[0:00]আমি এভাবে বলি, তোমরা আলাদিনের চেরাগের কথা তো নিশ্চয় শুনেছো যে আলাদিনের চেরাগ, হাত তুলো তো যারা যারা আলাদিনের, সবাই জানে আলাদিনের চেরাগ। এরকম একটা চেরাগ এখানে থাকে। এরকম থাকে। কি হয়? তারে ছুঁয়ে দিলেই কি আসে? দৈত্য আসে, আলাদিনের দৈত্য বেরিয়ে আসে। দৈত্য এসে কি বলে? হুকুম করুন, কি করতে হবে বলুন।
[0:31]এবং তুমি যদি বলো যে এই আমাকে এই পুরা শহর নতুন করে বানিয়ে দাও। সে মুহূর্তের মধ্যেই নতুন এক শহর তোমার জন্য বানিয়া, হুকুম করেছ সে বানিয়ে দিয়েছে। তুমি বলবে যে আমার সঙ্গে তারে দৈত্যের কি সম্পর্ক, চেরাগের কি সম্পর্ক। সম্পর্কটা হলো এই তোমাদের কাছে সে চেরাগ আছে। শুধু সেটা স্পর্শ করা। স্পর্শ করলেই সে দৈত্য বেরিয়ে আসবে। এবং তোমাকে শুধু বলতে হবে কি, তাকে কি হুকুম দেবে সেটা বলতে হবে। এখন ধরো তুমি বললে যে না আমার খিদে লাগছে আমারে কিছু খাওয়ার দাও। সে খাবার দিল, সে তৈরি ছিল যে তোমাকে নতুন সব বানিয়ে দেবে বিশাল শহর বানিয়ে দেবে। তুমি চাইলে কি আমার খিদে লাগছে আমারে ভাত দাও। এই ভুল যেন আমাদের না হয়।
[1:33]আমাদের শক্তি এত বড় একটা ছোট্ট একটা জিনিস যেন সন্তুষ্ট হয়ে না যায়। আমি যে দৈত্যের কথা বললাম আমি অন্যভাবে বলি আসলে তুমিই হইলে সেই মায়াবী দৈত্য দেবী যাই বল। তোমার ইচ্ছা, তোমার সেই শক্তি, তোমার সেই শক্তি আছে তুমি যা ইচ্ছা করো সেটা তুমি পূরণ করতে পারো। ইচ্ছা না থাকলে এটা হবে না ওই যে বললাম আমি সারা পৃথিবী বলতে দিতে পারি কিন্তু আমি চাইলাম কি আমার খিদে লাগছে আমারে ভাত দাও।
[2:10]হ্যাঁ মাথা কাজ করবে ক্ষুধা লাগলে ওকে বলবো যে সারা দুনিয়ার যত খাবার সব সবাইকে খাও আমারও খাওয়াও। পূরণ হয়ে গেল। কাজেই এটা বলতে জানার সে তো তৈয়ার তোমাকে দেওয়ার জন্য আমি কি চাইবো তার কাছে এই চাওয়াটা হলো তোমার ইচ্ছা কল্পনা শক্তি। তুমি কি কল্পনা করো বাংলাদেশ নিয়ে তুমি কি কল্পনা করো। এই কল্পনাই তোমাকে সেখানে নিয়ে যাবে যেহেতু আমার যদি কল্পনা না থাকে এই যে উদাহরণ দিলাম যে দৈত্যের উদাহরণ দিলাম আমার যদি সে কাকে কি বলবো আমি যদি সে দৈত্য হয়ে থাকি আমি নিজেকে কি হুকুম দেবো আমি তো পারি সবকিছু। এই যে বললাম আমি পারি এই কথাটা তোমাদের বিশ্বাস হয়? জোর আসছে না গলায়।



