ্বংসাবশেষের সন্ধান পাওয়া যায়নি। তারা চিরতরের জন্য গায়েব। গবেষকদের মতে সম্ভবত কম্পাস কাজ না করায় প্লেনগুলি তাদের রাস্তা হারিয়ে ফেলে। আর ফিউল শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে সমুদ্রে পড়ে যায়। কিন্তু এখন প্রশ্ন হল রেস্কিউ প্লেনটি কিভাবে ওই জায়গায় এসে হারিয়ে গেল? এর উত্তর কারো কাছে ছিল না। এমন আরো একটি ঘটনা দেখা যায় 4ই ডিসেম্বর 1970 সালে। ব্রুস গার্নান আর তার বিজনেস পার্টনার এন্ড্রেস আইল্যান্ড থেকে মায়ামি বিচের দিকে রওনা হয়। ব্রুস এই সময় বিচ ক্রাফট বোনানজ্য প্লেনে ফ্লাই করছিল। এই পথটির দূরত্ব ছিল 400 কিলোমিটার। আর গন্তব্যস্থলে পৌঁছাতে 90 মিনিট সময় লাগবে। প্লেনটি যখন বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের মধ্যে প্রবেশ করে, সে তার সামনে একটি মেঘের তৈরি সুরঙ্গ পথ দেখতে পায়। এটা অনেকটা চং এর মতো দেখতে। ব্রুস যতই আগে চলেছে মেঘের তৈরি সুরঙ্গ পথটি ততই বাড়তে থাকে। এর কোন শেষ সে দেখতে পাচ্ছে না। যখন সে এই টানেলের ভিতর প্রবেশ করে, মেঘটি কালো অন্ধকারে আচ্ছন্ন ছিল। কিন্তু কিছুটা ভিতরে যাওয়ার পরেই হঠাৎ সাদা উজ্জ্বল আলো ফ্লাশ হতে থাকে। সে ভেবেই নিয়েছে হয়তো এই বিদ্যুতের আঘাতে মারা যাবে, কিন্তু হঠাৎ এক ধাক্কায় সে ওই মেঘের টানেল থেকে বেরিয়ে আসে। যখন সে মায়ামি এয়ারপোর্টে ল্যান্ড করে, সে নোটিশ করে যে এন্ড্রেস আইল্যান্ড থেকে ফ্লোরিডা যেতে যতটা ফিউয়েলের প্রয়োজন তার অর্ধেক খরচ হয়েছে। মানে সে ওইদিন 47 মিনিটের মধ্যেই তার গন্তব্যস্থলে পৌঁছে যায়। ব্রুস কিভাবে সেদিন এত দ্রুত গন্তব্যস্থলে পৌঁছেছিল, এর রহস্য আজও কেউ সমাধান করতে পারেনি। বন্ধুরা বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের রহস্যকে সমাধান করার জন্য বিভিন্ন গবেষকরা নিজে নিজ যুক্তি দেখায়। যেমন সমুদ্র বিজ্ঞানীদের মতে রোগ ওয়েভের কারণেই এই জাহাজগুলি ডুবে যায়। রোগ ওয়েভ হল সমুদ্র থেকে উৎপন্ন হওয়া সেই ঢেউ যাদের হাইট প্রায় পাঁচ তলা বিল্ডিং এর সমান উঁচু হয়ে থাকে। যখন পৃথক ঢেউ বিভিন্ন ডিরেকশন থেকে একটি নির্দিষ্ট স্পিডে একই জায়গায় এসে ধাক্কা মারে, তখন সেটা রোগ ওয়েভের রূপ নেয়। মানে একটি সিঙ্গেল ঢেউ 30 ফুট উচ্চতা পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। আর যদি বিভিন্ন ডিরেকশন থেকে কন্টিনিউ হতে থাকে, তাহলে সেটা 100 ফিট হাইটে দাঁড়িয়ে যায়। আর এই বিশাল ঢেউ যেকোনো বড় জাহাজকে ছাড়িয়ে যেতে পারে। আর বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল এমনই প্রকাণ্ড সামুদ্রিক ঝড়ের জন্য পরিচিত। কিন্তু তারপরেও এই থিওরিটি সব রহস্যকে সঠিকভাবে ব্যাখ্যা দিতে পারে না। এমনও জাহাজ এখান থেকে পাওয়া গেছে যার ভিতর কোন যাত্রী নেই। তাহলে সেই জাহাজগুলির সঙ্গে কি ঘটেছিল? কিছু এক্সপার্টদের মতে মাঝ সমুদ্রে যখন প্রচন্ড গতিতে ঝড় ওঠে, বিশেষ করে রোগ ওয়েব দেখা যায়, এই ঢেউটি তখন অসহনীয় শব্দ জেনারেট করতে থাকে। যা নার্ভ সিস্টেমের জন্য ক্ষতিকর ইফেক্ট। আর এর ফলে জাহাজের যাত্রী আর কুরুরা কমন সেন্স হারিয়ে ফেলে। আর নিজেদের বাঁচতে ভয়ে এদিক ওদিক দৌড়াতো থাকে আর অনেকে বোর্ড থেকে ঝাপ দেয়। এই কারণেই বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল থেকে সন্ধান পাওয়া পরিত্যক্ত জাহাজগুলির পণ্যসামগ্রী সবই অক্ষত থাকে। কিন্তু কোনো যাত্রীদের সন্ধান পাওয়া যায় না। আরেকটি থিওরিতে বলা হয় বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের কিছু কিছু জায়গায় সমুদ্রের নিচে মাটি ফালকেনো ইরেপ্ট হয়। আর এর ফলে মিথেন গ্যাস বাবলস আকারে রিলিজ হতে থাকে। আর এটা যদি জাহাজের নিচে হয়ে থাকে, তাহলে সেই জাহাজটি কোন ওয়ার্নিং ছাড়া জলের নিচে নিমজ্জিত হয়ে যাবে। আসলে জলে মিথেন থাকলে জলের ডেনসিটি কমে যায়। আর জাহাজের ভাসমান ক্ষমতাও নষ্ট হয়ে যায়। তাছাড়া মিথেন অত্যন্ত অগ্নিদাহক গ্যাস। যদি প্লেন থেকে নির্গত হওয়ার তাপের সংস্পর্শ আসে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে প্লেনটি এক্সপ্লোশন হয়ে যাবে। আর জাহাজটিকে খুঁজে পাওয়া তখন মুশকিল হয়ে পড়বে। তাছাড়া যখন এই গ্যাসটি জলের নিচে বিস্ফোরিত হয়, এটা তখন একটা সিঙ্কহোল তৈরি করে দেয়। ঠিক অনেকটা টয়লেট ফ্লেশিং এর মতো দৃশ্য হয়। আর এর পাশ দিয়ে যদি কোন জাহাজ ক্রস করে, তাহলে তাকে ভিতর দিকে টেনে নেয়। তাছাড়া এই এরিয়াতে সরভুজের মতো মেঘ সৃষ্টি হয়। আর এই মেঘগুলি এতটাই পাওয়ারফুল ঝড় সৃষ্টি করে যে এর বাতাসের বেগকে সামাল দেয়ার ক্ষমতা থাকে না কোন উড়ো জাহাজের। এখানে আটলান্টিকের সবথেকে গভীরতম পয়েন্টও রয়েছে। বাই চান্স যদি এই জায়গায় জাহাজ ডুবে ঘটনা ঘটে তাহলে এত নিচে ধ্বংসাবশেষকে খুঁজে পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। গবেষকদের মতে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল হচ্ছে হেভি ট্রাফিক এরিয়া। যদি জাহাজগুলি মায়ামি থেকে পিউরোটিউরিকে দিকে না যায়, তাহলে 90% ক্যারিবিয়ান ভেকেশন নষ্ট হয়ে যাবে। আর অতিরিক্ত ট্রাফিক থাকার কারণে দু-একটাত জাহাজ প্লেন দুর্ঘটনার চান্স থেকেই যায়। যদি আপনি লক্ষ্য করেন তাহলে বুঝতে পারবেন, বিগত 20 বছর ধরে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল ছাড়াও সমুদ্রের বিভিন্ন জায়গায় দুর্ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে। যেমন মালয়েশিয়ান প্লেন দুর্ঘটনার কথা বলা যায়। এর উপর অলরেডি চ্যানেলে একটি ভিডিও রয়েছে দেখে আসতে পারেন। কিন্তু বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল এতটাই জনপ্রিয় হয়ে গেছে যে কেবল এখানে দুর্ঘটনায় মানুষের নজরে পড়ে। তবে ব্রুস গার্নানের অদ্ভুত অভিজ্ঞতার ঘটনা আজও একটি রহস্য। বন্ধুরা আপনাদের কি মনে হয়? ব্রুস কি সত্য বলেছিল নাকি সে বিশ্বের সামনে মিথ্যা ঘটনা তুলে ধরেছিল? আপনার মন্তব্য কমেন্ট করে জানাবেন। আজ এই পর্যন্ত আপাতত বিদায় নিলাম দেখা হবে আবার পরের এপিসোডে।

কেন বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলকে গুগল ম্যাপে দেখা যায়না ? Why the Bermuda Triangle Is Never on a Map ?
আমেজিং দুনিয়া
8m 47s1,497 words~8 min read
Auto-Generated
Watch on YouTube
Share
MORE TRANSCRIPTS


