Thumbnail for তামিলনাডুতে থালাপতির ঐতিহাসিক বিজয় ভারতে চুরমার নরেন্দ্র মোদির সিংহাসন | Tamil Nadu Election News by Daily BD News 24

তামিলনাডুতে থালাপতির ঐতিহাসিক বিজয় ভারতে চুরমার নরেন্দ্র মোদির সিংহাসন | Tamil Nadu Election News

Daily BD News 24

8m 24s1,028 words~6 min read
Auto-Generated

[0:00]তিরুমঙ্গলম বিজয় উসলাবট্টি বিজয় There are so many jackals and other animals in the forest but there will be only one lion. আম্মা বিজয় বলে, আম্মা বিজয় বলে

[0:15]তামিলনাড়ুতে থালাপতি ঐতিহাসিক বিজয়। এবার ভারতে চুরমার হতে যাচ্ছে নরেন্দ্র মোদির সিংহাসন।

[0:24]মোদীর গদি রাজনীতির দুর্গ ছিল সুপরিকল্পিত আইটি সেল, বিশাল নির্বাচনী তহবিল আর দিল্লির অপ্রতিরোদ্ধ ক্ষমতা। তাদের লক্ষ্য ছিল 2026 সালে তামিলনাড়ুর দাবি রাজনীতির দুই স্তম্ভ ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে কে উপড়ে ফেলে সেখানে পদ্ম ফোটানো। কিন্তু তারা যা বুঝতে পারেনি তা হলো সিনেমার স্ক্রিপ্টের চেয়েও জটিল এক রাজনৈতিক চিত্রনাট্য তৈরি করেছিলেন বিজয়। বিজয়ের রণকৌশল ছিল বিস্ময়কর যা কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ও টের পায়নি। ভারতের দক্ষিণ প্রান্তের রাজ্য তামিলনাড়ু যেখানে রাজনীতি মানে কেবল ভোট নয়, রাজনীতি মানে আবেগ। যেখানে রুপালি পর্দার দেবতারা বাস্তবের সিংহাসন দখল করেন। কিন্তু 2026 সালের এই নির্বাচন ছিল একেবারেই আলাদা। দিল্লির মসনদে বসে থাকা ঝানু চাণক্যদের সব হিসেব যেন নিমিষেই ধুলোয় মিশে গেল। বিজেপির টার্গেট ছিল তামিলনাড়ু। স্টালিনের ডিএমকে লক্ষ্য ছিল একাধিপত্ব বজায় রাখা। কিন্তু মাঝখান থেকে একজন মানুষ এসে পুরো দাবার বোর্ডটাই উল্টে দিলেন। তিনি কোন পেশাদার রাজনীতিবিদ নন, তিনি কোটি মানুষের প্রিয় থালাপাতি বিজয়। মাত্র দুই বছরের একটি দল টিভিকি। কিন্তু তার প্রভাবে আজ কাঁপছে চেন্নাই থেকে দিল্লি। থালাপতি বিজয়ের এই মহাজয়ের পেছনে কি শুধুই তার স্টারডম নাকি ডিএমকে এআইএডিএমকে দীর্ঘদিনের দ্বিমেরু রাজনীতির ওপর সাধারণ মানুষের বিতৃষ্ণা? ম্যাজিক ফিগার ছোঁয়া সত্ত্বেও কেন থালাপতি বিজয় এখনো শপথ নিতে পারছেন না? কেন তিনি দুই সপ্তাহ সময় নিলেন? এটি কি কোন কৌশলগত বিরতি নাকি জোট রাজনীতির মারপ্যাঁচ? গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে বিজয়ের সরকার গঠন রুকতে পর্দার পেছনে কাঠি নাড়ছে দিল্লি। নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের কি কোন বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে তামিলনাড়ু নিয়ে? কেন বিজয়ের এই উত্থান দিল্লির মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ালো? তামিলনাড়ুর এবারের নির্বাচনে কোন দল কত আসন পেল? কোন কোন দল থালাপতির সাথে হাত মিলিয়ে জোট গঠন করতে পারে? দর্শক আজ আমরা উন্মোচন করব থালাপতি বিজয়ের এই অবিশ্বাস্য রাজনৈতিক উত্থানের পেছনের অন্ধকার আর আলোর গল্প। আমরা বিশ্লেষণ করে দেখব কিভাবে বিজয়ের মাক্কাল ইয়াক্কাম তৃণমূল স্তরের সাইলেন্ট ভোট ব্যাংক তৈরি করেছে। বিস্তারিত জানতে ডেইলি বিডি 24 এর সাথেই থাকুন আর আপনি যদি আমাদের চ্যানেলে নতুন হয়ে থাকেন এখনি সাবস্ক্রাইব করে বেল বাটনটি অন করে দিন যাতে পরবর্তী ব্রেকিং আপডেট মিস না হয়। থালাপতি বিজয়ের প্রথমে ও প্রধান কারণ হলো তার তারকা খ্যাতি ও জনপ্রিয়তা। দক্ষিণ ভারতের সিনেমার পর্দার নির্দিষ্ট কিছু তারকার বিশাল অনুসারী গোষ্ঠী রয়েছে যা সরাসরি তাদের রাজনীতিতে প্রভাবিত করে। বিজয়ের সফলতার অন্যতম ভিত্তি হলো তার তামিল জাতীয়তাবাদ ও ন্যায় বিচারের প্রতিশ্রুতি। তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে দ্রাবিড় পরিবারের এক দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে এবং এই পরিবারের সাথে যুক্ত দ্রাবিড় আন্দোলনগুলি এখানকার রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তামিলনাড়ুর জনগণের মধ্যে দ্রাবিড় পরিচয়ের প্রতি তীব্র অনুরাগ রয়েছে এবং বিজয় এই আবেগ কে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়েছেন। তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে দীর্ঘদিন থেকে দুটি প্রধান দলের একাধিপত্য ছিল। যে কারণে তৃতীয় কোন শক্তির উত্থানের সুযোগ ছিল না। বিজয় সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েছেন। তামিলনাড়ুর দীর্ঘদিনের মেরুকরণের রাজনীতিতে একটা নতুন বিকল্প হিসেবে বিজয়কে বেছে নিয়েছে জনগণ।

[3:49]বহু জনগণ বিশ্বাস করেন বিজয় ক্ষমতায় এসে এই রাজনীতির পরিবর্তন করবেন। 2026 সালের তামিলনাড়ু নির্বাচনে একক বৃহত্তম দল হওয়া সত্ত্বেও বিজয় সরাসরি সরকার গঠন করতে না পারার কারণ হলো সংখ্যাগরিষ্ঠতার অভাব। তামিলনাড়ুর বিধানসভার মোট আসন সংখ্যা 234 টি। সরকার গঠনের জন্য যে কোন দল বা জোটকে 118 টি আসনে জয় লাভ করতে হয়। নির্বাচনের সর্বশেষ ফলাফল অনুযায়ী ডিএমকে জোট প্রায় 73-74 টি আসন পেয়েছে। এআইএডিএমকে জোট প্রায় 52 টি আসন পেয়েছে এবং বিজয়ের দল টিভিকি প্রায় 107 থেকে 108 টি আসন পেয়েছে। বিজয় একক বৃহত্তম দল হলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতার অভাব রয়েছে। তামিলনাড়ুর ইতিহাসে গত কয়েক দশকের মধ্যে এবারই প্রথম ঝুলন্ত পার্লামেন্টের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কোন দলই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় সরকার গঠনের প্রক্রিয়াটি এখন জটিল হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিজয় নির্বাচনের আগে ঘোষণা করেছিলেন তিনি এককভাবে লড়বেন। এখন সরকার গঠনের জন্য তাকে অন্য কোন দলের যেমন কংগ্রেস বা অন্যান্য ছোট দলের সমর্থন নিতে হবে। এই জোট গঠনের আলোচনা এবং শর্তাবলী চূড়ান্ত করতে সময়ের প্রয়োজন হয়। সংবাদমাধ্যম অনুযায়ী তিনি ইতিমধ্যেই রাজ্যপালের কাছে সরকার গঠনের দাবি জানানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছেন এবং সমর্থনের জন্য অন্যান্য দলগুলির সাথে যোগাযোগ করছেন। একক বৃহত্তম দল হিসেবে রাজ্যপাল তাকে সরকার গঠনের আহ্বান জানাতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে তাকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে হবে। এই 10-11 জন বিধায়কের সমর্থন নিশ্চিত না করা পর্যন্ত তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারছেন না। বিজয় জয়ী হয়েছেন ঠিকই কিন্তু সরকার চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় অর্ধেকের বেশি আসন তার হাতে নেই। এই মুহূর্তে তিনি প্রয়োজনীয় সমর্থন জোগাড় করার চেষ্টা করছেন যাতে একটি জোট বা কোয়ালিশন সরকার গঠন করা যায়। এই প্রেক্ষাপটে যাদের সাথে জোট বা সমর্থনের আলোচনা চলছে। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস আইএনসি পাঁচটি আসন পাওয়া কংগ্রেস ইতিমধ্যেই বিজয়কে সমর্থনের ইঙ্গিত দিয়েছে। অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদক পেসি বেনুগোপাল নিশ্চিত করেছেন যে টিভিকি তাদের কাছে সমর্থন চেয়েছে। তবে কংগ্রেসের শর্ত হলো বিজয়কে বিজেপি বা তাদের মিত্রদের সমর্থন নেওয়া থেকে দূরে থাকতে হবে। বামপন্থী দল। বিজয় ইতিমধ্যেই সিপিআইএম এর সমর্থন চেয়ে যোগাযোগ করেছেন। তাদের হাতে দুটি আসন রয়েছে। পাত্তালি মাক্কাল কাচ্চি পিএমকে চারটি আসন পাওয়া এই দলটি কিং মেকারের ভূমিকা পালন করতে পারে। তারা প্রায়ই ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। থালাপতি বিজয় ভিসিকি এবং আইইউএমএল এর মত ছোট দলগুলির সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করছেন যাতে কোন বড় দলের উপর অতি নির্ভরশীল হতে না হয়। থালাপতি বিজয়ের দল বর্তমানে কংগ্রেস এবং বামপন্থী দলগুলির সাথে জোট বেঁধে সরকার গঠনের সবথেকে কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীরা একে অপরের বিরুদ্ধে অনেক সময় ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলেন যা রাজনীতির অংশ। তবে থালাপতি বিজয়ের এই মুহূর্তে সরকার গঠন করতে না পারার মূল কারণ হলো সংখ্যাগরিষ্ঠতার অভাব কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির ব্যক্তিগত ষড়যন্ত্র নয়। তিনি বর্তমানে একটি শক্তিশালী এবং স্থিতিশীল জোট সরকার গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছেন। তবে বিজয় তাড়াহুড়ো করে কোন ভুল পদক্ষেপ নিতে চান না। তিনি নিশ্চিত করতে চাইছেন যে যখন তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন তখন যেন তার পেছনে একটি শক্ত এবং স্থায়ী সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকে। এই দুই সপ্তাহ সময় মূলত একটি টেকশোই এবং শক্তিশালী সরকার গঠনের হোমওয়ার্ক করার জন্য নেওয়া হয়েছে। বিজয়ের এই জয় দিল্লির জন্য বড় বার্তা। দক্ষিণ ভারতে বিজেপির প্রবেশের পথ তিনি স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দিলেন কিনা তা নিয়ে এখন বড় প্রশ্ন। তামিলনাড়ুর এই ফলাফল ভারতের 2029 এর জাতীয় রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে। দর্শক আপনার কি মনে হয় পর্দার নায়ক কি পারবেন বাস্তবের জনতার মুখ্যমন্ত্রী হয়ে উঠতে? তামিলনাড়ু কি এক নতুন সোনালী যুগের সাক্ষী হতে যাচ্ছে নাকি এটি একটি ক্ষণস্থায়ী আবেগ? সময় তার উত্তর দেবে। কিন্তু থালাপতি বিজয় প্রমাণ করে দিয়েছেন জনগণ চাইলে রাজাকে পথের ধুলোয় মিশিয়ে দিতে পারে আর একজন অভিনেতাকে বসাতে পারে সিংহাসন। আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্ট করে জানান।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript