[0:00]বিষয়টি হচ্ছে যে এই যে আমরা কোরবানি করি ঈদুল আযহার সময় কাজটি কি কুফরি কিনা কুফরি কাজ কিনা? শিরকের দিকে নাই গেলেও কিন্তু কুফরি কাজ কিনা? আমি ব্যাপারটি মূলত কোরআনের আলোকেই আপনাদের সামনে আলোচনা করব। দুই নম্বর সূরার 170 নম্বর আয়াতে আল্লাহ সাবধান করে দিয়েছেন যে আমরা যেন বাপ দাদারা যা করে এসেছে সেটা অন্ধভাবে অনুসরণ না করি। আপনি আপনার সিদ্ধান্তের জন্য আল্লাহর কাছে দায়ী থাকবেন। আপনি কি ঈদুল আযহায় কোরবানি করতে হবে যে ফরজ বলেন আপনি অনেক সবাই বলে এটা ফরজ করতে হবে। আপনি আমাকে প্রমাণ দেন যে কোরবানিতে এই কোরবানির ঈদে বা ঈদুল আযহায় আপনাকে পশু কোরবানি দিতে হবে এটা আপনি আমাকে প্রমাণ দেন। ঘুরাবেন না প্যাঁচাবেন না এদিক ওদিক যাবেন না বহু বছর বহু শত বছর যদি মিথ্যা রটনা করে যান এবং মিথ্যাচার করে যান সেটা মিথ্যাচার হলেই সেটা বহু বছর হাজার কোটি বছর যদি আপনি পালন করেন তাও মিথ্যা মিথ্যাই। পৃথিবীর সকল মানুষ মিথ্যার ভেতরে থাকবে এবং ভুল পথে আছে। দুই নম্বর সূরার 30 নম্বর আয়াতে আল্লাহ রব্বুল আলামীন এর কাছ থেকে আমরা জানতে পারছি যে ফেরেশতারা বলছেন যে আমরা তারা তো রক্তপাত করবে। এখন পৃথিবীতে পৃথিবীতে প্রতি ঈদুল আযহাতে আমরা যে রক্তপাত করি। সারা মুসলিম বিশ্ব রক্তে রঞ্জিত করি রাস্তায়।
[1:16]আমরা যে রক্তের খেলায় মাতি। সেটা কি ফেরেশতারা কি সেই বিষয়ে সাবধান হননি তারা কি সেটা নিয়ে সংকিত সংকিত হননি তারা সেটা নিয়ে কি তারা ভয় পাননি? দুই নম্বর সূরা 30 নম্বর আয়াতে এত বড় রক্তের হুলি খেলা 180 কোটি মানুষ যা করছে। তা কি পৃথিবীতে আর কোন সম্প্রদায় করছে? তাহলে কি সূরা দুই নাম্বার সুরার বাকারার 30 নম্বর আয়াতে ফেরেশতারা যা ভয় পেয়েছিলেন তাই কি আমরা বাস্তবে পরিণত করছি না? নির্দিষ্ট একটা অনুষ্ঠানকে টার্গেট করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য রক্তে রঞ্জিত করা এবং সেটাকে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য করা। সেটা কি ইসলামিক হতে পারে? এটা যদি না বুঝেন তাহলে আপনি বেকুব। এ রক্ত মাংস পৌঁছায়নি ওই ভ্যানার রক্ত দেখে ধুম্বার রক্ত দেখে আল্লাহ খুশি হননি। রাইট সুতরাং আল্লাহকে খুশি করতে হলে ভাড়ার রক্ত ভ্যানার মাংস আল্লাহ খুশি হন না। তাহলে ওইটাকেই আপনি উৎযাপন করতে হবে ভ্যানার মাংস জব করা ভ্যানাকে জব করা হোয়াই আপনি প্রতি ঈদেই এভাবে কোরবানি দিয়ে কি প্রমাণ চেষ্টা করছেন? এখন আমরা কি করছি কোরবানি করে যাচ্ছি মনে করছি। এটা তো বরবরতা ভাই। এটা বরবরতা যখন আপনি মনে করেন যে এটা একটা ধর্মীয় অনুষ্ঠান আল্লাহর খুশি করার জন্য কোরবানি করলে জানতে কেন প্রাণীটা আপনার তো যায় না। নাহমাদুহু সাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম আম্মাবাদ আজকের টকশ তে যারা রয়েছেন সকলকে জানাচ্ছি আমার আন্তরিক মোবারকবাদ। তো ভাইয়েরা কয়েকটা প্রশ্ন করেছেন কয়েকটা মন্তব্য করেছেন আমি ভাইদের মন্তব্যগুলোর একে একে জবাব দেব তবে আপনাদের কাছে একটা রিকোয়েস্ট হচ্ছে আপনারা আমার টকশোের মাঝে কোন কথা বলবেন না। আমার কথা শেষ হলে আপনারা একটা নয় 1000 প্রশ্ন করেন কোন সমস্যা নেই তো প্রথমে যেই মন্তব্যটি করেছেন যে একটি পিঁপড়ামারাও যেখানে অন্যায় সেখানে ইসলাম ধর্মে অসংখ্য প্রাণী কি অসংখ্য পশুকে হত্যা করা হয়? ঈদ উদযাপনের নামে ঈদুল আযহার নামে কোরবানীর নামে প্রতিবছর কোটি কোটি প্রাণীকে হত্যা করা হচ্ছে। প্রাণীকে হত্যা করে আনন্দ উদযাপন করা এটা কি অমানবিকতা নয় যেই ধর্মে একটা প্রাণীর প্রতি দয়া দেখাতে পারে না সেই ধর্মের মানুষ কিভাবে শান্তিবাদী হতে পারে আর সেই ধর্ম কিভাবে শান্তির ধর্ম হতে পারে? ভাইয়ের প্রশ্নটির উত্তর দিচ্ছি ভাইয়ের প্রথম অংশের সাথে আমি একমত যে অন্যায়ভাবে কোন প্রাণী হত্যা করা অন্যায়। দেখেন ইসলাম ধর্ম শান্তির ধর্ম একজন সাহাবী একটি পাখির ছানা নিয়ে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট গেলে মা পাখিটি উপর দিকে উঠছিল। তখন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন কেউ কি পাখিটির ছানা নিয়ে এসেছে? তখন একজন সাহাবী বলেন ইয়া রাসূলাল্লাহ আমি নিয়ে এসেছি তখন বললেন যে পাখিটির কষ্ট হচ্ছে সুতরাং পাখির ছানাটিকে ছেড়ে দাও। তখন সাহাবী পাখি ছানাটিকে ছেড়ে দিল তাহলে যেই ইসলাম ধর্মে একটা প্রাণী হত্যা করা তো দূরের কথা যেই ধর্ম একটা প্রাণীকে কষ্ট দেওয়াকে সমর্থন করে না সেই ধর্মে অন্যায়ভাবে কোন প্রকারের কারণ ছাড়া কিভাবে কোন প্রাণীকে হত্যা করতে পারে? তবে যেই ধরনের প্রাণী আমাদের জন্য আল্লাহ রব্বুল আলামীন হালাল করেছেন তা খেতে আমাদের অসুবিধা কোথায়? যিনি আমার এবং সকল পশুদের মালিক যিনি সকল পশুদেরকে সৃষ্টি করেছেন সেই মালিক যদি আমাদেরকে খেতে অনুমতি দেন তাহলে অসুবিধা কোথায়? দেখুন পবিত্র কোরআনুল কারীমের সূরা মায়েদার এক নম্বর আয়াতে আল্লাহ রব্বুল আলামীন বলেন আল্লাহ রব্বুল আলামীন তোমাদের জন্য হালাল করেছে চতুষ্পদ জন্তু। সূরা মায়েদা আয়াত নং 1 এরপরে সূরা নাহালের পাঁচ নম্বর আয়াতে আল্লাহ রব্বুল আলামীন বলেন আল্লাহ রব্বুল আলামীন তোমাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন চতুষ্পদ জন্তু তাতে তোমাদের জন্য রয়েছে পরিধেয় অর্থাৎ তার চামড়া দিয়ে তোমাদের জন্য তৈরি করা হয় পরিধেয় এবং তাতে তোমাদের জন্য রয়েছে উপকারিতা এবং তা থেকে তোমরা আহার করো। যেহেতু আল্লাহতালা আমাদেরকে অনুমতি দিচ্ছেন তাহলে খেতে অসুবিধা কোথায়? এরপরে দেখুন সূরা মুমিনুনের 21 নম্বর আয়াতে আল্লাহ রব্বুল আলামীন বলেন আল্লাহ রব্বুল আলামীন বলছেন তোমাদের জন্য চতুষ্পদ জন্তুর মাঝে রয়েছে শিক্ষণীয় বিষয়।
[5:00]তার পেট থেকে তোমাদেরকে আল্লাহতালা পান করান দুধ এবং তাতে রয়েছে তোমাদের জন্য প্রচুর পরিমাণ উপকারিতা এবং তা থেকে তোমরা ভক্ষণ করো আহার করো। তাহলে মালিক যদি আমাদেরকে খাবারের অনুমতি দেন বা খাবারের নির্দেশ দেন তাহলে আমাদের খেতে অসুবিধা কোথায়? এরপরে দেখেন সূরা আন'আমের 142 নম্বর আয়াতে আল্লাহ রব্বুল আলামীন ইরশাদ করেন নিশ্চয়ই আমার নামাজ আমার কোরবানি আমার জীবন এবং মৃত্যু বিশ্ববাসীর প্রতিপালক আল্লাহ তাআলার জন্য। যেহেতু এই কোরবানিটা হচ্ছে সরাসরি আল্লাহ তাআলার নির্দেশ এবং আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির জন্য আর প্রতিটি প্রাণীকে সৃষ্টি করেছেন আল্লাহতালা সুতরাং মালিক যদি তার প্রাণীদেরকে উৎসর্গ করতে বলেন নির্দেশ দেন এবং সেগুলোকে খেতে হালাল করেন তাহলে আমাদের খেতে অসুবিধা কোথায়? এবার আসুন যদি একটু বৈজ্ঞানিকভাবে বিশ্লেষণ করেন তাহলে যারা বলছেন যে জীব হত্যা মহাপাপ তাদের উদ্দেশ্যে বলছি পৃথিবীতে এমন কোন ভেজ খাবার নেই যাতে মানুষের শারীরিক সকল প্রকারের উপাদান রয়েছে। মানুষের শরীরের জন্য পৃথিবীতে এমন কোন ভেজ খাবার বা শাকসবজি তরুলতা নেই যেগুলোর মধ্যে মানুষের শরীরের প্রয়োজনীয় সকল উপাদান রয়েছে। মানুষের শরীরের জন্য প্রয়োজন হয় অ্যামিনো এসিড 21 ধরনের অ্যামিনো এসিড রয়েছে এর মধ্য থেকে অধিকাংশ অ্যামিনো এসিডই শরীরের মধ্যে তৈরি হয়। আর আট ধরনের অ্যামিনো এসিড পূর্ণগত হয় খাবারের মাধ্যমে। পৃথিবীতে এমন কোন শাকসবজি নেই যেগুলোর মধ্যে আট ধরনের অ্যামিনো এসিড রয়েছে সুতরাং যদি ভিটামিনের ঘাটতি পূর্ণ করতে হয় অ্যামিনো এসিডের ঘাটতি পূর্ণ করতে হয় তাহলে অবশ্যই আমাদেরকে ননভেজ খাবার তথা প্রাণীর গোশত অবশ্যই আমাদেরকে খেতে হবে। সুতরাং আমাদের শারীরিক সুস্থতার জন্য ভিটামিনের ঘাটতি পূর্ণ করার জন্য অবশ্যই আমাদেরকে ননভেজ তথা পশুপাখির গোশত খেতে হবে। এরপরে যদি আরেকটু গবেষণা করেন তাহলে দেখবেন যে কিছু প্রাণী রয়েছে যেমন গরু ছাগল মহিষ উট দুম্বা ভেড়া এগুলোর শুধুমাত্র সমান্তরাল দাঁত রয়েছে এরা শুধুমাত্র শাকসবজি বা ঘাস জাতীয় খাবার খেতে পারে এরা কোনদিন অন্য প্রাণীর গোশত খেতে পারে না। আবার যদি আপনি লক্ষ্য করেন বাঘ সিংহ চিতা বা হায়না এরা শুধুমাত্র অন্য প্রাণীর গোশত খেয়ে বেঁচে থাকে এরা শাকসবজি আর ঘাস খেতে পারে না তাদের দাঁতের দিকে লক্ষ্য করলে দেখবেন তাদের রয়েছে সুচালো দাঁত। গরু ছাগলের রয়েছে সমান্তরাল দাঁত আর হিংস্র প্রাণী রয়েছে সুচালো দাঁত। আপনি যদি আপনার দাঁতগুলো আয়নাতে দেখেন তাহলে দেখবেন আপনার রয়েছে সমান্তরাল দাঁত এবং সুচালো দাঁত। যদি আল্লাহতালা চাইতেন যে তার বান্দাগণ শুধুমাত্র ভেজ খাবার বা শাকসবজি খাবে তাহলে আল্লাহতালা আমাদেরকে সুচালো দাঁত কেন দিলেন? যেহেতু আল্লাহতালা আমাদেরকে সুচালো দাঁত দিয়েছেন তার মানে আল্লাহতালা চেয়েছেন যে তার বান্দাগণ শাকসবজি ভেজ খাবার এবং ননভেজ খাবার খেয়ে তারা শারীরিকভাবে সুস্থ এবং স্বাবলম্বী থাকবে। এরপরে যদি আপনারা খেয়াল করেন যে যে সকল প্রাণী ভেজ খাবার খেয়ে থাকে উট গরু দুম্বা ছাগল মহিষ গরু তারা শুধুমাত্র ভেজ খাবার বা শাকসবজি বা ঘাসই হজম করতে পারে কোন গোশত তারা হজম করতে পারে না। আবার যদি দেখেন হিংস্র প্রাণী তারা শুধুমাত্র গোশতই হজম করতে পারে অন্য কিছু হজম করতে পারে না। আর যদি আপনি খেয়াল করেন মানুষের হজমতন্ত্রের দিকে তাহলে মানুষের রয়েছে ক্ষুদ্রান্ত এবং বৃহদান্ত্র অর্থাৎ মানুষের যে হজমতন্ত্র রয়েছে সেটি ভেজ খাবার শাকসবজি হজম করতে পারে এবং প্রাণীর গোশত তথা ননভেজ খাবারও তারা হজম করতে পারে। যদি আল্লাহতালা চাইতেন যে মানুষ শুধুমাত্র ভেজ খাবার খাবে তাহলে আল্লাহতালা মানুষকে ননভেজ খাবার বা গোশত খাওয়ার হজমতন্ত্র কেন দান করলেন? যেহেতু আল্লাহতালা চেয়েছেন যে মানুষ ভেজ খাবারও খাবে আবার ননভেজ খাবারও খাবে তাই আল্লাহতালা মানুষকে উভয় ধরনের খাদ্য হজম করার শক্তি দান করেছেন। মানুষের মধ্যে একটা ভুল ধারণা রয়েছে যে অধিকাংশ ধর্মেই প্রাণী হত্যাকে নিষেধ করা হয়েছে বিশেষ করে হিন্দুত্ববাদের একটা স্লোগান রয়েছে যে জীব হত্যা মহাপাপ। আসলে এটা একটি ভুল ধারণা প্রতিটি ধর্মেই ননভেজ তথা পশুপাখি খাওয়াকে বৈধ বলা হয়েছে এমনকি বৈজ্ঞানিকভাবেও মানুষের শারীরিক সুস্থতার জন্য বিজ্ঞান ও ননভেজ খাবার খাওয়ার জন্য উৎসাহিত করে। আপনি যদি হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থ দেখেন যদি মনস্মৃতি পাঠ করেন তাহলে আপনি দেখবেন মনস্মৃতির অধ্যায় নম্বর পাঁচ অনুচ্ছেদ 30 এ বলা হয়েছে ঈশ্বর কিছু প্রাণীকে বানিয়েছেন খাবারের জন্য আর কিছু প্রাণীকে বানিয়েছেন খাদ্য হিসেবে। সুতরাং ঈশ্বর যেহেতু প্রাণীকে খাবারের জন্য বানিয়েছেন তাহলে আমাদের খেতে অসুবিধা কোথায়? এরপরে যদি আপনি পড়েন মনস্মৃতির অধ্যায় পাঁচ অনুচ্ছেদ 39 সেখানে বলা হয়েছে ঈশ্বর প্রাণীদেরকে বানিয়েছেন উৎসর্গ করার জন্য সুতরাং আমরা তো উৎসর্গ করছি। তাহলে প্রাণীদেরকে উৎসর্গ করলে সমস্যা কোথায়? এরপরে যদি আপনি পড়েন মহাভারত অনুশাসন পর্ব অধ্যায় নম্বর 88 সেখানে পঞ্চ পান্ডবের একটি ঘটনা রয়েছে। আপনারা অনেকেই সেই ঘটনাটি জানেন তারা হলেন পাঁচ ভাই তাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় ভাই যিনি ছিলেন তিনি ছিলেন যুধিষ্ঠির। যুধিষ্ঠির একদিন তাদের ধর্ম তাদের ধর্মযাজক ঠাকুরকে জিজ্ঞাসা করলেন যে আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে কিভাবে সন্তুষ্ট করতে পারি? তখন তাদের ধর্মযাজক উত্তর দিয়েছিলেন যে যদি তোমরা শাকসবজি উৎসর্গ করো তাহলে তোমাদের পূর্বপুরুষগণ সন্তুষ্ট থাকবে এক মাস আর যদি মাছ উৎসর্গ করো তাহলে দুই মাস। আর যদি গোশত উৎসর্গ করো তাহলে তিন মাস যদি খরগোশ উৎসর্গ করো তাহলে চার মাস যদি ছাগল উৎসর্গ করো তাহলে পাঁচ মাস আর যদি শূকর উৎসর্গ করো তাহলে ছয় মাস এভাবে বলতে থাকলেন এবং 11 নম্বরে বললেন যদি সার গরু উৎসর্গ করো তাহলে তোমাদের পূর্বপুরুষগণ সন্তুষ্ট থাকবে 11 মাস। আর যদি গরু উৎসর্গ করো তাহলে তোমাদের পূর্বপুরুষগণ সন্তুষ্ট থাকবে 12 মাস তাহলে হিন্দু ধর্ম গ্রন্থেই বলা হয়েছে গরু খাওয়ার কথা। আপনারা এখনই পড়ুন হিন্দু ধর্মগ্রন্থগুলো পড়ুন আপনাদের ধর্মগুলো পড়ুন আপনাদের ধর্মযাজকরা আপনাদের ধর্মের ঠাকুররা আপনাদেরকে ধর্ম থেকে বিচ্যুত করে বিপথে নিয়ে যাচ্ছে। আপনাদের ধর্মীয় গরু খাওয়ার কথা রয়েছে এই ক্ষেত্রে আমি আপনাদেরকে পরামর্শ দিব আপনারা আপনারা ছাগলদের প্রতি অন্ধবিশ্বাস না করে আপনারা সরাসরি আপনাদের কিতাবগুলো পড়ুন আপনারা বইগুলো পড়ুন এবং সেখান থেকে সলিউশন নেন। এরপরে আসুন অনেকে বলে যে জীব হত্যা মহাপাপ তাদের উদ্দেশ্যে আমি বলছি তাহলে কি গাছপালার কি জীবন নেই? 1901 সালে জগদীশ চন্দ্র বসু তিনি আবিষ্কার করলেন যে গাছেরও প্রাণ রয়েছে তিনি গাছের জীবন কথা নামে একটি বইও লিখেছেন। তাহলে গাছেরও প্রাণ রয়েছে আমেরিকার একজন কৃষি বিজ্ঞানী তিনি একটি মেশিন আবিষ্কার করেছেন সেই মেশিন দ্বারা গাছের কান্নাও শোনা যায় কখন গাছের পানি প্রয়োজন কখন ক্ষুধা লেগেছে কখন সে যন্ত্রণার জন্য কান্না করছে সেটাও সেই মেশিন দিয়ে শোনা যায়। যেহেতু আমরা মানুষ 20 সেকেন্ড পার্সিক্যাল থেকে 20000 সেকেন্ড পার্সিকেলের মধ্যবর্তী কম্পাঙ্ক তরঙ্গের আওয়াজ আমরা শুনতে পাই। আর যেহেতু গাছের আওয়াজ 20 সেকেন্ড পার্সিক্যাল থেকে কম তাই আমরা তাদের আওয়াজ শুনতে পাই না কিন্তু মেশিন লাগালে সেই আওয়াজটিও শোনা যায় তাহলে গাছও ব্যথা অনুভব করতে পারে গাছও কষ্ট পায়। একসময় যেহেতু আপনারা জানতেন না যে গাছের প্রাণ রয়েছে তাই আপনারা অন্য প্রাণীদেরকে খেতেন না আর গাছ খেতেন এখন যেহেতু আধুনিক বিজ্ঞান উন্নত হয়েছে এখন তো আপনারা জানতে পেরেছেন যে গাছের প্রাণ রয়েছে এখন আপনাদের উচিত হবে গাছও ছেড়ে দেওয়া। যদিও ইসলাম ধর্মে এটা বলে না আপনাদের কথা অনুযায়ী এখন আপনাদের উচিত হলো আপনাদের গাছ হত্যাও ছেড়ে দেওয়া। যদি আপনার গাছ হত্যাও ছেড়ে দেন তাহলে আপনাদেরকে না খেয়ে মরতে হবে। কারণ আপনারা ভাত খাবেন সেটা এসেছে ধান গাছ থেকে আপনারা রুটি খাবেন সেটা এসছে গম থেকে অর্থাৎ পৃথিবীর এমন কোন খাবার নেই যেটা কোন প্রাণী থেকে আসেনি। প্রত্যেকটি খাবারই কোনো না কোনো প্রাণী থেকে এসেছে সুতরাং এই ধরনের কথা এই ধরনের যুক্তি সম্পূর্ণ অবান্তর এবং ভিত্তিহীন। এরপরে আপনারা আপনারা বলতে পারেন যে অন্যান্য প্রাণীর পাঁচটি ইন্দ্রিয় রয়েছে কিন্তু গাছের ইন্দ্রিয় দুটি কম আছে তাহলে আমি একটি উদাহরণ দেই যদি আপনার একটা ভাই জন্ম নেয় কানার বোবা হয়ে আর তাকে যদি একজন হত্যা করে ফেলে তখন কি আপনি বিচারককে গিয়ে বলবেন যে মাই লর্ড তাকে কম শাস্তি দিন কারণ আমার ভাই ছিল কানার বোবা নাকি বরং আপনি আরো বলবেন যে মাই লর্ড তাকে আরো বেশি করে শাস্তি দিন কারণ আমার ভাই ছিল কানা এবং বোবা। তিনি ছিল মাসুম তিনি ছিলেন নিষ্পাপ তিনি কিছু বলতেও পারতেন না শুনতে পারতেন না সুতরাং ইন্দ্রিয় যার কম রয়েছে তাকে হত্যা করা আরো বেশি অন্যায় যদি পশু হত্যা অন্যায় হয়ে থাকে তাহলে আমি বলব যে গাছ হত্যা করা শাকসবজি আর ভেজ খাবার খাওয়া এটা আরো গুরুতর অন্যায় এটা মহাপাপের উপরে মহাপাপ। তাহলে আপনারা সেগুলোও ছেড়ে দিন তাহলে আপনাদেরকে না খেয়ে মরতে হবে সুতরাং এই ধরনের যুক্তি সম্পূর্ণ অবান্তর এবং ভিত্তিহীন। আমাদের জীবন বাঁচানোর জন্য আমাদের জীবন নির্বাহের জন্য অবশ্যই আমাদেরকে প্রাণীদেরকে খেয়ে বেঁচে থাকতে হবে কারণ আল্লাহ তাআলা এভাবেই পৃথিবীকে সৃষ্টি করেছেন আর মালিক যেহেতু আমাদেরকে এভাবেই খাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আমাদের খেতে অসুবিধা কোথায়? আল্লাহ রব্বুল আলামীন পবিত্র কোরআনুল কারীমের সূরা বাকারার 170 নম্বর আয়াতে আল্লাহ রব্বুল আলামীন বলেন যে জমিনের মধ্যে যা কিছু হালাল রয়েছে তা থেকে তোমরা ভক্ষণ করো। তাহলে আল্লাহতালা যেহেতু বলেছেন খাওয়ার কথা তাহলে আমাদেরকে খেতে অসুবিধা কোথায়? এরপরে দেখেন আল্লাহ রব্বুল আলামীন সূরাতুল বাকারার 29 নম্বর আয়াতে বলেছেন আল্লাহ রব্বুল আলামীন পৃথিবীতে যা কিছু রয়েছে সবকিছু সৃষ্টি করেছেন তোমাদের জন্য। সুতরাং পৃথিবীতে যা আছে সব তো আমাদের জন্য সুতরাং আল্লাহতালা আমাদের কাছ থেকে শুধুমাত্র একটি জিনিস চাচ্ছেন যে আমরা সবকিছু খেয়ে বেঁচে থাকব আর ইবাদত করব। নাস্তিকরা যেহেতু ইবাদত করছে না সেই জন্য তাদের খাবারের অধিকার নেই অধিকার তো তাদের জন্য যাদের জন্য আল্লাহ তাআলা এই পৃথিবীর সবকিছু সৃষ্টি করেছেন। এরপরে দেখেন আমি আপনাদেরকে বলব না যে আপনারা খাবেন না যেহেতু আপনাদের ধর্মে আছে তাহলে আপনারা খাবেন না কেন? এরপরে দেখেন যেহেতু পশুগুলোকে আমাদের প্রতিপালক আল্লাহ রব্বুল আলামীনের নামেই উৎসর্গ করছি আর যখন বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার বলে উৎসর্গ করা হয় তখন প্রাণীগুলো আনন্দ পায় যে যেই প্রতিপালক আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন তার নামে আমাকে কোরবানি দেওয়া হয়েছে উৎসর্গ করা হয়েছে। আর যারা আল্লাহর নামে দিচ্ছে না তারা অন্যায় করছে অবশ্য কারণ একটা প্রাণী আল্লাহতালা দিয়েছেন তার ইবাদত বন্দেগী করা ছাড়া তার অনুশাসন তার নীতিমালা মানা ব্যতীত তার প্রাণী খাওয়ার তো তাদের কোন অধিকার নেই। সুতরাং এই ধরনের যুক্তি অবান্তর এবং ভিত্তিহীন প্রত্যেক প্রাণী খাওয়া যাবে প্রাণী খাওয়া ব্যতীত পৃথিবীর কোন মানুষই বেঁচে থাকতে পারে না। মনে করেছিলাম কালকে তো আমার আজকে কাজ আছে আমাকে বের হতে হবে আমি জাস্ট দু তিন মিনিট একটু কথা বলবো রানা দাসগুপ্ত আপনাকে উদ্দেশ্য করে আপনি একটু যেহেতু দর্শকরা দেখবে দর্শককে সেই জবাবটা দিলেই চলবে গত 19শে নভেম্বর 2020 সালের ভারতের একটি নিউজ সেটা হচ্ছে হিন্দু ছেলের বিয়ের প্রস্তাবে না বলায় তাকে পুড়িয়ে মারা হয়েছে নিশ্চয়ই আপনাদের চোখে পড়েছে নিউজটা। আপনি যেই কথা বললেন যে ভারতে গরুর মাংস খাওয়ার অপরাধে মানুষ মারা হয় কিন্তু সেটার প্রতিবাদ হয় আমি দেখিনি আজ পর্যন্ত আমি জানিনা আপনারা করতে পারেন কিন্তু আমার চোখে পড়েনি বাংলাদেশে না আমি দেখিনি আমি মানে কি হয়েছে কলকাতায় হয়নি কলকাতা কলকাতায় হয়নি হ্যাঁ কলকাতায় হয়েছে কলকাতায় হয়েছে কলকাতায় হয়েছে আমি তো বললাম যে কলকাতায় তাহলে তাহলে তো হয়ে গেল যেখানে হয়েছে সেখানেই প্রতিবাদ হয়েছে তৃণমূল করেছে কংগ্রেস করেছে কিন্তু কখনো বিজেপি করে নাই বিজেপি করবে বিজেপি একটি ধর্মভিত্তিক দল বিজেপি বাংলাদেশ বিজেপি একটি ধর্মভিত্তিক দল তার মানে ভারত ধর্মভিত্তিক রাজনীতি করে
[15:12]শোনেন আমরা বিজেপির ধার ধারী না আমরা আপনারা বললেন গরুর মাংস কে প্রতিবাদ করে নাই এখনো বললেন কংগ্রেস প্রতিবাদ করেছে তৃণমূল প্রতিবাদ
[15:55]আরে ভাই ওপেন সিক্রেটের কথা বইলেন না গোটা পৃথিবীতে ওপেন সিক্রেট কার কি আছে এগুলো বলা যাচ্ছে হ্যাঁ হ্যাঁ উপরে আপনাদের কথা ক্লিয়ার ওপেন সিক্রেট কোথায় কি আছে আর শোনেন একটি কথা অপবাদ ছড়াইয়েন না অপবাদ করেন না আপনারা বললেন 92 অপবাদ করেন না আর জোর করে এগুলো করতে লাভ হবে না নাকি আমরা হিউম্যান রাইট আমি হিউম্যান রাইট মুভমেন্ট করছি কোথায় করছেন আপনি হিউম্যান রাইট যেখানেই পূর্ণ হবে আমি পৃথিবীর যেখানে যেখানে হিউম্যান রাইট পূর্ণ হবে আমি তার প্রতিবাদ করব একজন সাক্ষীকে তুলে নিয়ে ভারতে পাঠানো হয়েছে কিভাবে পাঠালো সেটা নিয়ে তো আপনি কথা বলেন নাই কিভাবে পাঠানো হয়েছে শুক্র রঞ্জন বালি কোথায় হ্যাঁ হ্যাঁ উপরে আপনাদের কথা ক্লিয়ার উপরে আপনাদের কথা ক্লিয়ার ওগুলো তো ওগুলো তো আপনি বলেননি ওগুলো তো আপনারা বলেছেন ঠিক আছে ওগুলোর ওগুলোর উপরে বাংলাদেশে 90 ভাগ মুসলমান মুসলমানের ট্রাইবুনালের জাজমেন্টের উপরে সুপ্রিম কোর্টের জাজমেন্ট আছে আপনাদের ট্রাইবুনের উপরে সুপ্রিম কোর্টের জাজমেন্ট আছে সুপ্রিম কোর্টের জাজমেন্ট আছে তথাকথিত মামলা আপনি যদি ট্রাইবুনাল নিয়ে আসেন আপনি যদি সেই তথাকথিত ট্রাইবুনালের মামলা নিয়ে আসেন তাহলে আপনি যেই নব্ব রাজাকার বাংলাদেশকে চট্টগ্রামকে আদিবাসী বলে ভাগ করতে চাচ্ছেন তাহলে তো আগে আপনাকে ফাঁসি দেওয়া উচিত আই এম রেডি টু বি হ্যাং আই এম রেডি টু বি হ্যাং যদি মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা আমার প্রোকলেমেশন অফ ইন্ডিপেন্ডেন্স অফ কার জন্য আপনাদের মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা হচ্ছে



